শনিবার, জানুয়ারি ১৬

সোস্যাল মিডিয়া

‘তৃতীয় লিংগ’ কথাটি কেন বলি আমরা?
সোস্যাল মিডিয়া

‘তৃতীয় লিংগ’ কথাটি কেন বলি আমরা?

মারজিয়া প্রভা :: সরকারি বেসরকারি এনজিও প্রতিষ্ঠানগুলোতে তৃতীয় লিংগ অহরহ কথাটি ব্যবহৃত হয়। আমরা জনমানুষও এই শব্দটি ব্যবহারে অপ্রয়োজন দেখি না! এমনকি যারা জেন্ডার বৈচিত্র‍্যময় আইডেন্টিটির অধিকারী তারাও এই শব্দ চয়ন করে থাকেন। কিন্তু সত্যিই কি এই শব্দ ব্যবহারে আমরা সমস্যা দেখি না? গতকাল সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রশংসায় সয়লাব হয়েছিল, তৃতীয় লিংগের ভারতীয় ভি এস প্রিয়া ডাক্তার হয়েছেন! কিন্তু কোন নারী বা পুরুষ যদি এই ক্ষেত্রে প্রথম এরকমম কিছু করতেন আমরা কি লিখতাম, দ্বিতীয় লিংগের কেউ প্রথম এই কাজ করল বা প্রথম লিংগের কেউ একজন এই কাজটি করল? লিখতাম না নিশ্চয়ই! কারণ নারী পুরুষের সহজাত জেন্ডার আইডেন্টিটিকে স্বাভাবিকভাবে গ্রহণ করলেও, আমরা ইতস্তত হই এর বাইরের কোন জেন্ডার আইডেন্টিটিতে। তাই আমরা নারী পুরুষের বাইরে অন্য যেকোন জেন্ডার আইডেন্টিটিকে একত্রে তৃতীয় লিংগ বলে ফেলি! এই সরলীকরণ করা মানে, সব জেন্...
সত্যেন সেন: মৃত্যুহীন প্রাণ
শিল্প ও সাহিত্য, সোস্যাল মিডিয়া

সত্যেন সেন: মৃত্যুহীন প্রাণ

সঙ্গীতা ইমাম:: বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর প্রতিষ্ঠাতাদের অন্যতম, লেখক, সাংবাদিক, রাজনীতিক, সংগঠক সত্যেন সেনের প্রয়াণদিবস আজ । ১৯৮১ সালের ৫ জানুয়ারি তিনি মৃত্যুবরণ করেন। কিন্তু যে মানুষের জীবনের প্রতিটি মুহূর্ত মানুষের জন্য, সমাজের জন্য, মানুষের মুক্তির জন্য, তাঁর দৈহিক মৃত্যু হলেও আদর্শের অনির্বাণ শিখা সদা দীপ্যমান। তাই আজও প্রতিটি লড়াই-সংগ্রামে, আমাদের অর্জন আর ত্যাগে সত্যেন সেন আমাদের অনুপ্রেরণা, আমাদের ভবিষ্যতের পাথেয়। আজীবন সংগ্রামী সত্যেন সেন ১৯০৭ সালের ২৮ মার্চ বিক্রমপুরের (বর্তমান মুন্সিগঞ্জ জেলার) টঙ্গিবাড়ী উপজেলার সোনারং গ্রামের সেন পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পুরো নাম সত্যেন্দ্রমোহন সেন। ডাকনাম লংকর। বাবার নাম ধরণীমোহন সেন। মাতা মৃণালিনী সেন। চার সন্তানের মধ্যে সত্যেন সেন ছিলেন সর্বকনিষ্ঠ। সোনারং সে সময়ে একটি বর্ধিষ্ণু গ্রাম এবং শিক্ষা-দীক্ষা, ব্যবসা-বাণিজ্য, শিল্...
বন্ধু আয়শা তোমাকে জানাই রক্তিম সালাম
মতামত, সোস্যাল মিডিয়া

বন্ধু আয়শা তোমাকে জানাই রক্তিম সালাম

শেখর দত্ত :: লিখতে বসেই ভাবলাম করোনাকালে হেডিংটা পাল্টিয়ে ‘সকালের বিষাদময় ভাবনা’ শব্দটা বসাবো কি না। ইচ্ছে করেই পাল্টালাম না। বিষাদে থাকতে চাই না। তবে প্রিয় সাথী-সহকর্মী বন্ধুদের মৃত্যুর খবর কেন যেন কেবল সকালেই পাচ্ছি। প্রিয় বন্ধু আয়শার খবরও পেলাম সকালেই। ‘যার হয় ক্যানসার/তার নাই আনসার’ কথাটা আয়শার জীবনে সত্য হয়ে উঠলো। ছোট ছেলে অতনুকে টেলিফোন করে প্রতি রাতে ঘুমাতে যাই। আভা বলে, ওর সাথে কথা বললে ঘুম ভাল হয়। গতরাতে ওকে টেলিফোনে পাইনি। বিছানা ছেড়ে উঠেই বলল, ‘অন্তুকে টেলিফোন কর।’ কিন্তু বিছানা ছেড়ে উঠতে ইচ্ছে করছিল না। ক্রমে লাল হওয়া পুবের আকাশের দিকে তাকিয়ে অবাক বিস্ময়ে আকাশ-পাতাল, অতীত-বর্তমান ভাবছিলাম। বিছানা সবে ছেড়েছি। বন্ধু মুকুল চৌধুরীর ফোন, ‘আয়শা নেই।’ দুজনের কেউ-ই কথা বলতে পারছিলাম না। বাসাটায় যেন কবরের নীরবতা। গৃহকর্মী রাহেলারও প্রিয় আয়শা। বাসায় কখনও এলে আয়শা ওর সাথে কথা বলতো। ...
‘বিপ্লব কারো বাপ দাদার সম্পত্তি নয়’
সাব লিড, সোস্যাল মিডিয়া

‘বিপ্লব কারো বাপ দাদার সম্পত্তি নয়’

নাসির উদ্দিন প্রিন্স :: ভোট ডাকাতির দুই বছর উপলক্ষে ৩০ ডিসেম্বর বাম গণতান্ত্রিক জোট এর প্রধানমন্ত্রী কার্যালয় অভিমুখে কালো পতাকা মিছিলের কর্মসূচী ছিল। পল্টন মোড়ে জমায়েত হয়ে মিছিল নিয়ে আগালে পুলিশ মৎস্য ভবনের সামনে বাধা দেয়, সে বাধা ডিঙ্গিয়ে এগোলে শাহবাগ মোড়ের আগে আবার বাধা দিলে প্রায় ১৫ মিনিট সেখানে পুলিশের সাথে ধ্বস্তাধ্বস্তি হয়। পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙ্গে শাহবাগ মোড়ে মিছিল নিয়ে গিয়ে সমাবেশ হয়। সেখান থেকে নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগের দাবিতে আগামী ৬ জানুয়ারি নির্বাচন কমিশনের সামনে অবস্থান এর কর্মসূচীর ঘোষণা আসে। আবারও বলে রাখি বাম জোট প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় অভিমুখে মিছিলের কর্মসূচী দিয়েছিল প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় দখলের কর্মসূচী দেয়নি। দেশের একটি প্রধান সারির দৈনিকে এ নিয়ে খবর প্রকাশ করে লিখলেন নেতাদের সমর্থন না পেয়ে নাকি বামজোটের কর্মীরা এগোতে পারেনি। আর এখবর দেখেই এদেশের কামেল সমাজ য...
‘বেশ্যা ও বিদুষীর গল্প’
সোস্যাল মিডিয়া

‘বেশ্যা ও বিদুষীর গল্প’

আফরোজা সোমা:: আমার নারী বিষয়ক প্রবন্ধগ্রন্থ 'বেশ্যা ও বিদুষীর গল্প' কথা প্রকাশ থেকে ২০২১-এর বইমেলায় বের হবার কথা ছিল। এই মর্মে প্রকাশকের সাথে চূড়ান্ত বৈঠক হয় ২৮শে নভেম্বর। বইয়ের কন্টেন্ট, প্রচ্ছদ, মার্কেটিং ইত্যাদি নানান প্রসঙ্গ উঠে আসে দীর্ঘ বৈঠকে। বইয়ের নাম নিয়েও লম্বা আলাপ চলে। কেন এই নাম? কী এর শানে নুযুল? মানুষ এই নাম কীভাবে নিবে? ইত্যকার প্রশ্ন এসেছে শিরোনাম ঘিরে। বইয়ের ব্যাক কাভারে যে লেখা যাবার কথা সেটিও ওই বৈঠকে বসেই আরেকবার আমাকে দিয়ে এডিট করিয়ে নেন প্রকাশক। সাইনিং-মানি বা সম্মানি হিসেবে আমাকে দেয়া হয় একটি অংক। লেখক হিসেবে অর্থপ্রাপ্তি স্বীকার করে কথা প্রকাশের প্যাডে আমাকে দু’লাইন লিখে স্বাক্ষর করে দিতে বলেন প্রকাশক। অর্থ গ্রহণ করে সানন্দে স্বাক্ষর করেছি। কিন্তু গত সপ্তাহ খানেক আগে প্রকাশক আমাকে ফোন করে বইয়ের নামটি পাল্টাতে অনুরোধ করেন। নাম পাল্টানোর কারণ হিসেব...
ফ্যাক্টঃ বার কাউন্সিল লিখিত পরীক্ষা
সোস্যাল মিডিয়া

ফ্যাক্টঃ বার কাউন্সিল লিখিত পরীক্ষা

দিলরুবা নূরী:: ক্লান্ত চরণ আকুল আঁধারে পথ শুধু খুঁজে মরে কি আশায় বাঁধি খেলা ঘর বেদনার বালুচরে এখনো যেন একটা ঘোরের মধ্যে আছি। কী দেখলাম! ঘটল কি, কিভাবে? সবই কেমন যেন আচমকা ঘটে গেল বলে মনে হলো। কিন্তু বাস্তবে কি তাই? আমার সীট ছিল ঢাকা মহানগর মহিলা কলেজে।পরীক্ষার্থী ৫৩ জন ছিল আমার রুমে। আমাদের খাতা নিয়ে একজন শিক্ষক এলেন, দূর থেকেই দেখে রুমে একটা গুঞ্জন উঠলো, এবারো ও এম আর শীট নাই খাতায়। একটু পর একজন ম্যাডাম এসে যাদের মোবাইল আছে সামনে জমা দিতে বললেন। তার কিছুক্ষণ পর খাতা দেয়া হলো। সবাই খাতার প্রয়োজনীয় কাজ সেরে অপেক্ষা করছে প্রশ্নপত্রের জন্য। ঠিক ৯টাতেই ঘন্টা বাজলে প্রশ্নপত্র দেয়া হলো। আমি প্রশ্নগুলোতে চোখ বুলিয়ে নিচ্ছি, উপর থেকে দেখতে দেখতে সাক্ষ্য আইনের প্রশ্ন দেখছি, ঠিক সেই সময়ই অন্য হল থেকে একটা হই হই শব্দ এলো আর সাথে সাথে আমাদের হলের ম্যাক্সিমাম পরীক্ষার্থীও হই দিয়ে উঠল--এটা কোনো...
বিজয়ের অর্ধশত: বাংলাদেশ কোন পথে!
সোস্যাল মিডিয়া

বিজয়ের অর্ধশত: বাংলাদেশ কোন পথে!

অনুপম দেব কানুনজ্ঞ :: বিজ্ঞান বলুন, ধর্ম বলুন বা রাজনীতি-সংস্কৃতি-দর্শনই বলুন, সবই ক্রমশ পরিবর্তনশীল৷ মানবজাতির ইতিহাসে যত নতুন নতুন সংকট আসছে, সেগুলো থেকে শিক্ষা নিয়েই মানুষ আগানোর চেষ্টা করছে৷ রাজনীতির কথাই ধরুন৷ সংখ্যাগরিষ্ঠ হিন্দুদের চাপে ব্রিটিশ ভারতে মুসলিমরা যখন নিজেদের অস্তিত্ব সংকটে, তখন অধিকার আদায়ের বাস্তবতা থেকে এই ঢাকাতেই গঠিত হয় নিখিল ভারত মুসলিম লীগ৷ সেই দলের নেতা মুহাম্মদ আলী জিন্নাহই দ্বিজাতি তত্ত্বের প্রস্তাবনা করে মুসলিমদের জন্য আলাদা রাষ্ট্র- পাকিস্তান প্রতিষ্ঠা করেন৷ কিন্তু কেবল ধর্মীয় পরিচয়ে যে একটি জাতি গঠন করা অসম্ভব তা খুব দ্রুতই টের পান বাঙালি রাজনীতিবিদরা৷ মুসলিমদের আন্দোলনের কেন্দ্র ঢাকা থেকে সরে চলে যায় লাহোর-করাচি-ইসলামাবাদে৷ ফলে পাকিস্তান স্বাধীন হওয়ার দুই বছরের মধ্যে বাঙালি মুসলিমদের অধিকার আদায়ের জন্য আলাদা দল- আওয়ামী মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠা করতে ...
একবার শুধু ভালবাসতে চেষ্টা করেন…
সোস্যাল মিডিয়া

একবার শুধু ভালবাসতে চেষ্টা করেন…

আরিফ রহমান :: বাংলার মানুষের হাজার বছরের ইতিহাস আছে কি-না এই নিয়ে ধর্মবাদিদের বিতর্ক কম নাই। মানে পহেলা বৈশাখ আসলে বিষয়টা ভালো করে দেখা যায়। যাক হাজার বছর বাদ দেন, পঞ্চাশ-ষাট-সত্তুর বছরের ওয়েল ডকুমেন্টেড ইতিহাস তো আছে? এই পঞ্চাশ ষাট সত্তুর বছরের ইতিহাসের বড় বড় মাইলফলক যেগুলো আছে সেগুলোর অধিকাংশেই এখানকার মানুষজন উগ্র-ধর্মান্ধদের খেলে দিয়ে দিয়ে আসছে। ভাষা আন্দোলনের সময় আরবী হরফে বাংলা লেখার একটা প্রস্তাব খুব জনপ্রিয় হয়েছিলো। বাংলাকে সংস্কৃত থেকে আসা হিন্দুদের পূজার ভাষা হিসেবে বারবার "মালাউনজোন" করে এটাতে খোদার কালামের অক্ষর গুঁজে দেওয়ার প্রাণান্তর চেষ্টা তখন এখানকার উগ্রবাদী মোল্লারা করেছিল। তখনকার পোলাপান কিন্তু সেই চেষ্টাকে খেলে দিসিল। বিষয়টা কিন্তু খুব সহজ না। খেয়াল করে দেখেন তখন এখানকার ছাত্র-জনতা কিন্তু ভাষার জন্য নিজের ধর্ম ছাড়ে নাই। আবার ধর্মের জুজুর ভয় দেখিয়ে তাদের কাছ থেকে র...
প্রতিক্রিয়া : এ কেমন অপপ্রয়োগ
সোস্যাল মিডিয়া

প্রতিক্রিয়া : এ কেমন অপপ্রয়োগ

উজ্জ্বল মেহেদী:: পঞ্চায়েত নিয়ন্ত্রিত গ্রাম। যখন বিদ্যুৎ এলো, বদলাতে লাগল মানুষের জীবনাচার। হালনাগাদ খবর পেতে রেডিও কিনে আনলেন কয়েক গ্রামবাসী। রেডিও শুনতে হিড়িক পড়ল। এই হিড়িকে পেছনে পড়ে গেল পঞ্চয়েতের লোকজন। কেউ কেউ দলছুটও হওয়ার অবস্থায়। পঞ্চায়েতের নিয়ন্ত্রণ ফেরাতে কী করা? রেডিওতে কী হয়, শুনতে গিয়ে জানা হলো খবরের আগে ও পড়ে গানও শোনা হয়। সুযোগ পেল পঞ্চায়েত। রেডিও শোনা পাপ। পঞ্চায়েতি নির্দেশে গ্রামে বন্ধ হলো রেডিও। এরপর এলো টেলিভিশন। সেটিও একইভাবে বন্ধ। ভিসিআর-ভিসিডি-টেপরেকর্ডার সবই রুদ্ধ। প্রযুক্তির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে অগ্রগামী গ্রামবাসী কয়েকজন সংক্ষুদ্ধ। পঞ্চায়েতের মুখোমুখি হলেন তারা। চলল তর্কবিতর্ক। পঞ্চায়েতকে বোঝাতে ব্যর্থ গ্রামবাসী শেষে কাতর সুরে বললেন, 'তাহলে বলে দেন, আমরা কী করব?' প্রযুক্তির গতিতে চলা গ্রামবাসীর সরল প্রশ্নেও শুনতে হলো রক্তচক্ষুর জবাবদিহিতা। বলা হলো, 'তোমরা কী-ও করতে পা...
সেলফি বনাম নার্সিসিজম
ফিচার, সোস্যাল মিডিয়া

সেলফি বনাম নার্সিসিজম

সেলিনা আক্তার :: আয়নায় সবাই নিজেকে সুন্দর দেখে। সুন্দর দেখা আয়নার সেই দায়িত্বটা আজকাল মুঠোফোনের ক্যামেরা নিয়ে নিয়েছে। নারীরা সহজে আর কিটি ব্যাগ খুলে আয়না বের করেন না। মোবাইলের ক্যামেরায় দেখে নেন সাজগোজ ঠিক আছে কিনা? টাচ আপের কাজটাও করে নেন। তারপর একটা সেলফি তুলে পোস্ট দিয়ে যদি ক্যাপশনটা হয় ‘আজ আমাকে বেশ সুন্দর লাগছে’ তাহলে এটা আত্মবিশ্বাস। কিন্তু যদি হয় ‘আমার থেকে বেশি সুন্দরী কেউ নয়’ তাহলে সেটা হচ্ছে আত্মকেন্দ্রিকতা, নার্সিসিজম। সেলফিপ্রেমীরা এখন অনেক ক্ষেত্রেই মারাত্মক আক্রমণের শিকার। সরাসরি কিছু না বললেও সামাজিক মাধ্যমে আকার-ইঙ্গিতে-স্ট্যাটাসে-মন্তব্যে অনেকে সেলফিপ্রেমীদের আঘাত করেন—এমন মানসিকতার মানুষের অভাব নেই। বলে নেওয়া ভালো, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞানের গবেষণায় সামাজিক মাধ্যম ব্যবহারকারীরাই এখন বড় গিনিপিগ। যত রকম তথ্য, উপাত্ত ও গবেষণা প্রয়োজন—তার স...