শনিবার, জানুয়ারি ১৬

সিটিজেন জার্নালিজম

চিনিশিল্প ধ্বংস: ষড়যন্ত্রের পিছনে কি?
সিটিজেন জার্নালিজম

চিনিশিল্প ধ্বংস: ষড়যন্ত্রের পিছনে কি?

সজীব ওয়াফি:: একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে গণমানুষের প্রথম আকাঙ্ক্ষা ছিলো অর্থনৈতিক মুক্তির। অর্থনৈতিক শোষণ শাসনকে বৃদ্ধা আঙ্গুলী দেখিয়ে বেরিয়ে আসা ছিলো যার উদ্দেশ্য। কৃষক শ্রমিক ছাত্র বুদ্ধিজীবী এক হয়ে যে মুক্তির জন্য ঝাঁপিয়ে পরেছেন নিজের দেশ রক্ষায়। অথচ স্বাধীনতার পঞ্চাশ বছরে কৃষক শ্রমিকের অর্থনৈতিক স্বার্থ হচ্ছে ভূলুণ্ঠিত। মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্ব দেয়া দলের ক্ষমতাসীন সরকার লোকসানের অজুহাতে পাটকলের পরে এবার একসাথে বন্ধ করলো ৬ টি চিনিকল। দেশের বেশিরভাগ চিনিকল উত্তরবঙ্গে অবস্থিত। রাষ্ট্রায়ত্ত ১৫ টি চিনিকলের বন্ধ হওয়া ৬ চিনিকলে ২ হাজার ৮৮৪ জন শ্রমিক কর্মচারী কর্মরত। ২০১১ সালের পরে অস্থায়ী শ্রমিকদের আর হয়নি স্থায়ীকরণও। আখ চাষে জড়িত আছে কৃষক শ্রমিকসহ লাখ লাখ মানুষের স্বার্থ। কৃষক-শ্রমিক সন্তানদের লেখাপড়ার খরচ আসে এই আখ থেকেই। তাদের জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে বকেয়া পাওনা না পাওয়ায়। ভারতের থেকে পানির ...
বাংলাদেশ: গণতন্ত্রের শ্মশান যাত্রা
সিটিজেন জার্নালিজম

বাংলাদেশ: গণতন্ত্রের শ্মশান যাত্রা

সজীব ওয়াফি :: গণতন্ত্র বলতে শুধুমাত্র ভোট প্রদান কে বুঝায় না। গণতন্ত্র ধারণ করে তার নাগরিকদের বাক্ স্বাধীনতার অধিকার, নিরাপত্তার অধিকার, মৌলিক চাহিদা পূরনের অধিকার, রাজনৈতিক অধিকার। সুষ্ঠুভাবে পছন্দের প্রার্থী কে ভোট দেয়া গণতন্ত্রের একটা অংশ মাত্র। সংবাদপত্র রাষ্ট্রের সেই গণতন্ত্রিকতার দর্পণ। স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীতে পৌছতে পৌছতে সাধের গণতন্ত্র ভেঙ্গে চূর্ণবিচূর্ণ। একটি রাষ্ট্রের গণতন্ত্রের সূতিকাগার তার বিশ্ববিদ্যালয় গুলো। এ কারনে গণতন্ত্রের রূপ নির্ভর করেও বিশ্ববিদ্যালয় গুলোর উপরে। স্বায়ত্তশাসিত এই প্রতিষ্ঠানের পার্লামেন্ট হচ্ছে সিনেট, সেখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সিদ্ধান্ত পাশ হয়। সিনেটে ছাত্র স্বার্থ রক্ষায় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন ছাত্র প্রতিনিধিরা। প্রশাসনিক কর্মকর্তা, ডিন, গ্রাজুয়েট এবং শিক্ষক সমিতির নেতাদের সাথে কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ থেকে নির্বাচিত প্রতিনিধিরা স...
বিপ্লবী অভিনন্দন ও লাল সালাম কমরেড আরিয়া রাজেন্দ্রন
সিটিজেন জার্নালিজম

বিপ্লবী অভিনন্দন ও লাল সালাম কমরেড আরিয়া রাজেন্দ্রন

ইমতিয়াজ মাহমুদ :: এই মেয়েটার বয়স একুশ বছর, গণিতে স্নাতক দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী। নাম আরিয়া রাজেন্দ্রান। আজ থেকে এই মেয়ে কেরালার রাজধানী তিরুবানান্থপুরম নগরীর নির্বাচিত মেয়রের দায়িত্বভার গ্রহণ করেছে। ওদের মেয়র নির্বাচিত হয় ওয়ার্ড কমিশনারদের ভোটে। আরিয়া ওর ওয়ার্ডে সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হয়েছে, তারপর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র পদে নির্বাচিত হয়েছে নির্বাচিত কমিশনারদের ভোটে। সিপিএমএর নেতৃত্বে কেরালার বাম গণতান্ত্রিক জোটের মনোনীত প্রার্থী ছিল আরিয়া। মেয়র হিসাবে ওর প্রথম কর্মসূচী হবে বালাসংঘমএর আয়োজিত একটা অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া। বালাসংঘম সংগঠনটা হচ্ছে কেরালার সিপিএমএর শিশু সগঠন, অনেকটা এখানে আমাদের খেলাঘর যেরকম ছিল একসময় সেরকম। আরিয়া ওর ছোটবেলা থেকেই এই শহসু সংগঠনটির সদস্য আর এখন সে বালাসংঘমের সভাপতি। সেই সাথে আবার বেশ কম বয়স থেকেই ছাত্র ফেডারেশনের সদস্যও বটে আরিয়া, এখন সে ছাত্র ফেডারেশনের প্রাদেশিক ...
বেগম রোকেয়া: জীবন সংগ্রাম ও শিক্ষা
সাব লিড, সিটিজেন জার্নালিজম

বেগম রোকেয়া: জীবন সংগ্রাম ও শিক্ষা

রনেন সরকার রনি:: “ভারতবর্ষে সর্বাপেক্ষা নিকৃষ্ট জীব কাহারা, জানেন? সে জীব ভারতনারী। এই জীবগুলির জন্য কখনও কাহারও প্রাণ কাঁদে নাই। মহাত্মা গান্ধী অস্পৃশ্য জাতির দুঃখে বিচলিত হইয়াছিলেন; স্বয়ং থার্ডক্লাস গাড়ীতে ভ্রমন করিয়া দরিদ্র রেল-পথিকদের কষ্ট হৃদয়ঙ্গম করিয়াছেন। পশুর জন্য চিন্তা করিবারও লোক আছে। পথে কুকুরটা মোটর চাপা পড়িলে, তাহার জন্য এংলো-ইন্ডিয়ান পত্রিকাগুলিতে ক্রন্দনের রোল দেখিতে পাই। কিন্তু আমাদের ন্যায় অবরোধ-বন্দিনী নারী জাতির জন্য কাঁদিবার একটি লোকও এ ভূ-ভারতে নাই।” ১৯২৭ সালে ‘বঙ্গীয় নারী শিক্ষা সমিতি’র এক সভায় সভানেত্রীর ভাষন দিচ্ছিলেন তিনি। তিনি বলেছিলেন, ‘ভাগিনীগণ! চক্ষু রগড়াইয়া জাগিয়া উঠুন- অগ্রসর হউন। বুক ঠুকিয়া বল মা! আমরা পশু নই’ বল ভাগিনী! আমরা আসবাব নই; বল কণ্যে! আমরা জড়াউ অলঙ্কার রূপে লোহার সিন্ধুকে আবদ্ধ থাকিবার বস্তু নই; সকলে সমস্বরে বল আমরা মানুষ।’ পরাধীন দেশের কুসংস্...
‘মুক্তিযোদ্ধা দিবস’ জাতীয়করণ সময়ের দাবী
সিটিজেন জার্নালিজম

‘মুক্তিযোদ্ধা দিবস’ জাতীয়করণ সময়ের দাবী

মেহেরাবুল ইসলাম সৌদিপ:: ইতিহাসের শত বছরের শোষিত জাতির নাম বাঙালি৷ যুগে যুগে নানা শাসকগোষ্ঠী দ্বারা শোষণের পর অবশেষে ১৯৭১ সালে বাংলার দামাল ছেলেরা রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীকে পরাজিত করে ছিনিয়ে এনেছে স্বাধীন বাংলাদেশ। খুব স্বল্প সংখ্যক লোক ছাড়া ততকালীন পূর্ব বাংলার সকল জনগণ স্বতঃস্ফুর্তভাবে, পাকিস্তানীদের বিরুদ্ধে সম্মুখ যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে। আর এ যুদ্ধই পৃথিবীর ইতিহাসে ‘মুক্তিযুদ্ধ’ হিসেবে পরিচিত। পাকিস্তান রাষ্ট্রটির মৌলিক নীতি ও ধারণার বিপরীতে অসাম্প্রদায়িক, কল্যানমূখী, মানবিক ও প্রগতিশীল জনগণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে এদেশের মানুষের মৌলিক ও ন্যায়সঙ্গত অধিকার নিশ্চিত করা, জাতীয় পরিচয় প্রতিষ্ঠা, শোষণ-বঞ্চনা-অন্যায়ের অবসান ঘটানো ও সাধারণের ক্ষমতা প্রতিষ্ঠা করা ছিল এই মুক্তিযুদ্ধের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য। আর এ মুক্তিযুদ্ধে যারা অংশগ্রহণ করেছেন তাদের 'মুক্তিযোদ্...
‘চিরপ্রস্থানে লোকান্তর হলেন বাবু সুধীর দাস’
সিটিজেন জার্নালিজম

‘চিরপ্রস্থানে লোকান্তর হলেন বাবু সুধীর দাস’

সুশান্ত দাস :: বাংলাদেশ, ভারত, ইংল্যান্ড শুধু নয় সমগ্র জগৎ সংসারের সবাইকে ছেড়ে বাবু সুধীর দাস আজ লোকান্তরে। বাংলাদেশ হওয়ার পূর্বেই বিলেতে পা রাখা। ৭১’র মুক্তিযুদ্ধে জন্মভিটা ছেড়ে বাড়ির সবাই ভারতে উঠা। জীবনের তাগিদে ইংল্যান্ডে স্থায়ি হওয়া। কিন্তু ৭১-এ দেশ স্বাধীনতার জন্য স্বশরীরে উপস্থিত হতে না পারলেও সাহায্য সহযোগিতায় ছিলেন অতন্দ্র প্রহরীর মতো যোগান দেওয়া। ব্যক্তিজীবনে নি:সন্তান হলেও পেয়েছিলেন মেয়ে,পেয়েছিলেন পুত্রবধূ,পেয়েছিলেন নাতি নাতন হতে সমাজে নানা শ্রেণীপেশার মানুষের শ্রদ্ধা। সাতচল্লিশে ব্রিটিশরা চলে আসলেও পরাধীন বাংলার সিলেটের বিশ্বনাথের টেংরা গ্রামের ক্ষিরোদ চন্দ্র দাস ও প্রমিলা বালা দাসের চার সন্তানের প্রথম সন্তান ছিলেন সুধীর দাস। তাঁর জন্ম ১৯৪২ ইংরেজীর ৯ই এপ্রিল। বিয়ে করেন ১৯৮১ সালের ৩০মে মলিনা রানী দাসকে। ব্রিটিশরা ফিরে আসলেও নিজের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য ১৯৬২ সালে এই বিলেতে ...
ভাস্কর্য আর মূর্তির মধ্যে কি পার্থক্য ?
মতামত, সিটিজেন জার্নালিজম

ভাস্কর্য আর মূর্তির মধ্যে কি পার্থক্য ?

ইমতিয়াজ মাহমুদ :: ভাস্কর্য আর মূর্তির মধ্যে কি পার্থক্য? এই পার্থক্য কে নির্ধারণ করেছে? মৃণাল হক যে পচা পচা কতোগুলি জিনিস বানিয়েছে সেগুলি কি ভাস্কর্য? নাকি মূর্তি? আমার তো সেগুলি ভাস্কর্য বা মূর্তি কোনটাই মনে হয় না। অ্যাডোনিস গ্রীক বিশ্বাসে দেবতা ছিলেন, ঐটা কি মূর্তি নাকি ভাস্কর্য? ভারতে কোন এক শহরে ঢুকার মুখে দেখি বিশাল এক হনুমান- ল্যাঙট পরে ইয়াব্বড় একটা গদা কাঁধে নিয়ে হাঁটু গেঁড়ে বসে ভেংচি কাটছেন যারাই শহরে ঢুকছে সবাইকে। সেটাতে কেউ পূজা করে বলে মনে হয়নি- সেটা কি মূর্তি নাকি ভাস্কর্য? বালিতে এয়ারপোর্ট থেকে নেমে নুসা দুয়ার দিকে যেতে এক চৌরাস্তায় দেখি কয়েক ঘোড়ার রথে চড়ে গরুড়ের সাথে যুদ্ধ করছে এক সুদর্শন রাক্ষস। মূর্তি? আমার বাসায় কয়েকটা গৌতম বুদ্ধ আছে। একটা আছে বেশ পুরনো, এটা একসময় কোন একটা মন্দিরে পূজার জন্যে স্থাপিত ছিল। এগুলির মধ্যে কোনটা মূর্তি কোনটা ভাস্কর্য? কয়েক সেট তিন বান্দরও...
রেড স্যালুট কমরেড শ্রীকান্ত দাশ
বিপ্লবীদের কথা, সিটিজেন জার্নালিজম

রেড স্যালুট কমরেড শ্রীকান্ত দাশ

মোহাম্মদ মনির উদ্দিন অ্যাডভোকেট:: সাম্যবাদী আন্দোলনের মাঠ পর্যায়ের আলোকবর্তিকা ছিলেন প্রয়াত কমরেড শ্রীকান্ত দাশ। জীবনভর লাল নিশান অসীম সাহসে বুক চিতিয়ে উড়িয়েছেন। ছিলেন দুঃসাহসী, দুরন্ত ও দুর্বিনীত গণসংগ্রামী অনন্য এক মানুষ। মানবমুক্তির মহান সংগ্রামে রত ছিলেন আজীবন। শোষণ ও বঞ্চনামুক্ত সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে সমবেত থেকেছিলেন আমৃত্যু। আদর্শিক লক্ষ্যে ছিলেন একেবারেই অবিচল। বাবার কাছে তিনি সমাজতন্ত্রের দীক্ষাসহ নিয়েছিলেন মানুষ, জীবন, সমাজ, পৃথিবীকে ভালোবাসার পাঠ। পার্থিব বিষয় সম্পদে ছিলেন উদাসীন। তবে মানুষের কষ্ট লাগবে ছিলেন একনিষ্ঠ, দৃঢ় ও উদার। তাঁর প্রয়াণে স্বজন হারানোর গভীর বেদনায় কষ্টনীল হয়েছে অজস্র রাজনৈতিক সহচর ও পরিবারের। ভাটি অঞ্চলের হাওর জনপদের বিপ্লবী কমরেড শ্রীকান্ত দাশ ১৯নভেম্বর, বৃহস্পতিবার, ২০০৯ সালে মৃত্যুবরণ করেন। জীবিতকালের আইনগত হলফপূর্বক প্রতিশ...
হিন্দুয়ানী সংস্কৃতি’র দিন…
সিটিজেন জার্নালিজম

হিন্দুয়ানী সংস্কৃতি’র দিন…

আফরোজা সোমা:: মানুষ-কেন্দ্রীক পৃথিবীর গল্পে আঁধার বা কালো বা রাত্রি অমঙ্গল, অশুভ ও অজ্ঞানতার প্রতিচ্ছবি হিসেবে বিধৃত হয়েছে। তার কারণও আছে। মানুষের চোখ সর্বাবস্থায় দেখায় উপযোগী নয়। মানুষের চোখ খালি চোখে সব কিছু দেখেও না। আলো না থাকলে মানুষের চোখ দেখতে পারে না। আবার সব ধরণের আলোও মানুষের চোখ সনাক্ত করতে পারে না। অনেক পাখি ও প্রাণী আছে যারা সূর্যের অতিবেগুনী রশ্মি দেখতে পায়। তাদের দেখা পৃথিবীর রং মানুষের চোখে দেখা পৃথিবীর চেয়ে আলাদা। ডিফরেন্স ডাজন্ট মেক এনিওয়ান সুপিরিয়র ওর ইনফেরিয়র। একনলেজিং অল দি ডিফরেন্সেস উই কুড লিভ টুগেদার, পিসফুলি, হ্যান্ড ইন হ্যান্ড। কো-এক্সিজটেন্স এর জন্য মিউচুয়াল রেসপেক্ট অত্যাবশ্যক। কো-এক্সিজটেন্স এর জন্য 'আমি এবং আমার অনুভূতি ও বিশ্বাসই সেরা' বলে যে কম্প্লেক্সিটি আছে সেখান থেকে মানুষের মুক্তি দরকার। মানুষের ইতিহাসে আগুন জ্বালতে পারার গুরুত্ব...
“পাহাড় এবং সমতলে, লড়াই হবে সমানতালে!”
সিটিজেন জার্নালিজম

“পাহাড় এবং সমতলে, লড়াই হবে সমানতালে!”

আল কাদেরী জয়:: নচাং যেবার এই জাগান ছাড়ি/ইদু আগং জনমান পরি /এই জাগাগান রইয়েদে/ম মনান জুরি।- নিজ বসতমাটি থেকে উচ্ছেদ হওয়া জনগণের হাহাকার নিয়ে লেখা চাকমা ভাষার গানটিতে ফুটে উঠে পাহাড়ি জনগণের জীবনের হাহাকার ও যন্ত্রণা। উন্নয়নের নামে পাবর্ত্য চট্টগ্রামের আদিবাসীদের সম্পদ ও অধিকার কেড়ে নেয়ার এই ছবি আজকের নতুন নয়।কাপ্তাই লেকের সৌন্দর্য মানুষকে যতই বিমোহিত করুক না কেন এর পিছনে রয়েছে হাজার হাজার নিপীড়িত মানুষের জমি,বাড়ি হারানোর নিষ্ঠুর ইতিহাস।জলবিদ্যুৎ প্রকল্প এমনই করে চোখের জলে আলো জ্বালিয়ে সেনাশাসনের অন্ধকারে ডুবিয়ে দিয়েছে এই জনপদের সমস্ত সম্ভাবনা।সমতলের অসহায় বাঙালিদের এনে পরিকল্পিতভাবে পাহাড়ি-বাঙালী দ্বন্দ্ব লাগিয়ে দেয়া হয়েছে।জনগণের শক্তিকে দূর্বল ও বিভ্রান্ত করে জাতিগত বিরোধ তৈরি করা হলো।স্বাধীনদেশে নিজেরাই হয়ে পড়েছে পরাধীন। বৃটিশ,পাকিস্তানী শাসকগোষ্ঠীর নিপীড়নের ধারাবাহিকতায় আজ সেখা...