শুক্রবার, মে ১৪
শীর্ষ সংবাদ

সিটিজেন জার্নালিজম

ভূয়া লকডাউন, ভূয়া প্রতিশ্রুতি, আসল রাষ্ট!
সিটিজেন জার্নালিজম

ভূয়া লকডাউন, ভূয়া প্রতিশ্রুতি, আসল রাষ্ট!

সজিব তুষার:: বিশ্বজুড়ে মহামারী করোনার প্রকোপে দেশে দেশে লকডাউনের ফলে বন্ধ হয়ে আছে জনসমাগম। দেশের বিত্তশালী তথা উচ্চবিত্তের ছুটির দিন। এদিকে কোনমতে ডাল-ভাত খেয়ে অভিশপ্ত দিনগুলো পার করছে মধ্যবিত্তরা; পত্র-পত্রিকার পাতায় পাতায় ধেয়ে আসছে নিম্নবিত্তদের রোনাজারি। এসব হিসেব কষতে কষতে লাপাত্তা-ই হয়ে আছে উদ্বাস্তুদের তালিকা। সরকার কিম্বা প্রচার মাধ্যমেরও চোখ যেন বন্ধ হয়ে যায় রাজধানীর ফুটপাত ও পার্কগুলোর সামনে আসলে। স্বাভাবিক(!) দিনগুলোতে ভিক্ষা-হকারী করে কোনমতে এক আধ বেলা খাবার- পেটে জুটলেও এমন মহামারীকালে আর কি উপায় থাকে পেটে পাথর বেঁধে রাখা ছাড়া। কে ফেসবুকে কী লিখলও কে কার অনুভূতিতে আঘাত করলো এসব তদারকিই যেন ভোটের বিনিময়ে(!) পাওয়া গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের নাগরিকদের একমাত্র মৌলিক অধিকার। মানে রাষ্ট্রের নজরের বাইরেই পড়ে রইলো একটা বিশাল জনসংখ্যার উদ্বাস্তু শ্রেণি। অশিক্ষিত-মূর্খ একটি শি...
বসুন্ধরার ভুমি দস্যুরা আমার স্বাক্ষর নয়, টিপসই নিয়েছিলো
সিটিজেন জার্নালিজম

বসুন্ধরার ভুমি দস্যুরা আমার স্বাক্ষর নয়, টিপসই নিয়েছিলো

সাবিনা শারমিন:: বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স থেকে ব্যবস্থাপক, প্রশিক্ষণ পদ থেকে স্বেচ্ছায় চাকুরী ছেড়ে আসলেও সেখানে আমার প্রথম জব ছিলো ফ্লাইট সার্ভিস এর কেবিন ক্রু ! এই পেশাটি আমার ঊনিশ বছর বয়সের কিশোরী সময় কালের পেশা, যখন আমি ঢাবির প্রথম বর্ষের ছাত্রী ছিলাম। ১৯৯৩ থেকে ২০০০ পর্যন্ত আমি সে পেশায় কর্মরত ছিলাম। সে সময় আমার এক দুলাভাইয়ের পরামর্শে সে জব থেকে সঞ্চিত অর্থ , দুই লক্ষ আশি হাজার টাকায় ১৯৯৬ সনে বাড্ডা বেড়াইত, কাঠালদিয়ায় সাড়ে চার শতাংশ ধানের জমি কিনি। বৈষয়িক বিষয়ে তখন অতোটা আগ্রহ না থাকলেও আব্বা এবং দুলাভাইয়ের কথায় রাজী হয়ে জমি কিনে আমি আনন্দিতই ছিলাম। কারণ অনেকদিন পর পর সেখানে বেড়াতে যাওয়া হতো। জায়গাটি বাড্ডার মূল রাস্তা থেকে অনেক ভেতরে ছিলো। অনেকক্ষণ হাঁটতে হতো গ্রামের রাস্তা ধরে। তারপর আবার নৌকা নিতে হ'তো। দুলাভাইয়ের পরিচিত যে লোকের মাধ্যমে জমিটি কিনেছিলাম ,তার নাম ছিলো কামাল সাহেব।...
গণঐক্যে বেড়াজাল ও ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন
সিটিজেন জার্নালিজম

গণঐক্যে বেড়াজাল ও ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন

হাজরা আল-আমিন:: মানুষ একা বাঁচতে পারে না। মানুষকে চলতে হয় পারস্পরিক বোঝাপড়ায়। এই পারস্পরিক মেলবন্ধনে তৈরি হয় সমন্বিত সমন্বয়। সকলের সম্মিলিত সমন্বয়ের আছে প্রখর শক্তি। যুগে যুগে এই শক্তি যখনই মাথা তুলে দাঁড়িয়েছে, তখনই ইতিহাসের বাক বদলেছে। মূলত মানুষের ঐক্যতেই মানুষের পৃথিবী উর্বর হয়েছে। পাহাড়সম বিপত্তি, নিরেট অচলায়তন কোনো এক রহস্যময় ম্যাজিকে চুরচুর করে ভেঙে পড়েছে। সকল মত, পথ, বিপত্তির উর্ধ্বে গিয়ে তৈরি হয় এই ম্যাজিক্যাল পাওয়ার ‘ঐক্য’। রাষ্ট্রের মধ্যে ঐক্যের ঐশী শক্তি বিরাজমান থাকলে, শাসন শোষণ করে শুধু ক্ষমতাকেই স্থায়ী করা কঠিন হয়ে পড়ে। যেসকল ক্ষমতাসীন দল নৈতিক ভিত্তি খুইয়ে ফেলে, তারাই ক্ষমতার হাতিয়ারকে অস্তিত্ব জ্ঞান করে। একমাত্র ক্ষমতাকে পুঁজি করেই তারা জনগোষ্ঠী, রাষ্ট্র তথা দেশকে করায়াত্ত করে চালিত করে। কখনই তারা মানুষের ঐক্যকে স্বীকার করতে পারে না। এমনকি মানতেও পারে না। ঔপনিবেশিত ভূ...
স্বাধীন আইন পেশায় আইন স্নাতকের কর্মসংস্থানের স্বাধীনতা চাই, নিশ্চয়তা চাই
সিটিজেন জার্নালিজম

স্বাধীন আইন পেশায় আইন স্নাতকের কর্মসংস্থানের স্বাধীনতা চাই, নিশ্চয়তা চাই

সুজন বিপ্লব:: মহান স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তি এবছর, মুক্তিযুদ্ধে অর্জিত স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশের সুবর্ণ জয়ন্তী কাল উপস্হিত হয়েছে। 'সব হাতে কাজ, সব মুখে ভাত' স্বাধীনতার অন্যতম প্রধান অঙ্গীকার কতটুকু পূরণ হয়েছে? দেশের ক্ষমতাসীন শাসকগোষ্ঠী ধনিক শ্রেণির স্বার্থে লুটেরা ব্যবসায়ীদেরকে রাষ্ট্রীয় প্রণোদনা দিলেও আর্থিক ক্ষতিগ্রস্ত প্রাতিষ্ঠানিক শ্রমিক, কৃষি শ্রমিক, বিদেশ ফেরত শ্রমিক, করোনায় কর্মহীন, বেকারসহ অন্যান্য শ্রমজীবি মানুষের জন্য কোন প্রণোদনা নেই। সাধারণ মানুষ ক্রমশ আরো নিঃস্ব হচ্ছে। দেশের ৩% ধনীর বিপরীতে ৯৭% সাধারণ মানুষ, এক চতুর্থাংশ কর্মক্ষম মানুষের পূর্ণকালীন কাজের ব্যবস্হা নেই। ১৯ নভেম্বর ২০২০ জাতীয় সংসদের বিশেষ অধিবেশনে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রীর দেয়া তথ্য অনুযায়ী, সরকারি চাকরিতে ৩ লক্ষ ৬৯ হাজার ৪৫১টি শূণ্যপদ রয়েছে। দেশের উচ্চ শিক্ষিত যুবদের ৪৭ শতাংশেরর কাজ নেই। বিপুল পরিমাণ কর্মহীন ...
আপনি সফল, মাননীয়া।
সিটিজেন জার্নালিজম

আপনি সফল, মাননীয়া।

শুভপ্রসাদ নন্দী মজুমদার:: যে পশ্চিমবঙ্গে হিন্দু মুসলিম কৃষক শ্রমিক পাশাপাশি দাঁড়িয়ে শ্রেণিশত্রুর বিরুদ্ধে লড়ত, আপনি সেখানে সফলতার সাথে ধর্মের বেড়া তুলে পরস্পরকে ভ্রাতৃঘাতী সংঘর্ষে দাঁড় করিয়ে দিয়েছেন। আপনার ভক্ত বুদ্ধিজীবী বিপ্লবী সমর্থকেরা আছেন যারা ১৯৯৮ থেকে ২০২১ এই ২৩ বছরের যাত্রাপথকে ভুলিয়ে দিতে চান। দল গঠন করার কিছুদিনের মধ্যেই বিজেপির মন্ত্রীসভায় যোগ দিলেন। ২০০১ এ নাটক করে ছেড়ে আবার ২০০৩ এ ফিরে গেলেন বিজেপির জোটে। ২০০৫ এ লোকসভায় হুঙ্কার দিলেন বাংলাদেশ থেকে অনুপ্রবেশকারীদের এনে সিপিআইএম ভোটার তালিকায় নাম ওঠাচ্ছে। স্পিকারের মুখের ওপর কাগজের বান্ডিল ছুঁড়ে মারার মত অভব্যতারও রেকর্ড করলেন। এর আগে ২০০২ এ গণহত্যার রক্তে রাঙানো নরেন্দ্র মোদীর হাতে আপনি পুষ্পস্তবক তুলে দিলেন নির্বাচনে 'অভূতপূর্ব' জয়ের জন্য। ২০০৫ এ ঘোষণা করলেন বিজেপিকে ফ্রন্টে এনে বামফ্রন্টকে হটাবেন।...
ডাঃ নিরঞ্জন দত্ত সেনাপতি স্মরণে
সিটিজেন জার্নালিজম

ডাঃ নিরঞ্জন দত্ত সেনাপতি স্মরণে

অশেষ কান্তি দে:: এই তো সেদিন। মন বলে ঠিক তাই।অথচ দেখতে দেখতেই যেন পেরিয়ে গেছে দশটি বছর। কী অদ্ভুত! সেদিনও উঠেছিল রোদ।ঘামে শরীর গিয়েছিল ভিজে।আরেক হোমিও ব্যক্তিত্ব ডাঃ বীরেন্দ্র চন্দ্র দেব সহ আরো অনেকে এসেছিলেন তাকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে।শব মিছিলে হয়ে গেছি শামিল।হাঁটতে হাঁটতে কত কথা যে এসেছিল মনে।স্মৃতি সঙ্গ দেয়।আগের দিনে ও আমাদের কথা হয়েছে। আজ নিমিষেই সব হয়ে গেছে ছবি।বেঁচে থাকা মানুষটি আর নেই! কথা বলতে আসবেন না আর।সন্মুখে থেকে সাহস যোগাবেন না মনে। যাকে কেন্দ্র করে হাঁটছি তিনি তো এখন মৃত নিস্প্রান এক মানুষ। অথচ এই বয়সে এসে ও তার মাঝে তারুণ্য খেলা করতো। এমনি করে ভাবতে ভাবতেই আপনমনে এগুতে থাকি।একসময়ে চালিবন্দর শশ্মানঘাটে পৌঁছে যায় প্রাণহীন এই দেহখানি।প্রস্ততি নিয়ে শুরু হয় দাহকার্য।চোখের সন্মুখে জ্বলছে দেহটি।অথচ তাকে দেখে কখনো মনে হয়নি তিনি মরতে পারেন।এতই প্রানবন্ত মনে হতো। সময় যত যেতে থাকে ...
“রবির রশ্মির মতো তেজোদীপ্ত অ্যাড:বজলুর মজিদ খসরু”
সিটিজেন জার্নালিজম

“রবির রশ্মির মতো তেজোদীপ্ত অ্যাড:বজলুর মজিদ খসরু”

সুশান্ত দাস:: পৃথিবী থেকে সূর্যের দূরত্ব প্রায় ১৫ কোটি কি:মি। পৃথিবী তার নিজ অক্ষে সূর্যের চারিদিকে ঘুরছে। এতো লক্ষ লক্ষ মাইল দূর থেকেও সামান্য তাপ বিকিরণের সময়ে তেজেদীপ্ততার জন্য তাঁর দিকে থাকানো যায় না। সাহস দেখানোটাও এক বড় চ্যালেংজিং ব্যাপারমাত্র। আমি যে জায়গা থেকে এখন লিখছি এটা হলো পশ্চিমা বিশ্বের প্রাচীন একটি শহর। শীত গ্রীষ্মের ব্যবধানে ১ ঘন্টার তারতম্য হলেও মূল সময়ের পার্থক্য ৬/৭ ঘন্টা বাংলাদেশের সাথে। এখানে মধ্যরাত ১টা হলে পূর্ববিশ্বের বাংলায় হচ্ছে সকাল ৬টা। সূর্য উঠবে। আলোকিত হবে। কিচির মিচির পাখির কলকীকলীতে প্রকৃতিও জেগে উঠবে। সূর্য ছড়াবে তাঁর আলো। তেজোদীপ্তময় হয়ে উঠবে সারা বাংলাদেশ। আর এই বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বকোনে হচ্ছে সুনামগঞ্জ। এই সুনামগঞ্জের সূর্য সন্তান রবি রশ্মির মতো তেজোদীপ্ত হচ্ছে অ্যাডভোকেট বজলুল মজিদ খসরু। যাঁর জন্ম ১৯৫২সালের ২রা এপ্রিল হতে ২০২১ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারীর...
মৃত্যুঞ্জয়ী অহিংসার প্রতীক আবুল মকসুদ!
জাতীয়, সিটিজেন জার্নালিজম

মৃত্যুঞ্জয়ী অহিংসার প্রতীক আবুল মকসুদ!

  সজীব ওয়াফি বহুমাত্রিক জ্ঞান চর্চার একজন নিরন্তর সাধক ছিলেন সৈয়দ আবুল মকসুদ। মওলানা ভাসানীকে তরুণ প্রজন্মের হাতে তুলে দেয়া আমাদের অগ্রজ কান্ডারি, লেখক, গবেষক, সাংবাদিক, প্রাবন্ধিক, কলামিস্ট ও ন্যায়ের পক্ষে সোচ্চার এই কন্ঠ ২৩ ফেব্রুয়ারী অপরাহ্নে পরলোক গমন করছেন। গবেষণায় তার মত হাতে গোনা খুব কমজন ব্যক্তিই আছেন। তিনি গবেষণা করেছেন নিজ উদ্যোগে। বাংলাদেশের আর্থসামাজিক প্রেক্ষাপটে এটা খুবই বিরল। নারী শিক্ষা, শিল্প-সংস্কৃতি, রাজনীতি, অর্থনীতি ও বাংলাদেশ নিয়ে তার চিন্তা-পর্যবেক্ষণ ছিল ব্যাপকভাবে বিস্তৃত। সাধারণের ভিতরে অসাধারণ হয়ে ওঠা আবুল মকসুদ ১৯৪৬ সালের ২৬ অক্টোবর মানিকগঞ্জ জেলার শিবালয় উপজেলার এলাচিপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। কর্মজীবন শুরু করেছিলেন সাংবাদিকতার মাধ্যমে। ১৯৬৪ সালে প্রথমে নবযুগ এবং পরবর্তীতে ন্যাপের সাপ্তাহিক 'জনতা'য় কাজ করেছেন। মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী স্বাধীন বাংল...
একুশের চেতনায় সম্প্রীতি-সাম্যের হোক আগামী
সিটিজেন জার্নালিজম

একুশের চেতনায় সম্প্রীতি-সাম্যের হোক আগামী

অশেষ কান্তি দে :: ১৯৪৭ সাল। ব্রিটিশরা শেষমেশ ভারতকে স্বাধীনতা দিয়ে যায়। সৃষ্টি হয় ভারত ও পাকিস্তান নামের দুটি পৃথক রাষ্ট্রের। অবশ্য ভারত ভাগ কে ছাপিয়ে বিষাদময় হয়ে উঠেছিল বাংলা ভাগের কাহিনি। আলাদা দুই রাষ্ট্রে বাংলা ও হয়ে যায় আলাদা।বৃহৎ বাংলার অঙ্গ ছেদ হয়ে যায়। দুই বাংলার অবস্থান হয়ে যায় দুই দিকে। যার একটি অংশ হয় ভারতের। অন্য অংশটি পাকিস্তানের। দেশ স্বাধীন হলো সত্য কিন্ত বাংলা ভাগ কেউ ঠেকাতে পারলেন না। শেষদিকে শরৎ বসুরা একটি চেষ্টা করেছিলেন বটে তবে তা হালে পানি পায়নি। যাই হোক এক নতুন দেশ পাকিস্তান। শুরুতেই বিতর্ক সৃষ্টি হয় ভাষাকে কেন্দ্র করে। পশ্চিম পাকিস্তানের শাসকরা রাষ্ট্র ভাষা হিসেবে উর্দুকে প্রায় জোরপূর্বক ছাপিয়ে দেয়। অথচ অবাক করা বিষয় পাকিস্তানের জনসংখ্যার মাত্র ৮ ভাগ মানুষের ভাষা হলো উর্দু। যেখানে জনসংখ্যার ৫৬ ভাগ মানুষের মাতৃভাষা হচ্ছে বাংলা। পাকিস্তানের গণপরিষদের প্রথম অধিবেশ...
অধ্যাদেশের ফাঁস ও খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়
ক্যাম্পাস, সিটিজেন জার্নালিজম

অধ্যাদেশের ফাঁস ও খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়

হাজরা আল আমিন:: ছাত্র রাজনীতিমুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের গর্ব আছে।এখানে টেন্ডার ভাগাভাগি নেই, চাপাতি দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় কাউকে ধাওয়া করতে দেখা যায় নি।তবে এই ছাত্র রাজনীতিমুক্ত অর্থাৎ দলীয় লেজুড়বৃত্তীয় রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত না থেকেও যেভাবে অধিকার সচেতন হওয়া যায় সেই পথটি চিরতরে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীবিষয়ক অধ্যাদেশে মুক্তচিন্তা ও চর্চার জায়গাকে হত্যা করা হয়েছে। এর আগে একটি বিষয় স্পষ্ট করা জরুরি। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের কাছে শিক্ষার্থীদের আচরণ বিষয়ক অধ্যাদেশটি অস্পৃশ্য,অজানা।শিক্ষার্থীদের আচরণকে কেমন করে সজ্ঞায়িত করা হয়, অপরাধ করলে কোন ধরনের সাজা দেওয়া হবে, এসব শিক্ষার্থীরা কিছুই জানেনা। তবে মাঝে মধ্যেই নোটিশ বোর্ডে শাস্তির ধরণ দেখে অবাক হতে হয় এবং শিক্ষার্থীদের মনে একটি চাপা ভয় জমা হয়। দেখা যায় খেলার মাঠের সামান্য বিষয়কে ...