মঙ্গলবার, এপ্রিল ১৩
শীর্ষ সংবাদ

বিপ্লবীদের কথা

‘ঠকানোর আইন মানি না, শোভনায় চলবে বিষ্ঠু ঠাকুরের আইন’
বিপ্লবীদের কথা

‘ঠকানোর আইন মানি না, শোভনায় চলবে বিষ্ঠু ঠাকুরের আইন’

শেখ রফিক:: চল্লিশের দশকে খুলনার শোভনায় কৃষকদের খামার থেকে ফসল ছিনিয়ে নেওয়ার সময় জমিদারের পুলিশ বাহিনী কৃষকের উপর গুলি চালায়। গুলিতে মারা যায় কৃষক হাজরা মণ্ডল। কৃষকের রক্তে ভিজে গেল ফসলের খামার। সেই থেকে ‘জান দেব তবু ধান দেব না’ -এই আইন চালু হলো। এটা ‘বিষ্ঠু ঠাকুর’র আইন। ভাগচাষী স্বতঃর্স্ফূতভাবে নিজেদের উদ্যোগে ধান খামারে তুললো। বিস্মিত হলো জেলার সরকারি কর্তৃপক্ষ। নির্বাক কাঠের পুতুলের মতো সরকারি কর্তৃপক্ষকে গোটা একদশক ‘বিষ্ঠু ঠাকুর’র আইন-ই মেনে চলতে হয়েছে। খুলনার কৃষক আন্দোলনের ঐতিহাসিক ঐতিহ্যের কারিগর বিষ্ণুদা সম্পর্কে জানার অদম্য ইচ্ছা থেকে গত ২৮ অক্টোবর ২০১৫-এ বিপ্লবী কামাখ্যা রায় চৌধুরীর সাক্ষাৎকার নেই। কেননা তিনি বিষ্ণুদার সাথে সরাসরি কৃষক আন্দোলনে জড়িত ছিলেন। অর্থাৎ বিষ্ণুদাকে দেখেছেন, তাঁর সান্নিধ্য পেয়েছেন, তাঁর কর্মী হিসেবে কাজ করেছেন। ...বিষ্ণুদা, আমার দাদা ছিলেন। শুধু দ...
কমরেড বিষ্ণু চ্যাটার্জী লাল সালাম
বিপ্লবীদের কথা

কমরেড বিষ্ণু চ্যাটার্জী লাল সালাম

অধিকার ডেস্ক:: কমরেড বিষ্ণু চ্যাটার্জী খুলনা জেলার রূপসা এলাকায় খানকা গ্রামে ১৯১০ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম ছিল রাধাচরণ চট্যোপাধ্যায়। স্কুল জীবনে বিপ্লবী গুপ্ত সমিতির সাথে যুক্ত হয়ে পড়েন। এ অঞ্চলে অবিভক্ত ভারতের বড় বড় কয়েকজন কমিউনিস্ট নেতার বিচরণ ছিল। ১৯৩০ সালে ব্রিটিশ সরকার বিষ্ণু চ্যাটার্জীকে গ্রেফতার করে। জেলখানায় থাকা অবস্থায় মার্কসবাদের বিভিন্ন বই পড়েন এবং কমিউনিস্ট আদর্শ গ্রহণ করেন। জেলে থাকা অবস্থায় কমিউনিস্ট আন্দোলনের সাথে একাত্মতা প্রকাশ করেন। আট বছর পরে ১৯৩৮ সালে তিনি জেল থেকে মুক্তি পান। জেল থেকে মুক্তি পাওয়ার পর এলাকায় এসে কৃষক আন্দোলনের সাথে সম্পৃক্ত হলেন। কৃষকদের ঐক্যবদ্ধ করা এবং তাদের সাথে নিয়ে আন্দোলন গড়ে তোলার কাজে লেগে পড়লেন। ১৯৩৯ সালে সারা ভারত কৃষক সভার দ্বিতীয় জেলা সন্মেলনে তিনি প্রধান সংগঠকের ভূমিকা পালন করেন। সমগ্র খুলনা জেলায় কৃষকদের জম...
মার্কস-এঙ্গেলস, শ্রেণী স্বকীয়তা ও শ্রমিকশ্রেণীর একটি ‘স্বর্গাভিযানের’ প্রসঙ্গ
বিপ্লবীদের কথা, মতামত

মার্কস-এঙ্গেলস, শ্রেণী স্বকীয়তা ও শ্রমিকশ্রেণীর একটি ‘স্বর্গাভিযানের’ প্রসঙ্গ

(১৮৭১ সালে দুনিয়ার শ্রমজীবী-মেহনতি মানুষের প্রথম রাষ্ট্র ‘প্যারি কমিউনের’ বিশ্ব ঐতিহাসিক বিপ্লবী মর্ম ও তাৎপর্য অনুধাবন করতে যেয়ে ২০০২ এর মে মাসে এই নিবন্ধটি লেখেছিলেন সাইফুল হক , যা তখন সাপ্তাহিক নতুন কথাসহ আরো দুই/তিনটি ম্যাগাজিনে ছাপা হয়েছিল। লেখাটি তখন বিপ্লবী রাজনীতিমনস্ক ব্যক্তিবর্গ, অগ্রণী নেতা-কর্মী ও কিছু বিজ্ঞজনের মনযোগ আকর্ষণ করেছিল। নিবন্ধটি পরবর্তীতে সাইফুল হকের “মার্কস এঙ্গেলস ও ভাবাদর্শ” শীর্ষক গ্রন্থে সংকলিত হয়েছিল। এ বছর ‘প্যারি কমিউনের’ ১৫০তম বার্ষিকীতে অধিকারের পাঠকদের জন্য লেখাটি  প্রকাশ করা হলো।) মার্কসবাদের সাথে শ্রেণী প্রত্যয়টি ওতপ্রতভাবে জড়িত। বস্তুতঃ মার্কসবাদী মতাদর্শের মূলে রয়েছে শ্রেণী ও শ্রেণীসংগ্রাম এবং তার অনিবার্য পরিণতি সম্পর্কিত উপলব্ধি ও সূত্রায়ণসমূহ। এসব উপলব্ধি ও সূত্রায়নসমূহ ইতিমধ্যে নানাভাবে পরীক্ষিতও হয়েছে। শ্রেণী ও শ্রেণীসংগ্রাম যে মার্কসবাদের প্...
রক্তের আখরে লেখা নাম কমরেড তাজুল ইসলাম
বিপ্লবীদের কথা, মতামত

রক্তের আখরে লেখা নাম কমরেড তাজুল ইসলাম

মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম:: ১৯৮৪ সালের ১ মার্চ কাস্তে-হাতুড়ি খচিত কমিউনিস্ট পার্টির লাল পতাকায় আচ্ছাদিত হয়ে আদমজীর প্রিয় শ্রমিকনেতা ‘তাজু ভাই’- বিপ্লবের লাল ফুল কমরেড তাজুল ইসলাম- আমাদের কাছ থেকে চিরবিদায় নেন। এ দেশের শ্রমিক আন্দোলন, স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন এবং কমিউনিস্ট আন্দোলনের ইতিহাসে রক্তের আখরে লেখা হয় কমরেড তাজুল ইসলামের নাম। তার বিপ্লবী স্মৃতির স্মরণ শ্রদ্ধায়, গর্বে, আবেগে আমাদের মস্তক অবনত হয়ে আসে। বিপ্লবী উদ্দীপনায় উজ্জীবিত হই আমরা। কমরেড তাজুলের মৃত্যু নিছক কোনো দুর্ঘটনা ছিলো না। জেনে-বুঝে, সচেতনভাবেই তিনি শ্রমিক আন্দোলন করার প্রচারে নামেন। মৃত্যু ভয়কে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে হাসিমুখেই মৃত্যুকে আলিঙ্গন করেছেন তিনি। এ মৃত্যু বীরোচিত। এ মৃত্যু অনন্য সাধারণ। এই মৃত্যু তাজুলকে দিয়েছে অমরত্ব। মৃত্যুই কেবল নয়, মৃত্যুর আগের ৩৪ বছরের তাজুলের যে সংক্ষিপ্ত জীবন, সেটাও এক মহৎ বীরত্বগাঁথা। ত...
নেতাজির জন্মদিন আজ
বিপ্লবীদের কথা

নেতাজির জন্মদিন আজ

অধিকার ডেস্ক:: ১৮৯৭ সালের এই দিনে জন্মগ্রহণ করেন নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসু। উচ্চশিক্ষা সম্পন্ন করার পর আইসিএস পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য তিনি ১৯১৯  সালে ইংল্যান্ড যান এবং সাফল্যের সঙ্গে কাক্সিক্ষত ইন্ডিয়ান সিভিল সার্ভিসে যোগ দেন। কিন্তু অনতিবিলম্বে তিনি তার সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করেন। তিনি সিভিল সার্ভিস থেকে ইস্তফা দিয়ে চিত্তরঞ্জন দাশের নেতৃত্বে ভারতের জাতীয়তাবাদী রাজনীতিতে যোগ দেন। ১৯২৮ সালে কলকাতায় কংগ্রেস দলের ঐতিহাসিক সম্মেলনে সুভাষ কংগ্রেস স্বেচ্ছাসেবক বাহিনীর প্রধান হিসেবে কাজ করেন। ১৯২৯-এ সুভাষ ছিলেন বাংলা প্রাদেশিক কংগ্রেস সম্মেলনের সভাপতি। ১৯৩৮ সালে সুভাষ সর্বসম্মতিক্রমে কংগ্রেস সভাপতি নির্বাচিত হন। দলীয় সিদ্ধান্ত প্রণয়ন প্রক্রিয়ায় তার একরোখা অবস্থানের কারণে অচিরেই তাকে কংগ্রেসের মূল নেতৃত্ব থেকে বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়। মোহন দাস করমচাঁদ গান্ধী তার বিরুদ্ধে চলে যান। ১৯৩৯ সালে তিনি কংগ্...
একটি শেষ চিঠি আর কিছু কথা
বিপ্লবীদের কথা

একটি শেষ চিঠি আর কিছু কথা

অধিকার ডেস্ক:: আমার শেষ বাণী-আদর্শ ও একতা। ফাঁসির রজ্জু আমার মাথার উপর ঝুলছে। মৃত্যু আমার দরজায় করাঘাত করছে। মন আমার অসীমের পানে ছুটে চলছে। এই ত’ সাধনার সময়। বন্ধুরূপে মৃত্যুকে আলিঙ্গন করার এই ত সময়। ফেলে আসা দিনগুলোকেও স্মরণ করার এই ত সময়। কত মধুর তোমাদের সকলের স্মৃতি। তোমরা আমার ভাইবোনেরা, তোমাদের মধুর স্মৃতি বৈচিএ্যহীন আমার এই জীবনের একঘেঁয়েমিকে ভেঙ্গে দেয়। উৎসাহ দেয় আমাকে। এই সুন্দর পরম মুহুর্তে আমি তোমাদের জন্য দিয়ে গেলাম স্বাধীন ভারতের স্বপ্ন। আমার জীবনের এক শুভ মুহুর্তে এই স্বপ্ন আমাকে অনুপ্রাণিত করছিল। জীবনভর উৎসাহ ভরে ও অক্লান্তভাবে পাগলের মত সেই স্বপ্নের পিছনে আমি ছুটেছি। জানিনা কোথায় আজ আমাকে থেমে যেতে হচ্ছে। লক্ষে পৌছানোর আগে মৃত্যুর হিমশীতল হাত আমার মত তোমাদের স্পর্শ করলে তোমরাও তোমাদের অনুগামীদের হাতে এই ভার তুলে দেবে, আজ যেমন আমি তোমাদের হাতে তুলে দিয়ে যাচ্ছি। আ...
তোমার দেশ আজ রক্তগঙ্গায় ভাসছে
বিপ্লবীদের কথা, মতামত

তোমার দেশ আজ রক্তগঙ্গায় ভাসছে

সুমি খান:: উদয়ের পথে শুনি কার বাণী, ভয় নাই ওরে ভয় নাই! নিঃশেষে প্রাণ যে করিবে দান- ক্ষয় নাই তার ক্ষয় নাই!" মাস্টারদা সূর্যসেনকে চট্টগ্রাম অস্ত্রাগার লুণ্ঠনের অভিযোগে ১৯৩৪ সালের ১২ জানুয়ারি চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে হত্যা করে তৎকালীন ব্রিটিশ সরকার। প্রত্যক্ষদর্শীরা বলে গেছেন, বর্বর ব্রিটিশরাজের পুলিশ বাহিনী মাস্টারদা এর দেহ বঙ্গোপসাগরে নিক্ষিপ্ত করেছিলো। সেদিন প্রাণহীন সূর্যসেনও ব্রিটিশরাজের কাছে মূর্তিমান আতংক !! মাস্টারদা এর বীরত্বের পথ বেয়ে আমরা আজ পরাধীনতার শৃঙ্খল মুক্ত। আমাদের স্বাধীন দেশে লাল সবুজের পতাকা উড়িয়ে আমরা নিজেদের আত্মপরিচয় বিশ্ববাসীর কাছে তুলে ধরতে পেরেছি মাস্টার`দা এর আত্মদানের পথ বেয়ে! মাস্টারদা সূর্যসেন। ব্রিটিশ বিরোধী বিপ্লবের অমর নায়ক। চট্টগ্রাম অস্ত্রাগার লুণ্ঠনসহ বহুবিধ বিপ্লবের অধিনায়ক। পুরো নাম সূর্য কুমার সেন। সংক্ষেপে সূর্যসেন নাম...
জেএম সেনের বাড়ি ভাঙচুর, জড়িতদের গ্রেপ্তার দাবি
বিপ্লবীদের কথা, সারা দেশ

জেএম সেনের বাড়ি ভাঙচুর, জড়িতদের গ্রেপ্তার দাবি

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি:: ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের স্মৃতি বিজড়িত যাত্রামোহন সেনগুপ্তের বাড়ি ভাঙচুরকারীদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার ও ঐতিহাসিক স্থাপনা সংরক্ষণের দাবিতে চট্টগ্রামের সর্বস্তরের সচেতন নাগরিকরা সমাবেশ ও পদযাত্রা কর্মসূচি করেছে। কর্মসূচি থেকে সরকারের কাছে পাঁচ দফা দাবি জানিয়েছেন অংশগ্রহণকারীরা। শুক্রবার বিকেলে নগরীর চেরাগী পাহাড় মোড়ে আয়োজিত নাগরিক সমবেশ সিপিবির কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম বলেন, ‘ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের অন্যতম সুতিঁকাগার চট্টগ্রাম সবসময় সকল অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার। যাত্রামোহন সেনগুপ্ত ও তাদের পরিবারের সদস্যদের অবিভক্ত ভারত থেকে স্বাধীন বাংলাদেশের বিভিন্ন আন্দোলন সংগ্রামে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। 'প্রাকৃতিক ও ঐতিহাসিক স্থাপনা থাকা দেশে মানুষ ভ্রমণের জন্য যায়। অথচ চট্টগ্রামে ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের বিভিন্ন স্থাপনা থেকেও তা রক্ষা করা হয়নি। বারবার এসব ইতিহাস ও...
ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের নেতা যাত্রা মোহনের বাড়ির একাংশ গুঁড়িয়ে দেওয়ার নিন্দা
বিপ্লবীদের কথা, সংগঠন সংবাদ, সারা দেশ

ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের নেতা যাত্রা মোহনের বাড়ির একাংশ গুঁড়িয়ে দেওয়ার নিন্দা

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি:: ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের নেতা যাত্রা মোহন সেনগুপ্ত ও দেশপ্রিয় যতীন্দ্রমোহন সেনগুপ্তের স্মৃতিবিজড়িত শতবর্ষী বাড়ির একাংশ পুলিশের সহায়তায় যুবলীগ সন্ত্রাসীদের কর্তৃক বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন বাসদ(মার্কসবাদী) চট্টগ্রাম জেলার নেতৃবৃন্দ। আজ মঙ্গলবার (০৫ জানুয়ারি) বাসদ(মার্কসবাদী) চট্টগ্রাম জেলার আহবায়ক ও সদস্যসচিব যথাক্রমে কমরেড মানস নন্দী ও শফিউদ্দিন কবির আবিদ এক বিবৃতিতে নিন্দা জানিয়ে বলেন, চট্টগ্রামে ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের অসংখ্য স্মৃতিবিজড়িত স্থাপনা ও স্থান প্রশাসনের অবহেলা ও অযত্নে বিলুপ্তির পথে। তেমনই একটি স্থাপনা হচ্ছে ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের নেতা যাত্রা মোহন সেনগুপ্ত ও তাঁর পুত্র দেশপ্রিয় ব্যারিস্টার যতীন্দ্রমোহন সেনগুপ্তের শতবর্ষী পুরনো বাড়ি। বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, এ বাড়ির সাথে যুক্ত হয়ে আছে ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের অনেক ইত...
নেত্রকোনার দুর্গাপুরে কমরেড মণি সিংহের প্রয়াণ দিবস পালন
বিপ্লবীদের কথা, সারা দেশ

নেত্রকোনার দুর্গাপুরে কমরেড মণি সিংহের প্রয়াণ দিবস পালন

নেত্রকোনা প্রতিনিধি :: ব্রিটিশবিরোধী সংগ্রামী, টংক আন্দোলনের মহান নেতা, মুক্তিযুদ্ধকালীন প্রবাসী সরকারের অন্যতম উপদেষ্টা, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি কমরেড মণি সিংহের ৩০তম প্রয়াণ দিবস পালিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার যথাযোগ্য মর্যাদায় নানা আয়োজনে নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলায় এ দিবস পালন করা হয়। এ উপলক্ষে বেলা সাড়ে ১১টায় মণি সিংহের প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণের মধ্য দিয়ে দিনব্যাপী কার্যক্রম শুরু হয়। পরে বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে মণি সিংহের জীবনীর ওপর আলোচনা সভা উপজেলার টংক শহীদ স্মৃতিস্তম্ভ প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয়। এতে উদ্বোধন করেন কমরেড মণি সিংহ মেলা কমিটির আহ্বায়ক, প্রবীণ রাজনীতিবিদ দুর্গাপ্রসাদ তেওয়ারী। অন্যান্যের মধ্যে কমরেড মণি সিংহের একমাত্র সন্তান ডা. দিবালোক সিংহ, সিপিবি কেন্দ্রীয় কমিটির নেতা আসলাম খান, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ হক, সাবেক মুক্তিযোদ্ধা ডেপ...