"> ‘ডোপ টেস্ট’ করে শাবিতে শিক্ষার্থী ভর্তি চলছে
 

‘ডোপ টেস্ট’ করে শাবিতে শিক্ষার্থী ভর্তি চলছে

Pronob paul 10:39 am সারা দেশ,
Home  »  ক্যাম্পাসশাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়সারা দেশ   »   ‘ডোপ টেস্ট’ করে শাবিতে শিক্ষার্থী ভর্তি চলছে

শাবি প্রতিনিধি:: প্রথমবারের মতো শিক্ষার্থীদের ডোপ টেস্ট করে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ( শাবিপ্রবি ) ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষে প্রথম বর্ষ প্রথম সেমিস্টারে ভর্তি কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

রবিবার (১২ নভেম্বর) সকালে ভর্তি কার্যক্রম উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ।

এসময় উপস্থিত ছিলেন ভর্তি কমিটির সভাপতি অধ্যাপক মো. বেলাল হোসেন, ছাত্র উপদেশ ও নির্দেশনা পরিচালক অধ্যাপক ড. রাশেদ তালুকদার, প্রক্টর অধ্যাপক জহীর উদ্দিন আহমেদ, বিভিন্ন অনুষদের ডিন ও শিক্ষকবৃন্দ।

আজ মঙ্গলবার সকাল থেকে ‘বি-১’ ইউনিটের ভর্তি কার্যক্রমের মধ্যে দিয়ে এ ভর্তি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

এদিকে সকাল ৯টা থেকে ১-৩৮৩ এবং ১১ টা থেকে ৩৮৪-৮০০ পর্যন্ত মেধা তালিকায় স্থানপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সাক্ষাৎকার গ্রহণ ও ভর্তি করানো হবে।

আগামীকাল বুধবার ( ১৩ নভেম্বর) সকাল ৯টা থেকে একই ইউনিটে ৮০১-১০৮৩ পর্যন্ত এবং সকাল ১১টা থেকে ১০৮৪-১৩৮২ পর্যন্ত উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের সাক্ষাৎকার গ্রহণ শেষে ভর্তি করানো হবে।

বিকাল ২টা থেকে ‘বি-২’ ইউনিটে ১-২৯ পর্যন্ত উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের সাক্ষাৎকার গ্রহণ ও ভর্তি করানো হবে । এছাড়া এ দিন ‘বি-১’ ও ‘বি-২’ ইউনিটের অধীনে কোটায় উত্তীর্ণ মেধা তালিকায় স্থান পাওয়া শিক্ষার্থীদের সাক্ষাৎকার শেষে ভর্তি করানো হবে।

বৃহস্পতিবার (১৪ নভেম্বর) সকাল ৯টায় ‘এ’ ইউনিটে বিজ্ঞান বিভাগে মেধা তালিকায় স্থান পাওয়া ১-২৯৭ পর্যন্ত এবং দুপুর ২টায় বাণিজ্য বিভাগ থেকে মেধা তালিকার ১-৮২ পর্যন্ত উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের সাক্ষাতকার গ্রহণ শেষে ভর্তি করানো হবে।

অপরদিকে ১৭ নভেম্বর (রবিবার) সকাল ৯টা থেকে মানবিক বিভাগের মেধা তালিকায় ১-৩০৯ পর্যন্ত উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের সাক্ষাৎকার গ্রহণ ও ভর্তি করানো হবে।

এছাড়া একই দিনে দুপুর ২টা থেকে ‘এ’ ইউনিটের অধীনে বিজ্ঞান, বাণিজ্য ও মানবিক বিভাগ থেকে কোটায় উত্তীর্ণ মেধা তালিকায় স্থান পাওয়া শিক্ষার্থীদের সাক্ষাতকার শেষে ভর্তি করানো হবে।

গত ২৬ অক্টোবর সকাল ৯টায় ‘এ’ ইউনিট এবং দুপুর আড়াইটায় ‘বি’ ইউনিটের (বি-১ ও বি-২) ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এ ভর্তি পরীক্ষায় শতকরা ৫১ ভাগ শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়।