রবীন্দ্রনাথের বিশালতায় আমি অভিভূত, তার সাহিত্যের জগৎ বিশাল : মাল আবদুল মুহিত

Pronob paul 5:52 pm শিল্প ও সাহিত্য,
Home  »  শিল্প ও সাহিত্য   »   রবীন্দ্রনাথের বিশালতায় আমি অভিভূত, তার সাহিত্যের জগৎ বিশাল : মাল আবদুল মুহিত

অধিকার ডেস্ক ::  সাবেক অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছেন, রবীন্দ্রনাথের বিশালতায় আমি অভিভূত। রবীন্দ্রনাথের বিচরণ কোথা থেকে কোথায় গিয়ে ঠেকেছে তাঁর শেষ নেই। তার সাহিত্যের জগৎ বিশাল। শৈশব কৈশোরে আমি অনেকটাই সময় রবীন্দ্রনাথের সাহিত্য চর্চায় কাটিয়েছি। কিন্তু বর্তমানে এই বয়সে এসে আমি মনে করি এই বিশাল ভাণ্ডারের সামান্যই আমি জানতে পেরেছি। তরুণরা যাতে রবীন্দ্র চর্চায় আরো মনোনিবেশ করতে পারে সেজন্য আমি সরকারে থাকা অবস্থায় অনেক উদ্যোগ নিয়েছি।

মঙ্গলবার (৫ নভেম্বর) সন্ধ্যায় সিলেটের কবি নজরুল অডিটোরিয়ামে শ্রীহট্ট ব্রাহ্ম সমাজের সিলেটে রবীন্দ্র-আগমনের শতবর্ষ উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা পর্বে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

শ্রীহট্ট ব্রাহ্ম সমাজের সভাপতি বেদানন্দ ভট্টাচার্যের সভাপতিত্বে ও ব্রাহ্ম সমাজের রবীন্দ্র শতবার্ষিকী উদযাপন পরিষদের সদস্য উজ্জ্বল দাশের সঞ্চালনায় ‘আজি এ আনন্দ সন্ধ্যা’ শিরোনামে আয়োজিত অনুষ্ঠানের আলোচনা পর্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সিলেট সিটি করপোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী।

অনুষ্ঠানে মুখ্য আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন ভারতের গৌহাটি বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা অনুষদের সাবেক ডীন উষারঞ্জন ভট্টাচার্য ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক গোলাম মুস্তফা। অনুষ্ঠানের শুরুতেই স্বাগত বক্তব্য দেন শ্রীহট্ট ব্রাহ্ম সমাজের সাধারণ সম্পাদক বিজয় কৃষ্ণ বিশ্বাস।

মুখ্য আলোচক উষারঞ্জন ভট্টাচার্য সিলেটবাসীর জন্য ১৯১৯ সাল স্মরণীয় বছর হলেও ২০১৯ সাল কম কিসের এমন প্রশ্ন রেখে রবীন্দ্রনাথের সিলেট আগমন ও এখনো রবীন্দ্রনাথ কেন প্রাসঙ্গিক সেই প্রেক্ষাপট বর্ণনা করেন।

গোলাম মুস্তফা তার বক্তব্যে বলেন, মানুষ কল্যাণের পথে ধাবিত হবে এটাই রবীন্দ্র সাহিত্যের দর্শন। রবীন্দ্রনাথ সব সময় সত্যের সাধনা করেছেন বলে উল্লেখ করেন তিনি।

আলোচনা পর্বের শেষে আয়োজিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে নৃত্যশৈলী পরিবেশন করে নৃত্যনাট্য চণ্ডালিকা। এর আগে শ্রুতি সিলেটের আবৃত্তি বিভাগের পরিবেশনায় আবৃত্তি, প্রতীক এন্দ ও অনিমেষ বিজয়ের পরিচালনায় রবীন্দ্র সঙ্গীত পরিবেশন করেন শিল্পীরা। এছাড়ার রবীন্দ্রনাথ স্মরণে ‘পূর্বাপর’ নামের একটি স্মরনিকা প্রকাশ করা হয়।