শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ১৭
শীর্ষ সংবাদ

নাইম-মুশির ব্যাটে হেসেখেলে আবাহনীর জয়

এখানে শেয়ার বোতাম

অধিকার ডেস্ক:: শেষ ১৮ বলে আলাউদ্দীন বাবু আর জাহিদুজ্জামানের ঝড়ের গতিতে তুলে দেয়া ৫১ রানে ব্রাদার্স পৌঁছে যায় ১০০‘র ঘরে। ১১ ওভারে চ্যাম্পিয়ন আবাহনী লিমিনিটের জয়ের লক্ষ্য দাঁড়ায় ১০২। ওভারপিছু ৯.৩৬!

শেরে বাংলায় যেখানে ১৫০ রানই লড়াকু পুঁজি, সেখানে ১১ ওভারে ১০২ যে বড় লক্ষ্য। আর আবাহনীর ব্যাটিংও নড়বড়ে। পরপর দুই ম্যাচেই টপ অর্ডার ব্যর্থ। আগের ম্যাচে ওল্ডডিওএইচএসের বিপক্ষে অলরাউন্ডার মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনের হাত ধরে ১৩৫ পর্যন্ত যাওয়া আকাশি জার্সিধারীদের জন্য এই টার্গেট তাড়া করা সহজ হবে না, এমন ধারণাই ছিল সবার।

কিন্তু শেষ পর্যন্ত বাস্তবে আর তা হয়নি। ওই লড়াকু পুঁজি নিয়েও কিছুই করতে পারেননি ব্রাদার্স বোলাররা। গোপীবাগের দলটিকে হারাতে আবাহনীরও মোটেই বেগ পেতে হয়নি। ৯ উইকেট আর ৭ বল হাতে রেখে হেসেখেলে জিতেছে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা।

অধিনায়ক মুশফিকুর রহীম আর ওপেনার নাইম শেখ দ্বিতীয় উইকেটে অবিচ্ছিন্ন ৬৪ রানের জুটিতে দলকে জয়ের রাস্তা দেখিয়েছেন। তবে আবাহনীকে একটু চাপে ফেলার সুযোগ কিন্তু ছিল।

ফিল্ডার আলাউদ্দিন বাবুর ব্যর্থতায় সে সুযোগ হাতছাড়া হয় ব্রাদার্সের। ব্যাট হাতে ঝড় তোলা আলাউদ্দিন বাবু মুশফিকের সহজ ক্যাচ ফেলে দেন ডিপ মিডউইকেটে দাড়িয়ে। বোলার ছিলেন সুজন হাওলাদার। তার বলে স্লগ সুইপ খেলতে গিয়ে আকাশে ভাসিয়ে দিয়েছিলেন আবাহনী অধিনায়ক। সীমানার কয়েক গজ সামনে দাঁড়িয়ে আলাউদ্দীন বাবু তা ধরেও ফেলে দেন মাটিতে।

২১ বলে ৬ বাউন্ডারিতে ৩৭ রানের হার না মানা ইনিংস খেলেন মুশফিক। নাইম শেখ ২৬ বলে ২ চার, ১ ছক্কায় করেন অপরাজিত ৩৬ রান। তাদের ব্যাটে জয়ের বন্দরে পৌঁছলেও আবাহনী জয়ের পথ খুঁজে পায় আসলে তরুণ ওপেনার মুনিম শাহরিয়ারের সাহসী ও তেজোদ্দীপ্ত উইলোবাজিতে।

নাইম শেখের সাথে ওপেন করতে নেমে ১২ বলে ২৫ রানের এক আক্রমণাত্মক ইনিংস খেলেন ময়মনসিংহের এ সাহসী যুবা। যার ২২ রান (৪ বাউন্ডারি ও এক ছক্কা) আসে শুধু বাউন্ডারি ও ছক্কা থেকে।

ব্রাদার্স অফস্পিনার হাবিবুর রহমান জনির বলে স্লগ সুইপ খেলতে গিয়ে বোল্ড হওয়ার আগে মুনিম শাহরিয়ার একদম স্বচ্ছন্দে খেলে ব্রাদার্স ফ্রন্টলাইন বোলিংকে এলোমেলো করে দেন। তার কারণেই আবাহনী প্রথম উইকেটে ৩.৩ ওভারেই পায় ৩৮ রান। এতে মুনিম ২৫ করে আউট হলেও নাইম শেখের অবদান ছিল ১০ রান।


এখানে শেয়ার বোতাম