শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৪:১৩ পূর্বাহ্ন


প্রখ্যাত মার্কসবাদী চিন্তাবিদ কমরেড সাজ্জাদ জহীর স্মরণে বিপ্লবী শ্রদ্ধাঞ্জলি

প্রখ্যাত মার্কসবাদী চিন্তাবিদ কমরেড সাজ্জাদ জহীর স্মরণে বিপ্লবী শ্রদ্ধাঞ্জলি

  • 85
    Shares

তুহিন কান্তি ধর:: 

প্রখ্যাত মার্কসবাদী চিন্তাবিদ, উপমহাদেশের প্রখ্যাত কমিউনিস্ট নেতা, পাকিস্তানের কমিউনিস্ট পার্টির (সি পি পি) কেন্দ্রীয় কমিটির প্রথম সাধারণ সম্পাদক, আজীবন বিপ্লবী কমরেড সৈয়দ সাজ্জাদ জহীর (Syed Sajjad Zaheer) রাজনৈতিক জীবনে শুধু “সাজ্জাদ জহীর” নামেই পরিচিত। তবে তাঁর অতি কাছের প্রিয়জনরা তাঁকে ‘বান্নি ভাই’ বলে সম্বোধন করতেন- যাদের মধ্যে লেখক, কবি, মুক্তিযোদ্ধা, কমিউনিস্ট সবাই ছিলেন। উর্দু লেখক হিসেবেও তিনি বিপুল খ্যাতি অর্জন করেন। প্রগতিশীল লেখক আন্দোলনেও রয়েছে তাঁর বিশাল অবদান। সাংবাদিকতাও করেছেন। তাঁর পিতা সৈয়দ ওয়াজির হাসান একজন বিচারপতি ছিলেন। লখনউ বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ালেখা শেষে তাঁর পিতার আগ্রহে সাজ্জাদ জহীর অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন অধ্যয়ন করেন এবং ব্যারিস্টারি পাশ করেন। সাংবাদিকতায় ডিপ্লোমাও করেছিলেন। তবে তিনি সাহিত্য ও রাজনীতিতে বেশি আগ্রহী হয়ে উঠেছিলেন। কমরেড সাজ্জাদ জহীর সোভিয়েত ইউনিয়নের কমিউনিস্ট পার্টি’র (সিপিএসইউ) বহিরাগত সদস্য হওয়ার বিরল গৌরব অর্জন করেছিলেন।

মার্ক্সবাদ-লেনিনবাদে দীক্ষিত কমরেড সাজ্জাদ জহীর ১৯৩৩ সালে অক্সফোর্ড থেকে দেশে ফিরে ভারতের কমিউনিস্ট পার্টিতে (সিপিআই) যোগদানের মাধ্যমে তাঁর রাজনৈতিক জীবন শুরু করেন এবং আমৃত্যু সৎ ও নীতিনিষ্ঠ একজন কমিউনিস্ট হিসেবে শ্রমিক-কৃষকের মুক্তির লক্ষ্যে নিবেদিত থাকেন। ১৯০৫ সালের ৫ নভেম্বর তিনি লখনউ-তে জন্মগ্রহণ করেন। উচ্চবিত্ত এক জমিদার পরিবারে জনগ্রহণ করলেও বিত্তের মোহ তাঁকে ঘরে আটকে রাখতে পারেনি। মুক্ত মানবের মুক্ত সমাজ গঠনের লক্ষ্যকে সামনে রেখে আন্দোলন-সংগ্রামকেই তিনি বেছে নিয়েছিলেন। অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নের সময় তিনি নানা স্কুলের পাঠাগারগু্লোতে আধুনিক ইংরেজিসাহিত্য পড়ার দিকে মনোনিবেশ করেছিলেন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের বামপন্থী ছাত্রসংগঠনগুলোর দ্বারা আয়োজিত বিভিন্ন সভা ও অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করতে অধিক সময় ব্যয় করেছিলেন। রাশিয়ায় সর্বহারা শ্রেণির বিজয়ে মানুষের মনে তখন সমাজতান্ত্রিক চেতনা জাগরিত হয়েছে এবং ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামেও নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে। এর প্রভাবেই মুলত সাজ্জাদ জহীর কমিউনিজমের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে ব্রিটিশ কমিউনিস্ট পার্টির সংস্পর্শে আসেন। লন্ডনে অবস্থানরত কমিউনিস্ট নেতা রজনী পাম দত্ত ও অন্যান্যদের সাথে আলাপচারিতায় কমিউনিস্ট আদর্শে বিশ্বাস স্থাপন করেন। তাদেরই পরামর্শে দেশে এসে কমরেড পি সি জোশী এবং আর ডি ভরদ্বাজের মতো কমিউনিস্ট নেতাদের সাথে দৃঢ়চেতা সাজ্জাদ জহীর এর যোগসূত্র স্থাপিত হয় এবং তিনি ভারতের কমিউনিস্ট পার্টিতে যোগদান করেন। পরে তাঁকে ভারতের কমিউনিস্ট পার্টির উত্তরপ্রদেশ শাখার সেক্রেটারি হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয় এবং আজীবন তিনি কমিউনিস্ট আদর্শেই নিবেদিত থেকেছেন।

রাজনৈতিক কারণে কমরেড সাজ্জাদ তিনবার সাম্রাজ্যবাদী ব্রিটিশ সরকারের কারাগারে বন্দী ছিলেন এবং ব্রিটিশবিরোধী জ্বালাময়ী বক্তৃতার জন্য লখনউয়ের কেন্দ্রীয় কারাগারে প্রায় দুই বছর কাটিয়েছেন। জেলে থেকেও বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় তিনি তাঁর লেখালেখি বন্ধ করেননি। ১৯৪২ সালে যখন ব্রিটিশ সরকার সিপিআইয়ের উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নেয়, তখন সাজ্জাদকে ‘কোমি জঙ্গ’ এবং ‘নয়া জামান’ এর সম্পাদক করা হয়। ১৯৪৩ সালে মুম্বাইতে পার্টির বেসে তাঁকে স্থানান্তরিত করা হয় এবং পরবর্তী চার বছর তিনি সেখানে ছিলেন। তিনি ইন্ডিয়ান পিপল’স থিয়েটার অ্যাসোসিয়েশন (আইপিটিএ), প্রগতি লেখক সংঘ (Progressive Writer’s Association) এবং আফ্রো-এশিয়ান রাইটার্স অ্যাসোসিয়েশন এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও শীর্ষস্থানীয় ব্যক্তিত্ব ছিলেন। প্রগতিশীল লেখক আন্দোলনের পথনির্দেশক সাজ্জাদ জহীর কলকাতায়, দিল্লিতে এবং মুম্বাইয়ে সর্বভারতীয় প্রগতিশীল লেখক সম্মেলনের আয়োজন করেছিলেন।

কমরেড সাজ্জাদ ভারত ও পাকিস্তান উভয় দেশের কমিউনিস্ট পার্টিতে যুক্ত থেকে কর্মকাণ্ড পরিচালনা করেন। পাকিস্তানের স্বাধীনতার পূর্বে তিনি ভারতের কমিউনিস্ট পার্টির সাথে যুক্ত ছিলেন। স্বাধীনতা পরবর্তীতে ভারতের কমিউনিস্ট পার্টির নির্দেশে পাকিস্তানে চলে যান এবং পাকিস্তানের কমিউনিস্ট পার্টির প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৪৮ সালের মার্চ মাসে ভারতের কমিউনিস্ট পার্টির দ্বিতীয় কংগ্রেসে পাকিস্তানের জন্য পার্টির পৃথক কেন্দ্রীয় কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। কংগ্রেসে সমবেত প্রতিনিধিদের মধ্যে যারা পাকিস্তানের অধিবাসী ও পাকিস্তানে পার্টির কাজে নিয়োজিত ছিলেন তারা এবং আরো কয়েকজন আমন্ত্রিত প্রতিনিধি ১৯৪৮ সালের ৬ মার্চ পৃথকভাবে সভায় মিলিত হন। সেই সভায় “পাকিস্তানের কমিউনিস্ট পার্টি” (সিপিপি) গঠন করা হয় এবং কমরেড সাজ্জাদ জহীর-কে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করে নয় সদস্য বিশিষ্ট পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটি গঠন করা হয়। এ কমিটির অন্য নেতারা ছিলেন- কমরেড খোকা রায়, কৃষ্ণ বিনোদ রায়, মণি সিংহ, নেপাল নাগ, মনসুর হাবিবউল্লা, জামালউদ্দিন বুখারী, মোহাম্মদ ইব্রাহিম ও মোহাম্মদ আতা। অবশ্য সেই সভাতেই পাকিস্তানের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিপি) অধীনে পূর্ব পাকিস্তানের জন্য পনের সদস্য বিশিষ্ট একটি প্রাদেশিক কমিটিও গঠন করা হয়। প্রাদেশিক কমিটির সম্পাদক নির্বাচিত হন কমরেড খোকা রায় এবং কমিটির অন্য নেতারা ছিলেন- কমরেড মণি সিংহ, নেপাল নাগ, বারীন দত্ত, মনসুর হাবিবউল্লা, কৃষ্ণ বিনোদ রায়, ফনী গুহ, প্রমথ ভৌমিক, অবনী বাগচী, মুকুল সেন, মারুফ হোসেন, পূর্ণেন্দু দস্তিদার, ইয়াকুব মিয়া, আব্দুল কাদের চৌধুরী ও অমূল্য লাহিড়ী। কমরেড সাজ্জাদ পাকিস্তানের বিভিন্ন স্থানে ঘুরে ঘুরে ট্রেড ইউনিয়নবাদী, বুদ্ধিজীবী, শিক্ষার্থী ও শ্রমিকদের সাথে সভা করে পার্টির বিস্তৃতি ঘটাতে অক্লান্ত পরিশ্রম করেন। অনেক সময় আন্ডারগ্রাউন্ডে থেকেও কাজ করেছেন। তবে শেষ পর্যন্ত কবি ফয়জ আহমেদ ফয়েজ, এয়ার কমোডর মোহাম্মদ খান, জেনারেল নাজির আহমেদ এবং ব্রিগেডিয়ার লতিফ ও মেজর হাসান খানের সাথে রাওয়ালপিন্ডি ষড়যন্ত্র মামলায় তিনি গ্রেপ্তার হয়ে যান এবং কোয়েটা, লাহোর, হায়দরাবাদ ও সিন্ধুর বিভিন্নি কারাগারে প্রায় সাড়ে চার বছর কাটানোর পর ১৯৫৪ সালে ভারতে প্রত্যর্পণ হন।

একজন কমিউনিস্ট হিসেবে কমরেড সাজ্জাদ ভারতে প্রগ্রেসিভ রাইটার্স অ্যাসোসিয়েশন, ইন্ডিয়ান পিপলস থিয়েটার অ্যাসোসিয়েশন এবং আফ্রো-এশিয়ান রাইটার্স অ্যাসোসিয়েশন ইত্যাদি সংগঠনের সাথে যুক্ত হয়ে সিপিআই এর পক্ষে নানা কার্যক্রম পরিচালনা করতে থাকেন। তাদের আন্দোলনের মূল উদ্দেশ্য ছিলো ক্ষুধা, দারিদ্র্য, সামাজিক পশ্চাদপদতা এবং কূপমণ্ডুকতা থেকে দেশকে মুক্ত করা। ধর্মীয় গোঁড়ামি পরিহার করে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষা করা এবং সাম্যবাদী নতুন একটি আলোকিত সমাজ গড়ে তুলতে বলিষ্ট ভূমিকা রাখা। উক্ত সংগঠনগুলোর মাধ্যমে বাংলা, হিন্দি, উর্দু, পাঞ্জাবী, মারাঠিসহ বিভিন্ন ভাষায় তারা সাহিত্য-সংস্কৃতি চর্চা করতেন। বিশেষ করে ১৯৩০ থেকে ১৯৬০ এর দশকের মধ্যে এ সংগঠনগুলো উপমহাদেশে প্রগতিশীল সাহিত্য-সংস্কৃতির ভুবনে এক বিশাল চালিকাশক্তি হয়ে উঠেছিলো।

১৯৩৮ সালে তিনি রাজিয়া’র সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। রাজিয়া জহীর ছিলেন একজন ছোটগল্প লেখক ও ঔপন্যাসিক। উর্দু ও হিন্দি উভয় ভাষাতেই তিনি লিখতেন। একটি নিবন্ধে তার স্বামীর দীর্ঘ অনুপস্থিতির কথা স্মরণ করে তিনি লিখেন- “প্রায় দশ বছর ধরে আমরা প্রায় পৃথকভাবে বেঁচে ছিলাম। আট বছরের জন্য আমরা একবার দেখা করেছি এবং অর্ধেকেরও বেশি আমাদের জীবন আলাদাভাবে কাটাতে হয়েছিলো; কিন্তু আমরা চিঠি আদান-প্রদান অব্যাহত রেখেছিলাম। আমরা অন্য অনেক স্বামী-স্ত্রীর চেয়ে নিজেকে ভাগ্যবান মনে করি।” তাদের চার কন্যা ছিলো। বড় মেয়ে নাজমা জহীর জেএনইউতে বায়োকেমিস্ট্রি বিভাগের অধ্যাপক এবং ডায়াবেটিস বিশেষজ্ঞ। দ্বিতীয় মেয়ে ড. নাসীম ভাটিয়া যোধপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ছিলেন। তৃতীয় কন্যা নাদিরা জহীর ভারতের শীর্ষস্থানীয় নাট্যশিল্পী এবং বলিউড তারকা ও রাজনীতিবিদ রাজ বাব্বরের সাথে তাঁর বিয়ে হয়। কনিষ্ঠ কন্যা নূর জহীর একজন প্রশিক্ষিত কথক নৃত্যশিল্পী।

লেখক হিসেবেও সাজ্জাদ জহীর বিপুল জনপ্রিয়তা লাভ করেন। তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থগুলোর মধ্যে রয়েছে- ‘লন্ডন কি এক রাত’ (লন্ডনের এক রাত – উপন্যাস), ‘রোশনাই আলোকাই’ (প্রগতিশীল লেখক আন্দোলন এবং এর উদ্দেশ্যগুলি নিয়ে রচনা সংকলন), ‘পিঘলা নীলাম’ (তাঁর কবিতার সংকলন), শেক্সপিয়রের ওথেলোর একটি অনুবাদ, রবি ঠাকুরের লেখা উপন্যাস ‘গোরা’র একটি অনুবাদ ইত্যাদি। ‘লন্ডন কি এক রাত’ উপন্যাসে তিনি এক জায়গায় লিখেছেন- “আপনি পত্রিকায় পড়তে পারেন যে, আমাদের দেশে হিন্দু, মুসলমান এবং শিখরা ধর্ম সম্পর্কিত বিষয়গুলিতে একে অপরের মধ্যে লড়াই করে। এর অর্থ কি তারা আধ্যাত্মিক এবং ধার্মিক? না- না, মুষ্টিমেয় ধর্মীয় নেতারা যারা বাস্তবে তাদের ঈশ্বরকে খুব কমই স্মরণ করেন, কিন্তু সরকারি পদ লাভ করার জন্য এবং তাদের ব্যক্তিগত লাভের জন্য নিরীহ ও দরিদ্র মানুষের ধর্মীয় অনুভূতি উস্কে দেন এবং এতে করে একে অপরের বিরুদ্ধে লড়াই গড়ে তোলে। এই লোকদের ধর্মের সাথে কোনো সম্পর্ক নেই।”

অক্সফোর্ডে শিক্ষিত চারজন কমিউনিস্টকর্মি ও তরুণ লেখক- সাজ্জাদ জহীর, আহমেদ আলী, ডা. রশিদ জাহান এবং মাহমুদ উজ জাফর “আঙ্গারায়” শিরোনামে আধুনিক ছোটগল্পের একটি সংকলন ১৯৩২ সালে প্রকাশ করেছিলেন। ভারতের সমসাময়িক আর্থ-সামাজিক বাস্তবতা, সাধারণ মানুষের শোষণ নিপীড়নের কাহিনী ছিলো গল্পগুলোর বিষয়বস্তু। সামাজিক ভণ্ডামি এবং বাস্তবভিত্তিক আরও অনেক কিছুর সমালোচনা স্থান পেয়েছিলো “আঙ্গারায়”। মূলত রাশিয়ান বিপ্লবের সমাজতান্ত্রিক নীতি দ্বারা প্রভাবিত হয়েছিলো “আঙ্গারায়”। একটি শক্তিশালী আধুনিক, সাম্যবাদী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পক্ষে এবং ধর্মীয় মৌলবাদবিরোধী ও সাম্রাজ্যবাদবিরোধী উপাদান ছিলো এগুলোতে। এর দারুণ ইতিবাচক প্রভাব পড়েছিলো ভারতীয় তরুণসমাজের উপর। এতে উগ্র মৌলবাদী ও প্রতিক্রীয়াশীল গোষ্ঠীগুলো বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠে এবং তাদের চাপে ১৯৩৩ সালে ব্রিটিশ সরকার কর্তৃক বইটি ভারতে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়ছিলো।

১৯৭৩ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর আফ্রো-এশিয় লেখক সম্মেলনে অংশ নেওয়ার সময় তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নভূক্ত কাজাখস্তানের আলমা আতা’য় এক অনির্বচনীয় সংগঠক, আজীবন বিপ্লবী, নিবেদিতপ্রাণ কমিউনিস্ট কমরেড সাজ্জাদ জহীর মাত্র ৬৮ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন। ২০০৫ সালে নানা স্থানে তাঁর জন্মশতবর্ষ পালন করা হয়।
লাল সালাম কমরেড সাজ্জাদ জহীর।

লেখক : তুহিন কান্তি ধর, সম্পাদক, সিপিবি, শাহপরান থানা শাখা, সিলেট





© All rights reserved © 2018 Odhikarbd.Com
ILoveYouZannath