শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ১৭
শীর্ষ সংবাদ

মুক্তির লড়াইয়ে অমর হয়ে থাকবেন সুনীল রায় : কমরেড মুজাহিদুল ইসলাম

এখানে শেয়ার বোতাম

অধিকার ডেস্ক :: ব্রিটিশবিরোধী সংগ্রামী, প্রখ্যাত শ্রমিক-জননেতা, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)’র সাবেক প্রেসিডিয়াম সদস্য, ঢাকা জেলা কমিটির সাবেক সভাপতি কমরেড সুনীল রায়-এর ১৮তম মৃত্যুবার্ষিকীতে আয়োজিত স্মরণসভায় সিপিবি সভাপতি কমরেড মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম বলেন, কমরেড সুনীল রায় সারাজীবন শ্রমিক-মেহনতী মানুষের মুক্তির জন্য লড়াই করে গেছেন। তিনি সেই শ্রমিক-জনতার লড়াইয়ের মধ্যেই অমর হয়ে থাকবেন।

তিনি আরও বলেন, দেশের বর্তমানের এই সংকটকালে কমরেড সুনীল রায়-এর কাছ থেকে শিক্ষা নিয়ে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে।

সিপিবি ঢাকা কমিটির আয়োজিত মুক্তিভবনের মৈত্রী মিলনায়তনে কমরেড সুনীল রায় এর স্মরণসভায় মোসলেহ উদ্দিনের সভাপতিত্বে সভায় কমরেড সেলিম আরও বলেন, কমরেড সুনীল রায় ছিলেন স্পষ্টভাষী, আন্তরিক ও অত্যন্ত ধৈর্য্যশীল মানুষ। যে কারণে সবাই তাকে আপন করে নিত।

কমরেড সেলিম বলেন, বাস্তবিক কর্তব্য পালন ছাড়া পুরানো সমাজ ভাঙা যাবে না। তিনি সবাইকে সুনীল রায়ের আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে শোষণমুক্ত সমাজ কায়েমের সংগ্রামকে অগ্রসর করার আহ্বান জানান।

প্রবীণ শ্রমিকনেতা ও সিপিবি’র উপদেষ্টা কমরেড শহীদুল্লাহ চৌধুরী বলেন, শত অত্যাচারের মুখেও কমরেড সুনীল রায় লড়াই অব্যাহত রেখেছিলেন। সাহস, সততা, নিষ্ঠার সাথে লড়াই পরিচালনার জন্য বৃহত্তর ঢাকার সকল কারখানার শ্রমিকদের কছে সুনীল রায় জনপ্রিয় নেতা হয়ে উঠেছিলেন। কমরেড সুনীল রায়ের সময়কালে শ্রমিক-জনতার ঐক্য গড়ে উঠেছিল এবং শাসকশ্রেণী শ্রমিকদের দাবি মেনে নিতে বাধ্য হয়েছিল।

তিনি বলেন, ডেমরা এলাকায় দুর্ভিক্ষের সময় যেমন শ্রমিকরা তাদের রেশন দিয়ে দেয় তেমনি শ্রমিকদের সংকটকালেও কারখানার পার্শ্ববর্তী এলাকার গ্রামবাসী এগিয়ে এসেছিল।

কমরেড সুনীল রায়কে নিজের রাজনৈতিক শিক্ষক উল্লেখ করে শহীদুল্লাহ চৌধুরী বলেন, তিনি আমার মতো হাজার হাজার সাধারণ শ্রমিককে সচেতন করে আন্দোলনের সৈনিক হিসেবে গড়ে তুলেছিলেন।

স্মরণসভায় আরও বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য অধ্যাপক ডা. ফজলুর রহমান, খেলাঘর আসরের কেন্দ্রীয় নেতা রথীন চক্রবর্তী, সিপিবি ঢাকা কমিটির সাধারণ সম্পাদক ডা. সাজেদুল হক রুবেল, সম্পাদকম-লীর সদস্য সুকান্ত শফি চৌধুরী কমল। কমরেড সুনীল রায়ের সংক্ষিপ্ত জীবনী পাঠ করেন মনিষা চক্রবর্তী। স্মরণসভা পরিচালনা করেন জাহিদ হোসেন খান।


এখানে শেয়ার বোতাম