শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ১৭
শীর্ষ সংবাদ

ঢাবির শিক্ষক ফরিদীকে বাধ্যতামূলক ছুটিতে পাঠা্নো অবৈধ : হাইকোর্ট

এখানে শেয়ার বোতাম

ঢাকা: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের সহকারি অধ্যাপক ড. রুশদ ফরিদীকে বাধ্যতামূলকভাবে ছুটিতে পাঠানোর সিদ্ধান্ত অবৈধ মর্মে রায় দিয়েছে হাইকোর্ট। পাশাপাশি তাকে বিভাগে যোগদানে বিবাদীদের প্রতি নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

রবিবার (২৫ আগষ্ট) এ বিষয়ে জারি রুল নিষ্পত্তি করে বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন। রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেন শিক্ষক ফরিদীর আইনজীবী জৌতির্ময় বড়ুয়া।

আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া। অপরদিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী সীমন্তী আহমেদ।

পরে জ্যোতির্ময় বড়ুয়া আদালত থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের জানান, রুল যথাযথ ঘোষণা করা হয়েছে। ফলে রুশদ ফরিদীকে সিন্ডিকেটের বাধ্যতামূলক ছুটিতে পাঠানো অবৈধ। একইসঙ্গে তাকে বিভাগে যোগদানে বিবাদীদের প্রতি নির্দেশও দিয়েছে আদালত।

জ্যোতির্ময় বড়ুয়া আরও জানান, বিশ্ববিদ্যালয় রেগুলেশন অনুসারে কেবল উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো স্টাফকে তিন মাসের জন্য বাধ্যতামূলক ছুটিতে পাঠাতে পারেন। তবে যাকে ছুটিতে পাঠানো হবে সে চাইলে চ্যান্সেলরের কাছে আপিল করতে পারে। কিন্তু কাউকে বাধ্যতামূলক ছুটিতে পাঠানোর এখতিয়ার সিন্ডিকেটের নাই। অথচ ২০১৭ সালের ১২ জুলাই সিন্ডিকেট ড.রুশদ ফরিদীকে বাধ্যতামূলক ছুটিতে পাঠান।

পরের দিন একটি চিঠির মাধ্যমে রেজিস্ট্রার এ বিষয়টি তাকে অবহিত করেন। চিঠিতে বলা হয়, ‘১২ জুলাই থেকে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ না করা পর্যন্ত আপনাকে বাধ্যতামূলক ছুটি দেওয়া হইল। বাধ্যতামূলক ছুটিকালীন সময়ে আপনাকে বিভাগীয় সকল প্রকার একাডেমিক ও প্রশাসনিক কাজ থেকে বিরত রাখা হয়েছে। ’

এরপর ১৬ জুলাই ড.ফরিদী কোন কর্তৃত্ব বলে তাকে বাধ্যতামূলক ছুটিতে পাঠানো হয়েছে তা জানতে চেয়ে ৪৮ ঘণ্টার সময় দিয়ে কর্তৃপক্ষের কাছে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়। কিন্তু নোটিশের জবাব না পাওয়ায় ওই বছরের ২০ জুলাই রিট করেন তিনি। পরে ২৪ জুলাই হাইকোর্ট প্রাথমিক শুনানি শেষে রুল জারি করেন। সে রুলের চুড়ান্ত শুনানি করে আজ রায় ঘোষণা করা হয়।


এখানে শেয়ার বোতাম