সোমবার, নভেম্বর ৩০

হিন্দুয়ানী সংস্কৃতি’র দিন…

এখানে শেয়ার বোতাম
  • 17
    Shares

আফরোজা সোমা::

মানুষ-কেন্দ্রীক পৃথিবীর গল্পে আঁধার বা কালো বা রাত্রি অমঙ্গল, অশুভ ও অজ্ঞানতার প্রতিচ্ছবি হিসেবে বিধৃত হয়েছে। তার কারণও আছে। মানুষের চোখ সর্বাবস্থায় দেখায় উপযোগী নয়। মানুষের চোখ খালি চোখে সব কিছু দেখেও না।

আলো না থাকলে মানুষের চোখ দেখতে পারে না। আবার সব ধরণের আলোও মানুষের চোখ সনাক্ত করতে পারে না। অনেক পাখি ও প্রাণী আছে যারা সূর্যের অতিবেগুনী রশ্মি দেখতে পায়। তাদের দেখা পৃথিবীর রং মানুষের চোখে দেখা পৃথিবীর চেয়ে আলাদা।

ডিফরেন্স ডাজন্ট মেক এনিওয়ান সুপিরিয়র ওর ইনফেরিয়র। একনলেজিং অল দি ডিফরেন্সেস উই কুড লিভ টুগেদার, পিসফুলি, হ্যান্ড ইন হ্যান্ড।
কো-এক্সিজটেন্স এর জন্য মিউচুয়াল রেসপেক্ট অত্যাবশ্যক। কো-এক্সিজটেন্স এর জন্য ‘আমি এবং আমার অনুভূতি ও বিশ্বাসই সেরা’ বলে যে কম্প্লেক্সিটি আছে সেখান থেকে মানুষের মুক্তি দরকার।

মানুষের ইতিহাসে আগুন জ্বালতে পারার গুরুত্ব অপরিসীম। আগুন ও আলোক মানুষকে মুক্তি দিয়েছে।

আলোক প্রজ্জ্বলনের এই উৎসবে ভূভারতের সকলকে শুভেচ্ছা। সিন্ধু অববাহিকা থেকে হাজার-হাজার বছর ধরে ক্রমে ছড়িয়ে পড়েছে যে জীবনাচার আমি আপনিও কি নই তার অংশিদার?

তবে, এই ভূখন্ডে, মনে হয়, ‘হিন্দুয়ানী সংস্কৃতি’র দিন শেষ। সারা দেশে মূর্তি অপসারনের ডাক এসেছে।

হে টিমটিমে আলো, মগজের অন্ধকার দূর করো! পথ দেখাও।

লেখক: কবি ও প্রাবন্ধিক

( লেখকের ফেইসবুক থেকে নেওয়া)

 


এখানে শেয়ার বোতাম
  • 17
    Shares