সোমবার, মার্চ ১
শীর্ষ সংবাদ

সড়ক পরিবহন আইন নমনীয় করার দাবি অটোরিক্সা শ্রমিকদের

এখানে শেয়ার বোতাম

সিলেট প্রতিনিধি :: সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮ এর ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রাপ্তি বিষয়ে করণীয় সংক্রান্ত সচেতনতা মূলক আলোচনা ও শ্রমিক সমাবেশ অনুষ্ঠিত।

৪ নভেম্বর রাত ৮টায় টুকেরবাজার সিলেট জেলা সিএনজি চালিত অটোরিক্সা শ্রমিক ইউনিয়ন রেজি নং-৭০৭ এর অন্তর্ভূক্ত মুক্তিযোদ্ধা উপ- পরিষদের উদ্যোগে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

মুক্তিযোদ্ধা উপ-পরিষদের সহ-সভাপতি আব্দুল হামিদের সভাপতিত্বে সহ-সম্পাদক মিজান আহমদের পরিচালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সিলেট জেলা সিএনজি চালিত অটোরিক্সা শ্রমিক ইউনিয়ন রেজি নং-৭০৭ এর কার্যকরী কমিটির সভাপতি জাকারিয়া আহমদ, বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, অর্থ সম্পাদক মো. মামুনুর রশিদ মামুন, জেলা কমিটির সদস্য এম.বরকত আলী, মো. এমাদ উদ্দিন, মুক্তিযোদ্ধা উপ-পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মো. সিবলি আহমদ, সহ-সভাপতি তোফায়েল, সাংগঠনিক সম্পাদক ইউসুফ আলী, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ছালেহ আহমদ, সদস্য নেছার আহমদ, ছমির আলী, আবু তালিব, আলমগীর, কালা মিয়া, আল-আমিন, শরীফ মিয়া, পরিমল চক্রবর্তী, তিতাশ খান প্রমুখ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে জাকারিয়া আহমদ বলেন, সড়ক পরিবহণ আইন ২০১৮ বিভিন্ন ধারা শ্রমিকদের পক্ষে নয়। এই আইনে শ্রমিকদের স্বার্থ বিবেচনা করা দরকার। তিনি বলেন, আইন কঠোর করে শাস্তি বাড়িয়ে সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা সম্ভব নয়। তবে শেষে কোনো ধরনের পরিবর্তন ছাড়াই নতুন সড়ক পরিবহন আইনটি ১ নভেম্বর থেকে কার্যকর হচ্ছে। এতে সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যুর ঘটনার মামলায় শাস্তি বাড়িয়ে ৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে, এসব মামলা হবে জামিন অযোগ্য। নতুন আইনে শুরু থেকে আপত্তি জানিয়ে আসা সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশন রিপোর্টার্স ইউনিটিতে সংবাদ সম্মেলন করে সংশোধনের কিছু প্রস্তাব দেয়। আইন কঠোর করলে সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যুর সংখ্যা কমবে বলে যারা মনে করছেন, তাদের সঙ্গে ভিন্নমত জানান নেতৃবৃন্দ। দুর্ঘটনায় মৃত্যু হত্যাকাণ্ড নয়। দুর্ঘটনা দুর্ঘটনাই। দুর্ঘটনায় শুধু যাত্রী বা পথচারী নিহত হয় না, চালক বা শ্রমিকও নিহত হন। চালক বা শ্রমিকের কারণে যদি দুর্ঘটনা ঘটে তার দায়ভার চালক ও শ্রমিকের। আইন অনুযায়ী তাদের সাজা হবে। অন্য কারণে দুর্ঘটনার দায়ভার তারা নেবে কেন?” তিনি বলেন, “এসব রায় সড়কে কতটা শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনবে, তা নিয়েও প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। শুধু শাস্তির ভয় দেখিয়ে সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা সম্ভব না। “এই আইনে মালিক-শ্রমিকদের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অনেকগুলো ধারা রয়েছে। তবে কিছু ধারা সম্পর্কে আমাদের আপত্তির জায়গাটা বিবেচনা করা হোক, এটাই আমাদের দাবি। “বর্তমান সরকার আইনটি বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছেন। প্রশ্ন হল, এখনও বিধি প্রণয়ন করা হয়নি। বিধি প্রণয়ন ব্যতীত আইন প্রয়োগে জটিলতার অবসান হবে কীভাবে?”


এখানে শেয়ার বোতাম