বৃহস্পতিবার, ডিসেম্বর ৩

সুসময়ের বসন্তের কোকিল দুঃসময়ে থাকে না: ওবায়দুল কাদের

এখানে শেয়ার বোতাম

অধিকার ডেস্ক :: আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, সুযোগ সন্ধানী অনুপ্রেবেশকারীদের দলে আশ্রয় না দেওয়া যাবে না। দুঃসময়ে দীর্ঘদিনের ত্যাগী নেতাকর্মীরাই দলকে ধরে রাখে। সুসময়ের বসন্তের কোকিল দুঃসময়ে থাকে না। অনুপ্রবেশকারীরাই দলের ভাবমূর্তি নষ্ট করে।

শুক্রবার (২৮ আগস্ট) আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলের স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক উপ-কমিটির উদ্যোগে স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালকের কাছে স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী হস্তান্তর অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে অনুষ্ঠানে যুক্ত হয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আমি একটা কথা স্মরণ করিয়ে দিতে চাই– অনুপ্রবেশকারীরাই দল ও সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করে। দুঃসময়ের পরীক্ষিত নেতাকর্মীরা কখনও দল এবং সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয় এমন কাজ করে না। সম্প্রতি দেখা গেছে, দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্নের জন্য অনুপ্রবেশকারীরাই দায়ী।’

তিনি আরও বলেন, করোনাভাইরাস সংক্রমণের শুরু থেকেই শেখ হাসিনার সরকার কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করে আসছে। তার সুদক্ষ নেতৃত্ব ও নিরলস পর্যবেক্ষণের কারণে সরকার শুরু থেকেই করোনায় সৃষ্ট পরিস্থিতি তুলনামূলকভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখতে সক্ষম হয়েছে। এ ভাইরাসের অতীত ইতিহাস না থাকায় চিকিৎসা সেবার ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ একটি নতুন অভিজ্ঞতা হিসেবে দেখা দিয়েছিল। কিন্তু শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ ও সরকারের ঐকান্তিক প্রচেষ্টার ফলে অল্প সময়ে জনসচেতনতা তৈরির পাশাপাশি চিকিৎসা সেবা প্রদানে আমাদের এখন সক্ষমতা তৈরি হয়েছে, যা দিন দিন বাড়ছে।

ওবায়দুল কাদের বলেন, জনগণের চাহিদা অনুযায়ী সুযোগ সম্প্রসারণের পাশাপাশি পর্যাপ্ত বরাদ্দ দেয়া হচ্ছে। সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি খাতে ও চিকিৎসা সেবার সুযোগ দিন দিন বাড়ছে। দেশে এখন আন্তর্জাতিক মানের চিকিৎসা হচ্ছে। চিকিৎসা ক্ষেত্রে আমাদের বিদেশমুখিতা কমিয়ে আনতেে হবে।

তিনি বলেন, তবে একথা সত্য যে, এখনো কোথাও কোথাও স্বাস্থ্যসেবার মান নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। গ্রামাঞ্চলে এখনো স্বাস্থ্যসেবা কাঙ্ক্ষিত মানে পৌঁছায়নি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চিকিৎসকদের গ্রামমুখী হওয়ার যে নির্দেশনা দিয়েছেন তা যথাযথভাবে পালন করলে গ্রামীণ স্বাস্থ্যসেবার মান আরও উন্নত হবে। শুধু রাজধানী কেন্দ্রিক নয়, চিকিৎসা ব্যবস্থাকে তৃণমূলে ছড়িয়ে দেয়ার লক্ষ্যেই কাজ করছে সরকার। এ খাতে ব্যবস্থাপনা দক্ষতা বাড়াতে এবং অনিয়ম দূর করতে সম্প্রতি বেশকিছু পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। এসব কার্যক্রম এগিয়ে নিতে চিকিৎসা সংশ্লিষ্ট সবার আন্তরিক সহযোগিতা প্রয়োজন।

অনুষ্ঠানে দলের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মতিয়া চৌধুরী, স্বাস্থ্য সম্পাদক ডা. রোকেয়া সুলতানা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।


এখানে শেয়ার বোতাম