সোমবার, মার্চ ১
শীর্ষ সংবাদ

সিলেট শিল্পকলার আয়োজনে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সাংস্কৃতিক উৎসব অনুষ্ঠিত

এখানে শেয়ার বোতাম

নিজস্ব প্রতিবিদক :: ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী স্বকীয় বৈশিষ্ট্যের নিজস্ব স্বাতন্ত্র অংশগ্রহণ ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনার সমন্বয়ে সিলেট জেলা শিল্পকলা একাডেমির উদ্যোগে প্রথমবারের মতো সিলেটে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সাংস্কৃতিক উৎসব অনুষ্ঠিত হলো।

আজ সোমবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সিলেট নগরীর পূর্ব শাহী ঈদগাহস্থ জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে এই সাংস্কৃতিক উৎসব আয়োজন হয়।

জেলা কালচারাল অফিসার অসিত বরণ দাশ গুপ্তের সভাপতিত্বে উৎসবের উদ্বোধনী পর্বে আমন্ত্রিত অতিথির বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ মণিপুরী সাহিত্য সংসদের সভাপতি এ কে শেরাম, সিলেট জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি তাপস দাস পুরকায়স্থ, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট সিলেটের সাধারণ সম্পাদক গৌতম চক্রবর্ত্তী, বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরামের সিলেট বিভাগীয় সভাপতি গৌরাঙ্গ পাত্র, বাংলাদেশ চা-শ্রমিক ইউনিয়ন, সিলেট ভ্যালী কার্যকরী পরিষদের সভাপতি রাজু গোয়ালা, সিলেট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সহকারী অধ্যাপক প্রণব কান্তি দেব ও কারিতাস সিলেট রিজিওনের ভারপ্রাপ্ত আরডি বনিফাস্ট খংলা।

একাডেমির আবৃত্তি বিভাগের প্রশিক্ষণার্থী মাসুদ পারভেজ ও নাফিসা তানজিনের সঞ্চালনায় আলোচনা পর্ব শেষে সিলেট অঞ্চলে বসবাসকারী মণিপুরী, খাসিয়া, গারো, পাত্র ও চা-শ্রমিক জনগোষ্ঠী তাদের নিজস্ব ভাষায় সাংস্কৃতিক পরিবেশনা উপস্থাপন করেন।

এছাড়াও জেলা শিল্পকলা একাডেমির প্রশিক্ষণার্থী এবং ছন্দনৃত্যালয়ের শিল্পীরা দলীয় সংগীত ও নৃত্য পরিবেশন করেন।

প্রথমবারের মতো সিলেটে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সাংস্কৃতিক উৎসব সম্পর্কে জেলা কালচারাল অফিসার অসিত বরণ দাশ গুপ্ত বলেন, বাংলাদেশের এক প্রান্তিক জনপদ সিলেট জেলা। এই জেলায় রয়েছে বিচিত্র সব জনগোষ্ঠীর জীবন ও সংস্কৃতির এক অনুপম বর্ণ-বৈচিত্র্যও। দেশের প্রধান জনগোষ্ঠী বাঙালি জাতিসত্তার পাশাপাশি সিলেটে বাস করে বিভিন্ন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীও। এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো মণিপুরী, খাসিয়া, পাত্র, গারো, উরাং (ওঁরাও), মাল (মালো) এবং বিভিন্ন চা শ্রমিক জনগোষ্ঠী। প্রতিটি জনগোষ্ঠীরই রয়েছে নিজস্ব জীবন, ভাষা ও সংস্কৃতির এক স্বতন্ত্র সৌন্দর্য। তাই ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী স্বকীয় বৈশিষ্ট্যের নিজস্ব স্বাতন্ত্র অংশগ্রহণ ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনার সমন্বয়ে এই আয়োজন ছিল।


এখানে শেয়ার বোতাম