রবিবার, নভেম্বর ২৯

এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে গণধর্ষণ : ৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা

এখানে শেয়ার বোতাম
  • 197
    Shares

নিজস্ব প্রতিবেদক:: সিলেট এমসি কলেজের ছাত্রাবাসে এক তরুণীকে গণধর্ষণের ঘটনায় ৬ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা করা হয়েছে। একই মামলায় আরও দুই-তিন জনকে অজ্ঞাত আসামী করা হয়েছে। শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) মধ্যরাতে সিলেট মহানগর পুলিশের শাহপরাণ থানায় এ মামলা দায়ের করেন ওই তরুণীর স্বামী। মামলা নং ২১।

শাহপরাণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল কাইয়ুম মামলার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, মামলায় ৬ জনকে সরাসরি জড়িত বলে অভিযুক্ত করা হয়েছে। অন্য ৩ জনের বিরুদ্ধে সহযোগিতার অভিযোগ আনা হয়েছে। তবে পুলিশ এখনো কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি ।

মামলার আসামীরা হলেন, এমসি কলেজ ছাত্রলীগের নেতা ইংরেজি বিভাগের মাস্টার্সে শিক্ষার্থী শাহ মো. মাহবুবুর রহমান রনি (২৫), কলেজ ছাত্রলীগ নেতা এম সাইফুর রহমান (২৮), ছাত্রলীগ নেতা তারেক (২৮), অর্জুন লস্কর (২৫), রবিউল ইসলাম (২৫) ও মাহফুজুর রহমান মাছুম (২৫)। এরা সবাই ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত।

তাদের মধ্যে সাইফুর রহমানের গ্রামের বাড়ি বালাগঞ্জে, রবিউলের বাড়ি সুনামগঞ্জ জেলার দিরাই উপজেলায়, মাহফুজুর রহমান মাছুমের বাড়ি সিলেট সদর উপজেলায়, অর্জুনের বাড়ি সিলেটের জকিগঞ্জে, রনির বাড়ি হবিগঞ্জে এবং তারেক সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার বাসিন্দা।

কলেজ সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার সন্ধ্যায় একটি প্রাইভেটকারযোগে স্বামীর সঙ্গে এমসি কলেজে বেড়াতে আসেন দক্ষিণ সুরমার শিববাড়ির ওই গৃহবধূ। ক্যাম্পাস থেকে ছাত্রলীগের ওই সাত কর্মী মিলে স্বামীসহ ওই গৃহবধূকে তুলে নেন পার্শ্ববর্তী কলেজ ছাত্রাবাসে। পরে তারা স্বামীকে বেঁধে মারধর করে ওই গৃহবধূকে পালাক্রমে ধর্ষণ করেন।

জানা গেছে, অভিযুক্ত সাইফুর রহমানের বাড়ি বালাগঞ্জে, রবিউলের বাড়ি দিরাইয়ে, মাহফুজুর রহমান মাছুমের বাড়ি সিলেট সদর উপজেলায়, অর্জুনের বাড়ি জকিগঞ্জে, রনি হবিগঞ্জের ও তারেক জগন্নাথপুরের বাসিন্দা। করোনা পরিস্থিতির কারণে কলেজ ছাত্রাবাস বন্ধ থাকলেও এরা প্রতিদিন ছাত্রাবাসে জুয়া ও মাদকের আসর বসাতো। টিলাগড় ও বালুচর এলাকায় ছিনতাইয়ের সঙ্গে এই গ্রুপটি জড়িত বলে একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে।

নগরীর শাহপরাণ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, খবর পেয়েই আমরা এমসি কলেজের ছাত্রাবাসে গিয়ে তাদের উদ্ধার করি। পরে ধর্ষণের শিকার ওই গৃহবধূকে ওসমানী হাসপাতালের ওসিসি সেন্টারে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।


এখানে শেয়ার বোতাম
  • 197
    Shares