শনিবার, মে ৮
শীর্ষ সংবাদ

সরকারের নতজানুনীতি ও ভারতের আগ্রাসী তৎপরতা রুখে দাঁড়ান : কমরেড খালেকুজ্জামান

এখানে শেয়ার বোতাম

অধিকার ডেস্ক :: বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদ কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও বাম গণতান্ত্রিক জোটের শীর্ষ নেতা কমরেড খালেকুজ্জামান এক বিবৃতিতে বলেছেন, প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরকালে বাংলাদেশ-ভারত দুই দেশের মধ্যে সম্পাদিত ৭ দফা চুক্তি ও সমঝোতা স্বারক এবং ৫৩ দফা যৌথ ঘোষণার মাধ্যমে ভারতের স্বার্থকেই প্রাধান্য দেয়া হয়েছে এবং বাংলাদেশের স্বার্থকে উপেক্ষা করা হয়েছে।

আজ ০৬ অক্টোবর সংবাদপত্রে দেয়া বিবৃতিতে কমরেড খালেকুজ্জামান বলেন, সফরকালে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জয়সংকর বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে বলেছেন, ‘বাংলাদেশকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয় ভারত’ যদিও এ বক্তব্যের তাৎপর্য গতকাল বাংলাদেশ-ভারত দুই দেশের মধ্যে সম্পাদিত ৭ দফা চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক এবং ৫৩ দফা যৌথ ঘোষণার যতটুকু পত্র-পত্রিকায় প্রকাশ হয়েছে তা থেকে বোঝা কঠিন। কারণ তিস্তাসহ ৫৪টি অভিন্ন নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা আদায়, টিপাইমুখে বাঁধ, আন্তঃনদী সংযোগ প্রকল্প, বাণিজ্য ঘাটতি নিরসন, সীমান্তে হত্যাকা- বন্ধসহ অমীমাংসিত নানা ইস্যুতে কোন চুক্তি বা ঘোষণা এই সফরকালে সম্পাদিত হয়নি।

বিবৃতিতে বলা হয়, তিস্তার পানি না পেলেও উল্টো ফেনী নদীর পানি ভারতকে দেয়া, বাংলাদেশের সমুদ্রসীমায় ভারতকে নজরদারি করার অনুমতি দেয়া, যৌথ ঘোষণায় রোহিঙ্গা শব্দ বাদ দেয়া, এনআরসি প্রসঙ্গ না থাকা, ভারতে এলএনজি রপ্তানির চুক্তি এবং ভারত থেকে আরো ১০০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানি করার মাধ্যমে এই সফরে সম্পাদিত চুক্তি, সমঝোতা স্মারক ও ঘোষণায় ভারতের স্বার্থকেই সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়া হয়েছে এবং বাংলাদেশের স্বার্থকে উপেক্ষা করা হয়েছে। যা একটি স্বাধীন সার্বভৌম দেশের আত্মমর্যাদা সম্পন্ন জাতি হিসেবে অপমানজনক এবং এটা বাংলাদেশ সরকারের নতজানু পররাষ্ট্রনীতিরই বহিঃপ্রকাশ।

কমরেড খালেকুজ্জামান অবিলম্বে বাংলাদেশ-ভারত সরকারের যৌথ ঘোষণা এবং চুক্তি জনসন্মুখে প্রকাশ করার জোর দাবি জানান। একই সাথে সরকারের নতজানুনীতির প্রতিবাদে এবং
সাম্রাজ্যবাদী ভারতের আগ্রাসী তৎপরতার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন গড়ে তোলার জন্য সকল বাম প্রগতিশীল, দেশপ্রেমিক রাজনৈতিক দল, ব্যক্তি ও গোষ্ঠীর প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান।


এখানে শেয়ার বোতাম