মঙ্গলবার, নভেম্বর ২৪

সন্ত্রাস-দখলদারিত্বমুক্ত গণতান্ত্রিক শিক্ষাঙ্গন নিশ্চিত করার দাবি ছাত্র ফ্রন্টের

এখানে শেয়ার বোতাম

ঢাবি প্রতিনিধি :: শিক্ষার বাণিজ্যিকীকরণ-সাম্প্রদায়িকীকরণ বন্ধ, সন্ত্রাস-দখলদারিত্বমুক্ত গণতান্ত্রিক শিক্ষাঙ্গন নিশ্চিত করার দাবিতে সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টে’র ৩৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত।

আজ ২১ জানুয়ারি সংগঠনটি কেন্দ্রীয় ভাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডাকসু চত্বরে সকাল ১১ টায় ছাত্র সমাবেশ ও মিছিলের মধ্য দিয়ে এই প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করে।

সমাবেশে সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি আল কাদেরী জয়ের সভাপতিত্বে ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাধারণ সম্পাদক রাজীব কান্তি রায়ের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন প্রিন্স, কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক রোখশানা আফরোজ আশা, বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় কমিটির অর্থ সম্পাদক মুক্তা বাড়ৈ, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক শোভন রহমান, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাধারণ সম্পাদক তানজিম সাকিব।

নেতৃবৃন্দ বলেন, আজ যে সময় দাড়িয়ে আমরা প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করছি, সেই সময় বাণিজ্যিকীকরণের থাবা গ্রাস করে নিচ্ছে প্রাথমিক শিক্ষা থেকে উচ্চশিক্ষাসহ শিক্ষার সর্বোচ্চ স্তরে। এখন ভালো স্কুল কলেজের নাম বললে সরকারি স্কুল কলেজের নাম আসে না। যে শিক্ষা ছিল মানুষের অধিকার, সেটা আজ রমরমা বাণিজ্যে পরিণত হয়েছে। আমরা স্তম্ভিত হয়ে যাই যে আমাদের এই রাজধানীতেই সন্ধ্যা ৭ টায়ে একটা মেয়ে ধর্ষিত হয়। আমরা স্তম্ভিত হয়ে যাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ডাকসুর ভিপিসহ তার সংগঠনের উপর কি নৃশংস ভাবে হামলা হয়, অথচ প্রশাসন নির্বিকার থাকে। এর বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য তো ছাত্রসমাজকেই এগিয়ে আসতে হবে। আর সেই লড়াই গড়ে তোলার আহ্বান জানায় সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট।

সমাপনী বক্তব্যে সভাপতি আল কাদেরী জয় বলেন, আমরা এক স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে লড়াই করতে করতে এই সংগঠনের সূচনা করেছিলাম, আজকে কত লড়াই পেরিয়ে আমরা আরেক স্বৈরাচারের মুখে এসে দাঁড়িয়েছি। আমরা দেখেছি এই স্বৈরাচারের ছাত্রসংগঠন কিভাবে সমস্ত ছাত্রসমাজের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে একটি দানবে পরিণত হয়েছে। এদেরকে বিতাড়িত করে স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে লড়াই করা ছাড়া ছাত্রসমাজের মুক্তি আসবে না। আর সেই লড়াই করতে প্রয়োজন ঐক্যবদ্ধ শক্তিশালী সংগঠন।

এই প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে আমরা সারাদেশের নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানাই, সেই সংগঠন গড়ে তোলার জন্য নিজেদেরকে প্রস্তুত করুন।

সমাবেশে শেষে একটি মিছিল বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ এলাকা প্রদক্ষিণ করে শহীদ মিনার হয়ে প্রেসক্লাবে সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে
এসে শেষ হয়।


এখানে শেয়ার বোতাম