বুধবার, এপ্রিল ১৪
শীর্ষ সংবাদ

সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার আহ্বান ডা. জাফরুল্লাহর

এখানে শেয়ার বোতাম
  • 15
    Shares

অধিকার ডেস্ক:: সরকারকে ছাত্রদের দাবি মেনে নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়সহ সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী।

বুধবার জাতীয় জাদুঘরের কবি সুফিয়া কামাল মিলনায়তনে ড. আহমদ শরীফ স্মারক পুরস্কার গ্রহণ করে বক্তৃতাকালে ডা. জাফরুল্লাহ এ কথা বলেন।

ভিডিও বার্তার মাধ্যমে অনুষ্ঠানে স্মারক বক্তৃতা করেন কলকাতার বিশিষ্ট চিন্তাবিদ গবেষক অধ্যাপক ড. প্রথমা রায় মণ্ডল।

আহমেদ শরীফকে উপমহাদেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ চিন্তাবিদ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আহমদ শরীফ প্রচলিত ধ্যান ধারণাকে ভেঙে বিজ্ঞানসম্মতভাবে এবং যুক্তি ও প্রমাণ সাপেক্ষে সবকিছু বিচার করতে চেয়েছেন।’

এরপর ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর হাতে ড. আহমদ শরীফ স্মারক পুরস্কার তুলে দেন অধ্যাপক ড. সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী ও অধ্যাপক আবুল কাশেম ফজলুল হক।

ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী তার বক্তব্যে বলেন, এটি আমার জীবনের প্রথম পুরস্কার নয় তবে অবশ্যই বিশেষ কিছু। এই পুরস্কার আমাকে স্মরণ করিয়ে দিয়েছে আমার অনেক কিছু দেবার বাকি আছে।

জনগণের জন্য তার অসীম দরদ ছিল উল্লেখ করে আহমদ শরীফকে উদ্ধৃত করে তিনি বলেন, ‘স্বাধীনতার ক্ষুদ্র অংশই অর্জিত হয়েছে। কথা বলার ও মুক্তচিন্তার অধিকার এখনো অর্জিত হয়নি।’

তিনি সরকারকে ছাত্রদের দাবি মেনে নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দেবার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, আহমদ শরীফ বেঁচে থাকলে নিশ্চয়ই ছাত্রদের দাবির সাথে একাত্মতা প্রকাশ করতেন। আহমদ শরীফ স্মরণে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক কোনো আয়োজন না থাকায় তিনি বিস্ময় প্রকাশ করেন। পাশাপাশি সরকারকে সর্বস্তরের জনগণের প্রতি সহনশীল আচরণ করার পরামর্শ দেন।

আনু মুহম্মদ তার বক্তব্যে বলেন, লেখক, গবেষক বা শিক্ষক আহমদ শরীফের পূর্ণ পরিচয় বহন করে না। তিনি এর থেকেও বেশি কিছু। আহমদ শরীফের লেখা নিয়ে গবেষণার জন্য ড. প্রথমা রায় মণ্ডলকে তিনি ধন্যবাদ দেন।

তিনি আরও বলেন, আহমদ শরীফকে ইসলাম বিরোধী বলা হলেও বাংলা সাহিত্যে বাঙালি মুসলমানের অবদান জানতে হলে আহমদ শরীফের বিকল্প নেই।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন অধ্যাপক ড. সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক ও ড. নেহাল করিম। এ ছাড়া অনুষ্ঠানে গান পরিবেশন করে বিবর্তন সাংস্কৃতিক কেন্দ্র ও অহমদ শরীফের স্মরণে স্বরচিত কবিতা পাঠ করেন হাসান ফকরী।


এখানে শেয়ার বোতাম
  • 15
    Shares