মঙ্গলবার, মার্চ ৯
শীর্ষ সংবাদ

শুভ জন্মদিন প্রিয়তমা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়

এখানে শেয়ার বোতাম

ইবি প্রতিনিধি :: সালটা তখন ১৯৭৯ আর নভেম্বর মাসের বাইশ তারিখ। স্বাধীন বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠিত প্রথম সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি)। প্রতিষ্ঠার পর থেকে নানা বাধা বিপত্তি পার করে স্বগৌরবে উচ্চ শিক্ষার প্রদীপ্ত মশাল নিয়ে ছুটে চলেছে বিশ্ববিদ্যালয়টি।

শুক্রবার (২২ নভেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়টির ৪০তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী ও ৪১তম বিশ্ববিদ্যালয় দিবস। দিবসটি জাকজমকপূর্ণভাবে উদযাপন উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

কর্মসূচির মধ্যে পতাকা উত্তোলন, শান্তির প্রতীক পায়রা ও বেলুন ওড়ানো, আনন্দ শোভাযাত্রা, ৪১তম বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের কেক কাটা, আলোচনা সভা, বিশ্ববিদ্যালয়ের শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত এবং মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উল্লেখযোগ্য।

শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯টায় প্রশাসন ভবনের সামনে পতাকা উত্তোলন করা হয়। এ সময় জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. হারুন উর রশিদ আসকারী এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের পতাকা উত্তোলন করেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. শাহিনুর রহমান।

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে জাতীয় ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পতাকা উত্তোলন পতাকা উত্তোলন শেষে শান্তির প্রতীক পায়রা অবমুক্তকরণ ও বেলুন ওড়ানো হয়। এরপর উপাচার্য অধ্যাপক ড. হারুন উর রশিদ আসকারীর নেতৃত্বে আনন্দ শোভাযাত্রা বের হয়। শোভাযাত্রাটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ডায়না চত্বরসহ বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে একই স্থানে এসে শেষ হয়।

শোভাযাত্রায় উপস্থিত ছিলেন—উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. শাহিনুর রহমান, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. সেলিম তোহা, প্রক্টর (দায়িত্বপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. পরেশ চন্দ্র বর্মণসহ বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় সভাপতি, শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

শোভাযাত্রা শেষে প্রশাসন ভবনের সামনে ৪১তম বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের কেক কাটা হয়। এরপর আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. হারুন উর রশিদ আসকারী, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. শাহিনুর রহমান, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. সেলিম তোহা প্রমুখ।

এ সময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য বলেন, আজ আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় ৪১-এ পদার্পণ করল। এই ৪০ বছরে নানা চড়াই উতরায় পার করলেও সাফল্যের মুকুটে যুক্ত হয়েছে অনেক পালক। বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারভুক্ত প্রত্যেককে কাজ-কর্ম, আচরণ-চিন্তা সবকিছু দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়টিকে সহযোগিতার করার আহ্বান জানান উপাচার্য।
আলোচনা সভা শেষে দুপুরে জুম্মার নামাজের পর কেন্দ্রীয় মসজিদে বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন, শান্তি-সমৃদ্ধি কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হবে। দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করবেন কেন্দ্রীয় মসজিদের পেশ ইমাম ড. আ শ ম শোয়াইব আহমেদ।

পরে বিকেলে ক্যাম্পাসের বাংলামঞ্চে বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থী ও স্থানীয় শিল্পীদের অংশগ্রহণে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়। অনুষ্ঠানে নৃত্য, গান ও বিশ্ববিদ্যালয় থিয়েটারের আয়োজনে মঞ্চনাটক ‘পন্তা আকালী’ নাটক মঞ্চস্থ হয়।


এখানে শেয়ার বোতাম