মঙ্গলবার, মে ১১
শীর্ষ সংবাদ

শিক্ষার্থীদের জন্য তহবিলের দাবি বাকৃবি ছাত্র ফ্রন্টের

এখানে শেয়ার বোতাম
  • 24
    Shares

বাকৃবি প্রতিনিধি:: করোনা সংকট মোকাবেলায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কন্টিনজেন্সি খাত থেকে শিক্ষার্থীদের জন্য ১০ কোটি টাকার তহবিলের দাবি করেছে সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা।

সংবাদপত্রে প্রকাশের জন্য এক বিবৃতিতে এ দাবি জানান সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট বাকৃবি শাখার সভাপতি ইশরাত জাহান শাপলা ও সাধারণ সম্পাদক প্রবাল রায় প্রান্ত।

লিখিত বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, করোনা ভাইরাস সংক্রমণের প্রতিরোধে সাধারণ ছুটি চলছে দেশজুড়ে। কিন্তু শুধুমাত্র সাধারণ ছুটি ঘোষণা দিয়েই তাকে বাস্তবায়ন করা যায় না। তার জন্য রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে উপযুক্ত পদক্ষেপ নিতে হয়।প্রথমেই শুরু হয়েছে স্বাস্থ্য ও চিকিৎসার সংকট।এর দ্বিতীয় সংকট হিসাবে হাজির হতে পারে খাদ্য ও মানবিক সংকট। যেহেতু সংক্রমণ বিস্তার রোধে প্রায় পূর্ণাঙ্গ ‘লকডাউন’ শুরু হয়েছে, তাই নিম্ন আয়ের মানুষ অর্থ ও সঞ্চয় সংকটে পড়বে। শুরুতেই সঞ্চয়হীন ভাসমান মানুষ, দিনমজুর, বৃদ্ধ-অনাথ-এতিম, রিকশা, ছোট কারখানা, নির্মাণশ্রমিক যাঁরা ‘দিন আনে দিন খান’, তাঁরা লকডাউনের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকেই আয় হীনতার কারণে খাদ্যের সংকটে পড়েছেন।

নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, করোনার কারণে এখন দেশ প্রায় অবরুদ্ধ। কৃষক তাঁর ফসল নিয়ে পড়েছেন বিষম বিপাকে। বাংলাদেশের জাতীয় অর্থনীতি দাঁড়িয়ে আছে কৃষি, তৈরি পোশাকশিল্প এবং প্রবাসী শ্রমিকদের পাঠানো বৈদেশিক মুদ্রা বা রেমিট্যান্সের ওপর। শেষের দুটি কোনো চিরস্থায়ী ব্যবস্থা নয়। কৃষি চিরস্থায়ী।আজ বাংলাদেশ যে খাদ্যে প্রায় স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়ে উঠেছে, তার পেছনে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অবদান বিরাট। এখানকার গ্র্যাজুয়েটরা কৃষি বিভাগকে আধুনিকায়ন করতে ভূমিকা রেখেছেন। ধান, গম, ডাল, তৈলবীজ, ইক্ষু, তরিতরকারি শুধু নয়, ফলমূলের উৎপাদন, পশুপালন, হাঁস-মুরগি পালন, মৎস্য পালন প্রভৃতি ক্ষেত্রে কৃষকদের সহযোগিতা করেছেন।

এমতাবস্থায় দেশের খাদ্য, কৃষি ও অর্থনীতির এই সার্বিক আপদ মোকাবেলায় বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে বলে নেতৃবৃন্দ আশা প্রকাশ করেন এবং একই সাথে ২০১৮-১৯ অর্থবছরের বিশ্ববিদ্যালয়ের বাজেটের কন্টিনজেন্সি বা দৈব খাতকে কাজে লাগিয়ে এই দুর্যোগ পরবর্তী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের আর্থিক ভোগান্তি লাঘবের জন্য নেতৃবৃন্দ প্রশাসনের কাছে তিন দফা দাবী পেশ করেন।

১. বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল শিক্ষার্থীর ৬ মাসের সেমিস্টার ফি মওকুফ করতে হবে।

২. করোনা মহামারীতে অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের শিক্ষার্থীদের ২০০০ টাকা করে নূন্যতম ৬ মাস শিক্ষাবৃত্তি প্রদান করতে হবে।

৩. ২০২০-২১ অর্থবছরে গবেষণা খাতে বর্ধিত বরাদ্দ নিশ্চিত করতে হবে এবং একই সাথে গবেষণার মাধ্যমে ভবিষ্যতে কৃষি ও অর্থনীতির যেকোন জাতীয় সংকট মোকাবেলায় দক্ষ গ্র‍্যাজুয়েট তৈরি নিশ্চিত করতে হবে।


এখানে শেয়ার বোতাম
  • 24
    Shares