মঙ্গলবার, মে ১৮
শীর্ষ সংবাদ

‘শফীকে রাষ্ট্রপতি এবং বাবুনগরীকে প্রধানমন্ত্রী বানানোর পরিকল্পনা’

এখানে শেয়ার বোতাম

অধিকার ডেস্ক:: ২০১৩ সালে মতিঝিলের শাপলা চত্ত্বরে হেফাজতের সমাবেশের উদ্দেশ্য ছিলো সরকার পতনের মাধ্যমে নতুন মন্ত্রিসভা গঠন করা। এ আয়োজনে হেফাজতের প্রয়াত নেতা আহমদ শফীকে রাষ্ট্রপতি এবং জুনায়েদ বাবুনগরীকে প্রধানমন্ত্রী করার পরিকল্পনা ছিলো নেতাদের। নাশকতার মামলায় ঘটনার আট বছর পর রিমান্ডে এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছেন হেফাজতের নেতা মামুনুল হক বলে দাবি পুলিশের।

ব্লগারদের বিরুদ্ধে ইসলাম নিয়ে কটূক্তি করাসহ ১৩টি অভিযোগ নিয়ে ঢাকাকে অবরোধ করার উদ্দেশ্যে ২০১৩ সালে কওমি মাদ্রাসাভিত্তিক সংগঠন হেফাজতে ইসলাম লং মার্চ কর্মসূচি দেয়। এরপর সমাবেশে বিএনপিসহ অনেক রাজনৈতিক নেতা একাত্মতা প্রকাশ করে। এসবের মাধ্যমেই উঠে আসে নাশকতার মাধ্যমে সরকার পতনের পরিকল্পনা।

ডিএমপির মতিঝিল বিভাগের উপ পুলিশ কমিশনার সৈয়দ নুরুল ইসলাম জানান, শাপলা চত্তর থেকে তারা যদি সেদিন বিতারিত না হত তাহলে হয়তো পরের দিন একটা তালেবান রাষ্ট্রের মতো রাষ্ট্র গঠিত হতো। সে সময় তারা বাবুনগরীকে প্রধানমন্ত্রী এবং আহমদ শফিকে রাষ্ট্রপতি করে সিনিয়র নেতাদের নিয়ে মন্ত্রিপরিষদের উপরের কাঠামোও গঠন করেছিল।

এ ঘটনা তদন্তে বাবুনগরীর জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেলে তাকেও আসামি করে চার্জশিট দেওয়া হবে উল্লেখ করে সৈয়দ নুরুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা শুধু দেখবো যে, অপরাধের মানদন্ডে তিনি অপরাধী কিনা এবং তার বিরুদ্ধে অপরাধ প্রমাণের সুস্পষ্ট তথ্য উপাত্ত আমাদের হাতে আছে কিনা। তথ্য উপাত্ত যদি সংগৃহীত হয় তাহলে তাকে আমরা মামলার আসামি হিসেবে গণ্য করবো।’

এদিকে, হেফাজত নেতা মামুনুলকে নারায়ণগঞ্জের ধর্ষণ মামলায় ১০ দিন, রিসোর্টকাণ্ডে হামলায় ঘটনায় ৭ দিন এবং সোনারগাঁও স্থানীয় আওয়ামী লীগ অফিস ভাংচুরের ঘটনায় আরো ৭ দিনের রিমান্ড চাইবে জেলা পুলিশ বলে জানিয়েছেন পুলিশ সুপার জায়েদুল আলম।

মামুনুল হকের বিরুদ্ধে সবশেষ ধর্ষণের মামলা করেছেন দ্বিতীয় স্ত্রী বলে দাবি করা জান্নাত আরা ঝর্ণা। এছাড়াও তার বিরুদ্ধে রাজধানীর বিভিন্ন থানার ১৯টি মামলার তদন্ত চলছে।


এখানে শেয়ার বোতাম