শুক্রবার, ডিসেম্বর ৪

শপিংমলসহ গার্মেন্টস চালু করা জনস্বাস্থ্যের বিরুদ্ধেই অবস্থান

এখানে শেয়ার বোতাম

নারায়ণগঞ্জ সংবাদদাতা :: বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও নারায়ণগঞ্জ জেলা কমিটির সভাপতি জননেতা কমরেড মাহমুদ হোসেন বলেছেন এশিয়ার মধ্যে বাংলাদেশেই করোনা সংক্রমনের হার সবচেয়ে বেশী। দেশে প্রতিদিনই লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে মৃত্যু ও আক্রান্তের সংখ্যা। তাছাড়া করোনা পরীক্ষা ও চিকিৎসার ব্যবস্থায় এখনও গুরুতর বেহাল দশা বিদ্যমান, ফলে সাধারণ মানুষ দূরের কথা সমাজ ও সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরাও করোনার উপযুক্ত চিকিৎসার অভাবে মৃত্যুবরণ করছেন।

এমতাবস্থায় লকডাউন শিথিল করে ঈদের অজুহাতে শপিংমলসহ গার্মেন্টসের মতো শ্রমঘন প্রতিষ্ঠানসমূহ চালু করা জনস্বাস্থ্যের বিরুদ্ধেই অবস্থান নেয়ার সামিল।

মাহমুদ হোসেন বলেছেন জনগণের টেক্স খাজনা ভেট ও বিভিন্ন করের টাকা হতে চলমান খাদ্য সংকট মোকাবিলায় সরকার যে নতুন করে ৫০ লক্ষ গরীব ও নিম্ন আয়ের লোককে অন্তর্ভূক্ত করছেন তাও অনিয়ম ও দুর্নীতি-দলীয়করণের কারণে নতুন সংকট তৈরী করছে। এবং সরকারী দলের নেতাকর্মীরা ত্রানের চাল তেল চুরির মতো এই টাকাও চুরির এক ঘৃণ্য খেলায় মেতে উঠেছে। ফলে অধিকাংশ শ্রমজীবী মেহনতী মানুষ এখনও এই তালিকার বাইরেই রয়ে গেছেন।

তিনি অবিলম্বে করোনা দুর্যোগ মোকাবেলায় শপিংমলসহ গার্মেন্টসের মতো শ্রমঘন প্রতিষ্ঠানসমূহ বন্ধ করে লকডাউন জোরদার করার আহবান করেন। এবং স্বাস্থ্য ব্যবস্থার বেহাল পরিস্থিতির অবসান, অনিয়ম, দুর্নীতি ও দলবাজি বন্ধ করে করোনায় ক্ষতিগ্রস্থ ন্যূনতম ২ কোটি পরিবারের কাছে খাদ্য ও অর্থ পৌঁছানোর দাবি জানান।

শহরের নাগবাড়ীতে আজ ১৭ মে রবিবার সকালে করোনার কারণে কর্মহীন অসহায় শ্রমজীবী মেহনতী মানুষের মধ্যে ঈদ সামগ্রী বিতরণকালে মাহমুদ হোসেন এসব কথা বলেন।

বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির নারায়ণগঞ্জ জেলা কমিটির পক্ষ থেকে এই ঈদ সামগ্রী বিতরণকালে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির নারায়ণগঞ্জ জেলা সাধারণ সম্পাদক আবু হাসান টিপু, সমম্পাদক মন্ডলীর অন্যতমনেতা শ্রমিকনেতা সাইফুল ইসলাম, বিপ্লবী গার্মেন্টস শ্রমিক সংহতির নারায়ণগঞ্জ জেলা কমিটির সভাপতি সুমন হাওলাদার, শ্রমিকনেতা হেলীম সরদার, মোহাম্মদ আলী, আবু সাইদ প্রমূখ।


এখানে শেয়ার বোতাম