শনিবার, মে ৮
শীর্ষ সংবাদ

রুহিয়ার হাঁটগুলোতে এখনো কেউ মানছেনা সরকারি নির্দেশনা

এখানে শেয়ার বোতাম
  • 148
    Shares

গৌতম চন্দ্র বর্মন, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:: বিশ্বব্যাপী করোনা প্রতিরোধের অংশ হিসাবে গন-সচেতনতায় মূল হাতিয়ার হলেও ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার রুহিয়ার ৫ টি ইউনিয়নের গ্রাম পর্যায়ের হাট গুলো মানছেনা কেউ সরকারি নির্দেশনা।

প্রশাসন ও স্থানীয় বিভিন্ন সংগঠনের এত প্রচার প্রচারনার পরেও তারা একে অপরের বাড়ীতে অবাধে চলাফেরা ছোট খাটো বাজারগুলোতে জটলা বেধে আড্ডা দেওয়াসহ গ্রামের মহিলারা তাদের বাসা বাড়ীর কাজ করছেন একে বারে অসচেতন হয়ে।

এছাড়াও গ্রাম পাড়া মহল্লার হোটেল চা ও পানের দোকানগুলো আপাতত সরকারীভাবে বন্ধ রাখার বাধ্যবাধকতা থাকলেও উন্মুক্তভাবেই তারা তাদের ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন। তবে প্রশাসনের লোকজন গেলে তারা তড়িঘড়ি করে দোকানপাট বন্ধ করে পালিয়ে যাচ্ছে। প্রশাসন চলে গেলে আবারো দোকান খুলে দেদারসে বেচাকেনা করছে।

স্বাস্থ্য বিভাগের মতে আপাতত লোকসমাগম কমিয়ে মানুষকে একা একা চলাফেরা করতে হবে। এছাড়াও মানুষকে সামাজিক দুরত্ব কমপক্ষে এক ফিট দুরত্ব বজায় রেখে কথাবার্তাসহ প্রয়োজনীয় বিষয় সাড়তে হবে। না হলে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ করা সম্ভব হবে না। এছাড়াও করোনা আক্রমণের পর থেকে বাইরের জেলায় থাকে এমন লোক নিজ এলাকায় এলে তাকেও ১৪ দিন হোম কোয়ারান্টাইনে বাধ্যতামুলক থাকতে হবে। কিন্তু তা মানছে না জেলার বাইরে থেকে রুহিয়ার আসা মানুষেরা।

৩১ মার্চ সোমবার সরেজমিনে,উপজেলার,বৈরাগীহাঁট, মুস্নিরমার্কেট, চুয়ামুনি, পাটিয়াডাঙ্গী, উত্তরা, ঘুরনগাছ, সেনিহাড়ী, গুনজুরা, তালতলি , ঢোলার হাঁট, ঝলঝলী সহ অনন্ত ২০ গ্রামের বিভিন্ন অলিগলি ঘুরে ঘুরে এ চিত্র দেখা মিলে।

উপজেলার পাটিয়াডাঙ্গী হাটে দেখা যায়, আনারুল ও রেজাউল করিম নামে দুজন ভেনে জটলা বসে আছে। বৈরাগী হাটের মনমোহন চা ব্যবসায়ী ও ঢোলারহাঁট বাজারের অনিত্য চা দোকান খুলে দেদারশে বেচা কেনা করছে। এমনি অবস্থা উপজেলার প্রায় প্রত্যেক গ্রামের।এছাড়াও গ্রামের মহিলারা মুখে মাস্ক না পড়ে অবাধে সংসারের যাবতীয় কার্যক্রম যেমন, মাঠে গরু বাধা, রান্না করা বর্তমানে গম মেড়ে তা বস্তায় ভরা কাজগুলো একে বারে অসচেতনভাবে করছে।

এছাড়াও বর্তমানে ধান ক্ষেতে আগাছা পরিস্কার করে কীটনাশক দেওয়ার কাজ চলছে। কৃষকরা কাজের ভীড়ে বাড়ী যেতে না পেরে অ-পরিচ্ছন্ন হয়ে মাঠে বসেই সামান্য পানি দিয়ে হাত ধুয়ে দুপুরের খাওয়া করছে।এদিকে জেলার বাইরে থেকে ঢাকা কুমিল্লা চট্রগ্রাম নোয়াখালী থেকে এসেছে তারাও নিয়মনীতি না মেনে অবাধে হাটে বাজারে ঘুরা ফেরা করছেন। এদের কেউ দমাতে পারছে না।সচেতন মহলের দাবি প্রশাসন যেনো খোঁজ খবর নিয়ে দ্রুত সময়ের মধ্যে ঢাকা থেকে আগত ব্যক্তিদের তালিকা সংগ্রহ করে হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকার জন্য কঠোর নির্দেশনা প্রদান করেন। তবেই একদিকে যেমন সরকারের নির্দেশনা বাস্তবায়িত হবে অন্যদিকে করোনা ভাইরাস সংক্রমনের ঝুঁকি কমবে বলে মনে করছেন চিকিৎসক মহল।


এখানে শেয়ার বোতাম
  • 148
    Shares