মঙ্গলবার, নভেম্বর ২৪

রাষ্ট্রায়াত্ত্ব পাটকল কর্মকর্তাদের চুরির দায় শ্রমিকেরা কেন নেবে ?

এখানে শেয়ার বোতাম
  • 19
    Shares

অধিকার ডেস্ক:: রাষ্ট্রায়াত্ত্ব পাটকলসমূহ বন্ধ করার আমলাতান্ত্রিক সিদ্ধান্ত অবিলম্বে বাতিল করুন। রাষ্ট্রায়াত্ত্ব পাটকল কর্মকর্তাদের চুরির দায় শ্রমিকেরা কেন নেবে ? এমন প্রশ্ন করে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক রাষ্ট্রায়াত্ত্ব পাটকল রক্ষায় আগামীকাল দেশব্যাপী সংহতি সমাবেশ সফল করার আহবান জানিয়েছেন।

বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক রাষ্ট্রায়াত্ত্ব ২৫টি পাটকল বন্ধের আমলাতান্ত্রিক সিদ্ধান্ত বাতিল করে রাষ্ট্রের সম্পত্তি রাষ্ট্রের কাছে রাখার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন এবং বলেছেন জনগণের সম্পত্তি রাষ্ট্রায়াত্ত্ব পাটকলসমূহ যে নামেই হোক কোনভাবেই লুটেরাদের হাতে তুলে দেবার কোন অবকাশ নেই। তিনি বলেন, মহামারী দুর্যোগের এক কঠিন প্রতিকুল সময়ে শ্রমিকসহ জনগণের প্রতি দায়বদ্ধ কোন সরকার এইভাবে ৫০ হাজার শ্রমিকের জীবিকা কেড়ে নিতে পারে না। তিনি বলেন, বিজেএমসিসহ পাটকলের দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের চুরি-দুর্নীতির জন্য শ্রমিকেরা কেন শাস্তি পাবে। তিনি উল্লেখ করেন, পাটকলে লোকসানের যে কথা বলা হচ্ছে তার দায়দায়িত্ব কোনভাবেই শ্রমিকদের নয়। তিনি বলেন ১২০০ শত কোটি টাকা দিয়ে মিলগুলোকে আধুনিকায়ন করে যেখানে কয়েকগুণ উৎপাদন বৃদ্ধি করে যেখানে পাটশিল্পের সোনালী অধ্যায় ফিরিয়ে আনা সম্ভব ছিল সেখানে সরকার এখন কয়েকগুণ টাকা বাড়তি খরচ করে পাটকল বন্ধ করে দিচ্ছে মুষ্টিমেয় লুটেরাদের স্বার্থে। তিনি বলেন, ৬২ হাজার কোটি টাকা বিদ্যুৎ উৎপাদনে কুইক রেন্টালের জন্য ভর্তুকী দিতে পারলে রাষ্ট্রায়াত্ত পাটকল আধুনিকায়ন করে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির জন্য এটুকু করা যাবে না কেন ?

তিনি রাষ্ট্রায়াত্ত্ব পাটকল বন্ধের সরকারি সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবিতে আগামীকাল বামজোট আহুত দেশব্যাপী ‘সংহতি সমাবেশ’ সফল করার আহ্বান জানান।

আজ বিকালে সেগুনবাগিচায় কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে পার্টির ঢাকা মহানগর কমিটির সভায় তিনি উপরোক্ত আহ্বান জানান।

পার্টির ঢাকা মহানগর কমিটির সভাপতি আকবর খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় আরো বক্তব্য রাখেন মহানগর কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোফাজ্জল হোসেন মোশতাক, স্নিগ্ধা সুলতানা ইভা, ইমরান হোসেন, আবুল কালাম আজাদ, সাইফুল ইসলাম, জোনায়েত হোসেন, মোহাম্মদ আলমাস, বিলকিস বেগম প্রমুখ।

সভায় গৃহীত অপর এক প্রস্তাবে ক্ষোভের সাথে বলা হয় দুই মাস পার হয়ে যাবার পরও এখনও পর্যন্ত বিদ্যুতের ভুতুড়ে বিল সমন্বয় করা হয়নি। সভার প্রস্তাবে অনতিবিলম্বে বিদ্যুতের এই ভুতুড়ে বিলের হয়রানি থেকে জনগণের মুক্ত করার দাবি জানানো হয়।

সভায় পার্টির ঢাকা মহানগরের সাংগঠনিক বিষয়াদি নিয়েও আলোচনা করা হয়।


এখানে শেয়ার বোতাম
  • 19
    Shares