বুধবার, মার্চ ৩
শীর্ষ সংবাদ

রামগঞ্জে জরাজীর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ ভবনেই চলছে শিক্ষার্থীদের পাঠদান

এখানে শেয়ার বোতাম

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি:: লক্ষ্মীপুর জেলার রামগঞ্জ উপজেলার ১০নং ভাটরা ইউনিয়নের ভাটরা ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার জরাজীর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ ভবনেই চলছে শিক্ষার্থীদের পাঠদান।

(১৭ সেপ্টেম্বর) মঙ্গলবার,ইউনিয়নের একাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিদর্শনের পর ভাটরা ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার সরেজমিনে ঘুরে এ তথ্য নিশ্চিত করেন গণমাধ্যমকর্মী।

মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা প্রিন্সিপাল হাফেজ মাওলানা গোলাম মোস্তফা গণমাধ্যমকে বলেন, মাদ্রাসাটি প্রতিষ্ঠিত হয় প্রায় ১৯৮৫ সালের আগে। আমি আসার পর মক্তবের মত ছোট্ট একটি ঘর ছিল। এখন এই মাদ্রাসার নতুন একটি ভবন হয়েছে প্রায় ৬৭ লাখ টাকার । তবে মাদ্রাসার পর্যাপ্ত ভবন না থাকায় জরাজীর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ ভবনেই শিক্ষার্থীদের পাঠদান করানো হচ্ছে।

তিনি আরো বলেন,নতুন ভবনটি ৫ তলা ফাউন্ডেশনের উপর করা হয়েছে। ভবনটির ৫ তলা ফাউন্ডেশন হলেও মাত্র একতলা করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের পরিপূর্ণতা দেওয়ার জন্য এই ভবনের উপরে আপাতত আরো একটি ভবন আমাদের খুবই প্রয়োজন।

মাদরাসার সহকারি শিক্ষক মাওলানা মোহাম্মদ হারুনুর রশিদ সাংবাদিককে বলেন, প্রতিষ্ঠালগ্নের পর থেকে এখনো পর্যন্ত মাদ্রাসার ভবনটি দাঁড়িয়ে আছে বাঁশের উপর। বৃষ্টির সময় হলে ভবনের ভিতরে অধিক পরিমাণে পানি পড়ে। পর্যাপ্ত পরিমাণে পাখা নেই ও বৈদ্যুতিক বাতিও নেই। বৃষ্টির সময় আকাশ কালো হলে মনে হয় যেন রাতের অন্ধকারের মত শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা করতে হয়।

মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা বলেন, আমরা এই মাদ্রাসার ভবনটির পূর্ণ সংস্কার চাই। পর্যাপ্ত পরিমাণ ভবন না থাকায় আমাদের পড়াশোনা করতে সমস্যা হচ্ছে। আমরা চাই সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগন বিষয়টি আমলে নিবেন।

মাদ্রাসার গভর্নিং বোর্ডের সভাপতি ম,হ,ম আলী কবীর মামুন জানান, মাদ্রাসার ভবনের উন্নয়নের জন্য গত কয়েকদিন আগে ইঞ্জিনিয়ার এসে মাদ্রাসার জরাজীর্ণ ঝুঁকিপূর্ণ ভবন পরিদর্শন করেছেন। আমরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করছি।আশা করছি এর একটা সমাধান হবে।

ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মুহাম্মদ আবুল হোসেন মিটু সাংবাদিককে বলেন, আমি সরজমিনে ঘুরে দেখেছি মাদ্রাসাটি খুবই জরাজীর্ণ ঝুঁকিপূর্ণ। ইউনিয়ন পরিষদের নিজস্ব অর্থায়নে প্রায় (৫ পাঁচ) লক্ষ টাকা ব্যয় করে মাদ্রাসার নতুন একটি ভবন নির্মাণ করেছি। ঝুঁকিপূর্ণ ভবনটা নিয়ে আমরা বিভিন্ন মাধ্যমে আলোচনা করেছি। উপজেলা নির্বাহি অফিসার ও প্রকৌশলীর সাথে আমরা আলোচনা করব, যেন খুব দ্রুত ঝুঁকিপূর্ণ ভবনটি পূর্ণ সংস্কার হয়।এই মাদ্রাসায় দাখিল পরীক্ষার কেন্দ্র করার ব্যাপারেও আমরা ভাবছি।


এখানে শেয়ার বোতাম