মঙ্গলবার, এপ্রিল ১৩
শীর্ষ সংবাদ

রক্তের আখরে লেখা নাম কমরেড তাজুল ইসলাম

এখানে শেয়ার বোতাম
  • 524
    Shares

মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম::

১৯৮৪ সালের ১ মার্চ কাস্তে-হাতুড়ি খচিত কমিউনিস্ট পার্টির লাল পতাকায় আচ্ছাদিত হয়ে আদমজীর প্রিয় শ্রমিকনেতা ‘তাজু ভাই’- বিপ্লবের লাল ফুল কমরেড তাজুল ইসলাম- আমাদের কাছ থেকে চিরবিদায় নেন। এ দেশের শ্রমিক আন্দোলন, স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন এবং কমিউনিস্ট আন্দোলনের ইতিহাসে রক্তের আখরে লেখা হয় কমরেড তাজুল ইসলামের নাম। তার বিপ্লবী স্মৃতির স্মরণ শ্রদ্ধায়, গর্বে, আবেগে আমাদের মস্তক অবনত হয়ে আসে। বিপ্লবী উদ্দীপনায় উজ্জীবিত হই আমরা।

কমরেড তাজুলের মৃত্যু নিছক কোনো দুর্ঘটনা ছিলো না। জেনে-বুঝে, সচেতনভাবেই তিনি শ্রমিক আন্দোলন করার প্রচারে নামেন। মৃত্যু ভয়কে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে হাসিমুখেই মৃত্যুকে আলিঙ্গন করেছেন তিনি। এ মৃত্যু বীরোচিত। এ মৃত্যু অনন্য সাধারণ। এই মৃত্যু তাজুলকে দিয়েছে অমরত্ব।
মৃত্যুই কেবল নয়, মৃত্যুর আগের ৩৪ বছরের তাজুলের যে সংক্ষিপ্ত জীবন, সেটাও এক মহৎ বীরত্বগাঁথা। তার মৃত্যুর মহিমার চেয়ে সে জীবনের মহত্ব কোনোভাবেই কম নয়।

কমরেড তাজুলের ছিলো সংগ্রামময় এক অনন্য সাধারণ জীবন। দরিদ্র পরিবারের মাতৃহারা সন্তান তাজুলের কৈশোরের একটা সময় কেটেছে গৃহভৃত্যের কাজ করে আর আইসক্রিম বিক্রি করে। পড়াশুনার প্রতি প্রবল আগ্রহের কারণে, জীবিকার প্রশ্নকে পিছনে ফেলে তাজুল পার করেছেন শিক্ষাজীবনের বিভিন্ন পর্ব। তিনি ছিলেন ছাত্র হিসেবে মেধাবী। কলেজের পাঠ শেষ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতি বিভাগে (যে বিভাগে সবচেয়ে ভাল ছাত্ররাই কেবল ভর্তি হওয়ার সুযোগ পায়) অধ্যয়ন শুরু করেন। অনার্স পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলেও, সাবসিডিয়ারি অনিয়মের জন্য তার এম এ পরীক্ষার রেজাল্ড উইথহেল্ড হয়ে থাকে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সেরা বিভাগের সর্বোচ্চ ডিগ্রি ছিল তার নাগালের মধ্যে।

পড়াশুনার পাশাপাশি কমরেড তাজুল ইসলাম ছাত্র আন্দোলনে রেখেছেন অসামান্য ভূমিকা। স্কুল জীবনেই তিনি প্রগতিশীল ছাত্র সংগঠন তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়নের সাথে যুক্ত হন। সেই চেতনা ও দায়িত্ববোধ সযত্বে ধারণ করেই তিনি প্রবেশ করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। সেখানে এসে হয়ে ওঠেন ছাত্র ইউনিয়নের অগ্রণী জঙ্গি সংগঠক। ছাত্র ইউনিয়নের নির্দেশে তখনকার সময়ের সাংগঠনিকভাবে সবচেয়ে প্রতিকূল ও সবচেয়ে দুর্বল এসএম হলের ছাত্র হিসেবে নাম লিখিয়ে সেই হলে তাজুল ইসলাম থাকতে শুরু করেন। সেখানে কেবল ছাত্র ইউনিয়নের শাখা সংগঠন ও প্রকাশ্য তৎপরতাই নয়, অল্প দিনের মধ্যেই সেখানে শহীদ নিজামউদ্দিন আজাদ, শহীদ লুৎফুল আজিম, আবুল কালাম আজাদ ও মিজানুর রহমান। তাজুল দ্বিধাহীনচিত্তে ঝাঁপিয়ে পড়েন ’৭১-র মহান মুক্তিযুদ্ধে। ন্যাপ-কমিউনিস্ট পার্টি-ছাত্র ইউনিয়নের যৌথ গেরিলা বাহিনীর অধীনে সীমান্তের ওপারে আগরতলায় বরদোয়ালি ক্যাম্পে নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করেন তিনি। স্বাধীনতার পর বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় কিিমটর প্রচার সম্পাদকসহ ছাত্র আন্দোলনের বিভিন্ন দায়িত্ব তিনি পালন করেন। ১৯৭৩ সালে তাজুল বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির সদস্য পদ লাভ করেন। তখন থেকেই ভাবতে থাকেন যে ছাত্র জীবন শেষ করে তিনি শ্রমিকদের মাঝে বিপ্লবী ট্রেড ইউনিয়ন গড়ার কাজে আত্মনিয়োগ করবেন। ১৯৭৫ এরপরে ছাত্র আন্দোলনের দায়িত্ব পালন করার শেষ দিকে, ছাত্র থাকা অবস্থাতেই তিনি আদমজীতে শ্রমিক আন্দোলন সংগঠিত করার কাজে নিজেকে যুক্ত করেন। উচ্চশিক্ষিত মধ্যবিত্ত তরুণ হিসেবে এ ছিলো এক কঠিন চ্যালেঞ্জ।

’৬৯-এর গণঅভ্যুত্থানের পরে পরেই কমিউনিস্ট পার্টি মেহনতি মানুষকে আরো ব্যাপকভাবে সংগঠিত করার ও দেশব্যাপী কৃষক, শ্রমিক আন্দোলনকে আরো বেগবান করার পরিকল্পনা গ্রহণ করে। এজন্য আত্মত্যাগের মনোভাব নিয়ে তরুণ পার্টি-ক্যাডারদের শ্রমিক, কৃষক আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়ার প্রয়োজনীয়তা তীব্র হয়ে ওঠে। ছাত্র আন্দোলন থেকে বিদায় নিয়ে এক ঝাঁক তরুণ কমরেড তখন যুক্ত হন শ্রমিক ও কৃষক আন্দোলনে। এরই ধারাবাহিকতায় নিজস্ব আগ্রহ ও উদ্যোগে কমরেড তাজুল তাদের সাথে যুক্ত হয়ে কাজ শুরু করেন শ্রমিকদের মধ্যে। পার্টি তাকে দায়িত্ব দেয় আদমজীর শ্রমিকদের মাঝে পড়ে থেকে সেখানে ট্রেড ইউনিয়ন ও পার্টির কাজ করার। কঠোর একাগ্রতা ও বিপ্লবী নিষ্ঠার সাথে সেই দায়িত্ব পালনে কমরেড তাজুল সর্বশক্তি দিয়ে কাজে নেমে পড়েন।

কমরেড আলী আজম, কমরেড লাল মিয়া, কমরেড বাশার প্রমুখ কয়েকজনের যে ছোট পার্টি টিম পাকিস্তান আমল থেকে আদমজীতে সক্রিয় ছিল, কমরেড তাজুল তাদের সাথে যুক্ত হয়ে কাজ শুরু করেন। শ্রমিকদের সাথে একাত্ম হওয়ার প্রয়োজনে এবং ক্রমবর্ধমান দৈনন্দিন কাজগুলো দক্ষভাবে পরিচালনার জন্য তাজুল তার বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রির কথা গোপন রেখে স্বেচ্ছায় আদমজীতে সাধারণ বদলী শ্রমিকের কাজ নেন। বসবাস করতে শুরু করেন আদমজীর শ্রমিক কলোনিতে। কিছুদিন পরে তার স্ত্রী ও সন্তানদেরও তিনি নিয়ে আসেন তার সেই ‘ঢাকা বাজু’র বস্তিঘরে। আদমজীনগর হয়ে ওঠে তাজুলের আসল ঠিকানা।

আদমজীতে বিপ্লবী ধারার ট্রেড ইউনিয়ন গড়ে তোলার কাজ জোরদার হয়ে ওঠে তাজুলের দক্ষ পরিচালনায়। তিনি হয়ে ওঠেন আদমজী মজদুর ট্রেড ইউনিয়নের অন্যতম কেন্দ্রীয় ব্যক্তিত্ব ও কার্যত তার মূল নেতা। বিপ্লবী তৎপরতার মধ্য দিয়ে কমরেড তাজুল অল্পদিনের মধ্যেই হয়ে ওঠেন সাধারণ শ্রমিকদেরও প্রিয় নেতা, প্রিয় ‘তাজু ভাই’। শ্রমিকদের নিজস্ব দাবিতে আদমজীতে শ্রমিকদের সংগঠিত করার মুখ্য দায়িত্ব নিষ্ঠার সাথে পালন করেন তিনি। শ্রমিক আন্দোলনের পাশাপাশি সামরিক স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে, গণতন্ত্র ও গণতান্ত্রিক অধিকারের সংগ্রামে শ্রমিকশ্রেণির অংশগ্রহণ বাড়ানোর জন্য তিনি সবসময় যতœবান ছিলেন। তাছাড়া মানবমুক্তির মহান আদর্শ, সমাজতন্ত্র-সাম্যবাদের লক্ষ্যে শ্রমিকশ্রেণিকে জাগিয়ে তুলতে, সংগঠিত করতে তিনি নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়েছেন। পার্টির একটা শাখার সম্পাদক এবং সাপ্তাহিক একতার এজেন্ট হিসেবে নিষ্ঠার সাথে একটানা নিরলস দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। অর্থকষ্ট, অকান্ত পরিশ্রম, পারিবারিক সঙ্কট কোনো কিছুই তাকে দমাতে পারেনি।

কমরেড তাজুল যেমন প্রিয় ছিলেন আদজমীর শ্রমিকদের, আবার টার্গেটও ছিলেন স্বৈরাচারের পেটোয়া গু-া বাহিনীর। তাজুলসহ কমিউনিস্ট কর্মীরা ১৯৮৪ সালের ১ মার্চের ধর্মঘটকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছিলেন। অন্যদিকে ধর্মঘট বানচালেরও চক্রান্ত চলে। প্রশাসনের সাথে সাদু ও রবের আঁতাত হয়। টার্গেট হন শ্রমিকদের প্রিয় নেতা কমরেড তাজুল। ধর্মঘটের সমর্থনে গভীর রাতে বের হওয়া মিছিলে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালায় সরকার সমর্থক গু-ারা। লাঠি, লোহার রড, চাকুর আঘাতে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন তাজুল। সবাইকে বেদনার্ত রেখে, ঘাতকদের উন্মক্ততায় চিরবিদায় নিতে হয় তাকে।

মুক্তিযুদ্ধের পর পরেই মুজিব বাহিনীর দ্বারা আক্রান্ত হওয়ার পর, বন্ধু আবুল কালাম আজাদকে তাজুল বলেছিলেন, মরতে হয় দু বন্ধু এক সাথে কমিউনিস্ট ইন্টারন্যাশনাল গাইতে গাইতে মরবো। আমাদের কমরেডরা যেন জানতে পারে আমরা কাপুরুষতার পরিচয় দেইনি, বীরের মতো মরেছি। শ্রমিকদের মিছিলের সামনে দাঁড়িয়ে শ্লোগান দিতে দিতে ঘাতকদের উন্মক্ত হামলায় বীরের মতো জীবন দিয়ে তাজুল তার সেই অসীম সাহসী প্রত্যয়কে সত্য প্রমাণ করে গেলেন। ঘাতকের উন্মত্ততায় মৃত্যু মুহূর্তে হয়তো তিনি ইন্টারন্যাশনাল গাইতে পারেননি। কিন্তু তার মৃত্যুর পর হাজার হাজার কমরেড সুউচ্চ কণ্ঠে গেয়েছেন কমিউনিস্ট ইন্টারন্যাশনাল। কমরেড তাজুলের মৃত্যুর খবর দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়েছিল সারাদেশে। তার মৃত্যুতে স্বৈরাচারবিরোধী গণতান্ত্রিক আন্দোলন পেয়েছিল নতুন মাত্রা, তীব্র থেকে হয়ে ওঠেছিল তীব্রতর। সংগ্রামী মেজাজে উদীপ্ত হয়ে ওঠেছিল শ্রমিকরা।

প্রচলিত সমাজ ব্যবস্থায় নিছক একজন ব্যক্তি মানুষ হিসেবে আত্মপ্রতিষ্ঠার সব রকম সুযোগ ছিলো তাজুলের। কিন্তু তিনি সে পথে পা বাড়াননি। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও সর্বোচ্চ ডিগ্রি থেকে সাধারণের চেয়ে অনেক বেশি ‘নিরাপদ জীবন’ উপহার দিতে পারতো। কিন্তু তিনি সচেতনভাবেই প্রত্যাখ্যান করেছেন সেই ‘নিরাপদ জীবনে’র হাতছানি, আত্মপ্রতিষ্ঠার সকল সুযোগ। বেছে নিয়েছেন যথার্থ বিপ্লবীর জীবন। যে জীবন ভোগের নয়, ত্যাগের। যে জীবন শুধু আপনার জন্য নয়, মানুষের জন্য নিবেদিত। কমরেড তাজুল অবতীর্ণ হয়েছিলেন সমাজ বিপ্লবের প্রকৃত যোদ্ধা হিসেবে লড়াই করার এবং সেজন্য নিজেকে তৈরি করার যুদ্ধে।

আয়েশী মধ্যবিত্ত জীবনের প্রলোভন, আত্মপ্রতিষ্ঠার হাতছানি, পারিবারিক পিছুটান- কোনো কিছুই কমরেড তাজুলকে তার আদর্শ-লক্ষ্য এবং বিপ্লবী জীবন থেকে বিচ্যুত করতে পারেনি। একজন কমিউনিস্ট হিসেবে অর্পিত দয়িত্ব যথাযথভাবে পালন করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করে গেছেন তিনি। কঠোর একাগ্রতা ও বিপ্লবী জেদ ছিল তার সহজাত বৈশিষ্ট্য। তার বিপ্লবী কর্মকা-ে তার জীবন সাথী ও সহযোদ্ধা কমরেড নাছিমা ইসলাম যে সহযোগিতা ও প্রেরণা যুগিয়েছেন, তা এ প্রসঙ্গে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।

তাজুলের প্রিয় আদমজীতে এখন আর ভেঁপু বাজে না। হাজার হাজার শ্রমিকের জীবনে নেমে এসেছে চরম অন্ধকার। তাজুলের গ্রহণযোগ্যতা, নেতৃত্বের গুণাবলী স্পষ্ট হয় আদমজী’র শ্রমিকদের বেদনার্ত হাহাকারে, ‘তাজু ভাই বেঁচে থাকলে আপোষকামী, টাউট, প্রতিক্রিয়াশীল নেতৃত্বকে উচ্ছেদ করে ট্রেড ইউনিয়ন আন্দোলনের সংগ্রামী ঐতিহ্য ও ধারাবাহিকতা রক্ষা করে বিপ্লবী ধারার ট্রেড ইউনিয়ন আন্দোলনকে এগিয়ে নিতে কমরেড তাজুলের মতো বিপ্লবী প্রাণ উদ্দীপ্ত তরুণের আজ বড়ই প্রয়োজন। সাম্রাজ্যবাদ, দুঃশাসন, সাম্প্রদায়িকতার বিষাক্ত ছোবল থেকে বিপন্ন দেশ, বিপন্ন মানুষ বাঁচাতে, সমাজপ্রগতির ঝা-াকে অগ্রসর করে নিতে চাই অসংখ্য তাজুল।

জীবন-মৃত্যুর লড়াইয়ে পরাজিত হননি কমরেড তাজুল। ‘জন্মিলে মরিতে হবে অমর কে কোথা রবে!’ কবির এই কথাকে ভুল প্রমাণ করেছেন তিনি। তাজুলের জীবন-প্রদীপ নিভে গেছে। কিন্তু তার মৃত্যু নেই। মহৎ আদর্শ এবং মহৎ জীবনের কোনো মৃত্যু নেই। তাজুল চিরঞ্জীব। তার বিপ্লবী জীবন আমাদের প্রতিদিনের লড়াইকে বিপ্লবী স্পন্দনে অনুরণিত করে চলেছে। প্রতিনিয়ত এক আশ্চর্য আলোকচ্ছ্বটায় আলোকিত করে চলেছে সবাইকে। স্মৃতির ধূসর ক্যানভাসে তাজুল হারিয়ে যেতে পারে না। কেবলমাত্র গতানুগতিক শহীদ দিবস পালনের মধ্য দিয়ে নয়, তার আদর্শ বাস্তবায়নের মাধ্যমেই তার প্রতি যথার্থ শ্রদ্ধা নিবেদন সম্ভব। তার রক্তপতাকা হাতে আমরা চলছি অবিরাম। সমাজপ্রগতির লড়াইয়ে তার বিপ্লবী জীবনের আহ্বান উদ্দীপ্ত করে চলেছে বিপ্লবীকর্মীদের, ছড়িয়ে পড়ছে এক প্রজন্ম থেকে আরেক প্রজন্মের কাছে। জীবন দিয়ে কমরেড তাজুল বিপ্লবের যে দীপশিখা জ্বেলে গেছেন, তা কি কখনো নিভে যেতে পারে?
কমরেড তাজুল, লাল সালাম!

লেখক : সভাপতি, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি


এখানে শেয়ার বোতাম
  • 524
    Shares