রবিবার, মে ১৬
শীর্ষ সংবাদ

যুক্তরাষ্ট্রে আরও বেশি মানুষ মারা যাবে, জানালেন ট্রাম্প

এখানে শেয়ার বোতাম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:: মৃত্যুর মিছিলে ইউরোপ বিধ্বস্ত। যুক্তরাষ্ট্রের জন্যও খারাপ দিন আসছে—এই আশঙ্কার কথা শোনা যাচ্ছিল বেশ কিছুদিন ধরেই। গত কয়েক দিনে সেই আশঙ্কা অনেকটাই সত্যে পরিণত হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক, নিউ জার্সি, মিশিগান ও লুইজিয়ানায় প্রাণহানি বেড়েই চলেছে। এই পরিস্থিতিতে আরও খারাপ খবরই দিলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি যুক্তরাষ্ট্রবাসীকে আরও খারাপ অবস্থার জন্য প্রস্তুত হতে বলেছেন। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যে আগামী কয়েক দিনে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও বেশি মানুষ মারা যাবেন। খবর বিবিসি ও আল–জাজিরার।

স্থানীয় সময় শনিবার (৪ এপ্রিল) হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান ট্রাম্প। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলোয় ট্রাম্পের বরাত দিয়ে জানানো হয়, করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাবের সবচেয়ে কঠিন সপ্তাহে প্রবেশ করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

যুক্তরাষ্ট্রে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত মানুষের সংখ্যা তিন লাখ ছাড়িয়ে গেছে। এ পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ৮ হাজারেরও বেশি মানুষের। এর মধ্যে নিউইয়র্কেই মারা গেছেন সাড়ে তিন হাজারের বেশি মানুষ। নিউইয়র্কে শনিবার ৬৩০ জনের প্রাণহানি নতুন রেকর্ড সৃষ্ট হয়েছে।

এই পরিস্থিতিতে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, দুর্ভাগ্যবশত (করোনা সংক্রমণের ফলে) আরও অনেক মানুষের মৃত্যু হবে। আশঙ্কা করা হচ্ছে, চলতি সপ্তাহ এবং আগামী সপ্তাহে সম্ভবত সবচেয়ে কঠিন সময় হতে চলেছে।

পরিস্থিতি মোকাবিলার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা করোনাকবলিত অঙ্গরাজ্যগুলোতে বিপুল মাত্রায় সামরিক সহায়তা দিতে কাজ করছি। হাজার হাজার সেনা, চিকিৎসক, নার্স যুক্ত করার কাজ চলছে। শিগগিরই নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যে প্রায় এক হাজারসহ করোনায় জর্জরিত অন্যান্য রাজ্যেও বিপুল সেনা ও চিকিৎসককে যুক্ত করা হবে বলে জানান মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

প্রতিরক্ষা ও মেডিকেল সামগ্রীর উৎপাদন ও রপ্তানি–সংক্রান্ত নিয়ন্ত্রণক্ষমতা আরোপের ব্যাখ্যা দেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, মাস্ক তৈরির প্রতিষ্ঠান ‘থ্রিএম’–এর প্রতি অসন্তোষ প্রকাশ করে তিনি বলেন, তাঁদের মাস্ক রপ্তানির চেয়ে দেশের প্রতি দায়িত্বশীল হওয়া দরকার।

জার্মানিতে পাঠানোর সময় দুই লাখ মাস্ক কেড়ে নেওয়ার অভিযান নাকচ করে দিয়েছেন ট্রাম্প, যা বিশ্বে ‘আধুনিক দস্যুতা’ হিসেবে প্রচার হয়েছে। ট্রাম্প সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার কড়াকড়ি কিছুটা শিথিল করার বিবেচনার কথা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, প্রতিরোধব্যবস্থা সমস্যার চেয়ে খারাপ কিছু হতে পারে না। ইস্টার সার্ভিসের জন্য কড়াকড়ি কিছুটা শিথিল করা হবে।


এখানে শেয়ার বোতাম