সোমবার, নভেম্বর ৩০

যাত্রা

এখানে শেয়ার বোতাম
  • 9
    Shares

ইভান অরক্ষিত::

তোমার শহরে যেতে চৌকাঠ পেড়িয়েছি হামাগুড়ি দিয়ে,
লক্ষীর পা আকা উঠোনে এসে
সজোরে কেদেছি শুধু কাদব বলে,
ছাতিমের চুড়া থেকে অসংখ্যবার ঝাঁপ দিলাম মাতামহীর পুকুরে,
শুধু নিশানা তাক করার জন্য একটা পাহাড়
হত্যা করে ফেললাম ঢিল ছুড়ে ছুড়ে
আলোতে অন্ধকারে, ভোরে ও রাতে, গোধুলিতে,
বর্ষা শীত গ্রীষ্ম এবং ঝড় বন্যায় উন্মাদের মতো।
কষে দম দিলাম সিদ্ধার্থে
বিনা জলেই গিলে ফেললাম কয়েক পেয়ালা মহাসমূদ্র এবং
হয়তো কোন উইঢিবিও ভেঙেছি
পাখিদম্পতিকে হত্যা করেছি বর্বর ঘাতকের মতো,
তোমার অন্তঃস্বারের দিকে যেতে যেতে
আমি কবিতাও লিখেছি নির্লজ্জের মতো!
নামধারী শান্তির যুদ্ধে আমি, প্রথমে একটি নির্বোধ যোগী
তারপর একটি বোধহীন বালির ঢিবি হয়েছিলাম,
কালের বাতাস তাকে বয়ে নিয়ে গেছে,
হয়তো কিছুটা ধুলো, সমূদ্রে ডুবেছিল কে জানে হিসাব,
পৃথিবীর তিনভাগ জল কি না নথিপত্রে!
হে মহাজীবন তুমি স্পর্শ করো,
এই নাও ডান হাত, বাম হাত, পাজড়ের সবকটা হাড়,
সমস্ত বেদনাকে নির্বিবাদে
সজোরে যে বুকে চেপে মহাশ্মশানের মতো নিস্পন্দিত
সেইসব প্রসারিত হাত আর বক্ষকে বরণ করো।


এখানে শেয়ার বোতাম
  • 9
    Shares