রবিবার, জানুয়ারি ১৭

মুশফিক গোল্ডেন ডাক, দশ বলে সাব্বিরের শূন্য, ঢাকা ৮৮ অলআউট

এখানে শেয়ার বোতাম
  • 13
    Shares

অধিকার ডেস্ক:: বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপের শক্তিশালী দল বেক্সিমকো ঢাকার ব্যাটিং লাইনআপ নিয়ে রীতিমতো ছেলেখেলা করল গাজী গ্রুপ চট্টগ্রামের বোলাররা। উইকেটের দেখা পেয়েছেন চট্টগ্রামের হয়ে হাত ঘোরানো ছয় বোলারের সবাই। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে ঢাকাকে ১০০ রানও করতে দেয়নি চট্টগ্রাম।

নিজেদের প্রথম ম্যাচ হারা ঢাকার জন্য এ ম্যাচটি প্রথম জয়ের মিশন, অভিন্ন লক্ষ্য প্রথমবার খেলতে নামা চট্টগ্রামেরও। ম্যাচের প্রথম ইনিংস শেষে পরিষ্কারভাবে লড়াইয়ে এগিয়ে চট্টগ্রাম। নির্ধারিত ২০ ওভারে ২২ বল আগেই মাত্র ৮৮ রানে অলআউট হয়ে গেছে ঢাকা। ম্যাচ জিততে মাত্র ৮৯ রান করলেই হবে চট্টগ্রামকে।

ম্যাচটিতে টস জিতে আগে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেন চট্টগ্রাম অধিনায়ক মোহাম্মদ মিঠুন। তার সিদ্ধান্ত সঠিক প্রমাণ করতে একদমই সময় নেননি চট্টগ্রামের বোলাররা। ঢাকার ইনিংসে রানের খাতাই খুলতে পারেননি অধিনায়ক মুশফিকুর রহীমসহ চার ব্যাটসম্যান। বাঁহাতি ওপেনার মোহাম্মদ নাইম শেখ পাল্টা আক্রমণ করলেও বাকিদের ব্যর্থতায় অল্পেই গুটিয়ে গেছে ঢাকা।

টস হেরে ব্যাট করতে নেমে ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই সাজঘরে ফিরে যান ঢাকার তরুণ ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম। বিশ্বজয়ী যুব দলে তার সতীর্থ পেসার শরীফুল ইসলামের বোলিংয়ে দ্বিতীয় স্লিপে দাঁড়ানো সৌম্য সরকারের হাতে ক্যাচ তুলে দেন তানজিদ। আউট হওয়ার আগে করেন ৬ বলে ২ রান। এরপর ব্যর্থতার নতুন এক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন সাব্বির রহমান।

উইকেটে এসে টানা নয়টি বল খেলেও রানের খাতা খুলতে পারেননি মারকুটে তকমাধারী এ ব্যাটসম্যান। মুখোমুখি দশম বলে বড় শট খেলতে গিয়ে ধরা পড়েন শামসুর রহমান শুভর হাতে। এরপর সবাইকে চমকে দেন মুশফিকুর রহীম। নাহিদুল ইসলামের মুখোমুখি প্রথম বলেই খেলেন রিভার্স সুইপ, ধরা পড়ে যান স্লিপে দাঁড়ানো সৌম্যর হাতে।

মাত্র ২১ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে তখন কঠিন চাপে ঢাকা। চতুর্থ উইকেট জুটিতে ৪৪ রান যোগ করেন ওপেনার নাইম শেখ ও আকবর আলি। চাপের মুখে পাল্টা আক্রমণ করে মাত্র ২৩ বলে ৪০ রান করেন নাইম। ইনিংসের নবম ওভারের শেষ বলে আউট হন তিনি। মারমুখী এ ইনিংসটিতে তিনটি করে চার ও ছক্কা হাঁকান বাঁহাতি এ ওপেনার।

নাইমের আগেই দলীয় ৬৫ রানের মাথায় ব্যক্তিগত ১৫ রানে আউট হয়ে যান আকবরও। এরপর আর ঢাকার ব্যাটিংয়ের বেশি কিছু বাকি ছিল না। মুক্তার আলি রয়েসয়ে খেলে পুরো ইনিংস শেষ ওভার সম্ভাবনা জাগালেও, অপরপ্রান্ত থেকে সহায়তা না পাওয়ায় ১৬.২ ওভারেই অলআউট হয়ে যায় ঢাকা। দলের তৃতীয় ব্যাটসম্যান হিসেবে দুই অঙ্কে যাওয়া মুক্তার করেন ১২ রান।

চট্টগ্রামের পক্ষে বল হাতে ২টি করে উইকেট নেন মোস্তাফিজুর রহমান, শরীফুল ইসলাম, মোসাদ্দেক হোসেন ও তাইজুল ইসলাম। এছাড়া অন্য দুই বোলার সৌম্য সরকার ও নাহিদুল ইসলামের ঝুলিতে যায় ১টি করে উইকেট।


এখানে শেয়ার বোতাম
  • 13
    Shares