শুক্রবার, নভেম্বর ২৭

মেসির গোলে বিশ্বকাপ বাছাই জয়ে শুরু আর্জেন্টিনার

এখানে শেয়ার বোতাম
  • 3
    Shares

অধিকার ডেস্ক::  আরেকটি বিশ্বকাপ অভিযান শুরু আর্জেন্টিনার, যেটিকে দেখা হচ্ছে লিওনেল মেসির শেষ সুযোগ হিসেবে। ২০২২ সালে কাতার বিশ্বকাপের মূল পর্বে খেলার সেই মিশনটা মেসির গোল দিয়েই রাঙিয়ে নিলো আলবিসেলেস্তেরা। ঘরের মাঠ বোকা জুনিয়র্সের স্টেডিয়াম লা বোম্বোনেরায় ইকুয়েডরের বিপক্ষে আর্জেন্টিনা পেয়েছে ১-০ গোলের জয়।

মাত্র দুই দিন অনুশীলন করে লাতিন আমেরিকা অঞ্চলের বিশ্বকাপ বাছাই শুরু করেছে আর্জেন্টিনা। খেলোয়াড়দের ভ্রমণক্লান্তি তো ছিলই, এর সঙ্গে করোনাবিধি নিয়েও ছিল কঠোরতা। তাছাড়া খেলার মূল যে শক্তি, সেই দর্শকও নেই গ্যালারিতে। নিজেদের মাঠ হলেও তাই কঠিন পরীক্ষার সামনে পড়ে আলবিসেলেস্তেরা। তাছাড়া গত রাশিয়া বিশ্বকাপে বাছাইয়ের শুরুর স্মৃতিও চোখ রাঙাচ্ছিল। এই ইকুয়েডরের বিপক্ষেই যে মেসিদের হার দিয়ে শুরু হয়েছিল সেবারের বিশ্বকাপ বাছাই!

তবে সব শঙ্কা উড়িয়ে দিয়ে জয়ে শুরু হয়েছে তাদের কাতার বিশ্বকাপের বাছাই। শুরু থেকে বলের নিয়ন্ত্রণ রেখে আক্রমণে ওঠা আর্জেন্টিনা ১৩তম মিনিটে এগিয়ে যায় মেসির পেনাল্টি গোলে। বার্সেলোনা তারকার পাস ধরে লুকাস ওকাম্পোস ওভারল্যাপ করে ঢুকে পড়েন ডি বক্সে। কিন্তু তাকে কড়া ট্যাকল করতে গিয়ে ইকুয়েডর ডিফেন্ডার পেরভিস এস্তুপিয়ান করে বসেন ফাউল। সঙ্গে সঙ্গে রেফারি বাজান পেনাল্টির বাঁশি।

স্পট কিক নিতে আসা মেসি ডান প্রান্ত দিয়ে বল জড়িয়ে দেন জালে। বল ইকুয়েডর গোলকিপারের হাতে ছোঁয়া দিলেও গতি থাকায় বিশ্বকাপ বাছাইয়ের মিশন মেসি শুরু করেন গোল উদযাপন করে।

এগিয়ে যাওয়ার পরও প্রথমার্ধে বেশ কয়েকবার ইকুয়েডরের রক্ষণের পরীক্ষা নিয়েছে আর্জেন্টিনা। যদিও গোলের দেখা পায়নি। ৩০তম মিনিটে নিকোলাস তাগিয়াফিকোর চিপ ওকাম্পোস নিয়ন্ত্রণে নিলেও বল এত উঁচুতে ছিল যে এই উইঙ্গার ছোট বক্সের ভেতর ঢেলে দিয়েছিলেন লাউতারো মার্তিনেজকে উদ্দেশ্য করে। কিন্তু তার আগেই প্রতিপক্ষের এক খেলোয়াড়ের ‘ক্লিয়ারে’ কর্ণার হয়ে যায়।

প্রথম ৪৫ মিনিট আর্জেন্টিনার দাপটে সেরকম কোনও সুযোগই তৈরি করতে পারেনি ইকুয়েডর। তবে বিরতিতে যাওয়ার ঠিক আগমুহূর্তে যোগ করা সময়ে রেনাতো ইবারার ফ্রি কিক দূরের পোস্টে খুঁজে নিয়েছিল ফেরিগ্রাকে, যদিও তার আগেই অফসাইডের ফাঁদে পড়েন তিনি।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে আর্জেন্টিনা পায় ম্যাচের সবচেয়ে সুন্দর সুযোগটি। মার্তিনেজের হেড একেবারে ফাঁকায় পেয়ে গিয়েছিলেন ওকাম্পোস, শটও নিলেন গোলমুখে, কিন্তু সেভিয়া উইঙ্গারের আড়াআড়ি মাটি কামড়ানো শটটি ঝাঁপিয়ে প্রতিহত করেন সফরকারী গোলকিপার।

আরেকবার মেসির গোলমুখে নেওয়া শট ইকুয়েডরের এক ডিফেন্ডারের হাতে লেগে দিক পাল্টে না গেলে ব্যবধান বাড়তে পারতো আর্জেন্টিনার।

তবে দুইবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের বিশ্বকাপ বাছাই অভিযানের শুরুতে নায়ক সেই মেসিই। তার নেওয়ার পেনাল্টি শটটাই গড়ে দিয়েছে ব্যবধান।


এখানে শেয়ার বোতাম
  • 3
    Shares