শুক্রবার, ডিসেম্বর ৪

মালিতে অভ্যুত্থান, শিগগিরই নির্বাচনের ঘোষণা সেনাবাহিনীর

মালিতে অভ্যুত্থান,
এখানে শেয়ার বোতাম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:: অভ্যুত্থান ঘটিয়ে মালির প্রেসিডেন্ট এবং সরকারকে ক্ষমতাচ্যুতির ঘটনায় বিশ্বজুড়ে নিন্দার মুখে স্থিতিশীলতা ফেরানোর অঙ্গীকার করেছে পশ্চিম আফ্রিকার এই দেশটির সেনাবাহিনী। শিগগিরই নির্বাচনের মাধ্যমে বেসামরিক সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করা হবে বলে ঘোষণা দিয়েছে তারা।

এর আগে, মঙ্গলবার সেনাবাহিনীর অভ্যুত্থানের পর দেশটির প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম বোবাকার কেইতা পদত্যাগ করে পার্লামেন্ট বিলুপ্ত ঘোষণা করেন। সেনাবাহিনীর কিছু কর্মকর্তা বন্দুকের নলের মুখে প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিমকে তুলে নিয়ে যাওয়ার পর পদত্যাগে বাধ্য করেন। এ সময় বিদ্রোহী সেনারা দেশটির প্রধানমন্ত্রী, সরকারি বিভিন্ন কর্মকর্তা ও সামরিক বাহিনীর ঊর্ধ্বতন এবং অধস্তন কিছু কর্মকর্তাকেও আটক করে।

জিহাদীদের আন্দোলনে অস্থিতিশীল মালিতে গণবিক্ষোভের মাঝে সেনাবাহিনীর এই অভ্যুত্থানের ঘটনা দেশটিকে চরম বিপর্যয়ের মধ্যে ফেলেছে। সেনাবাহিনীর এই অভ্যুত্থানে কে বা কারা নেতৃত্ব দিয়েছেন বুধবার সকাল পর্যন্ত তা পরিষ্কার হওয়া যায়নি।

তবে বিদ্রোহী সেনাদের একজন মুখপাত্র, যিনি নিজেকে ন্যাশনাল কমিটি ফর দ্য স্যালভেশন অব দ্য পিপলের সদস্য দাবি করেছেন; তিনি বলেন, মালিতে যাতে আর কোনও ধরনের অস্থিরতা তৈরি না হয়; তা ঠেকাতে কাজ করছেন তারা।

সামরিক অভ্যুত্থানের এই ঘটনার পর আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক পরিমণ্ডলে ব্যাপক নিন্দা এবং সমালোচনার মুখে পড়েছে মালি। প্রেসিডেন্ট কেইতার পতন সাবেক ফরাসী এই উপনিবেশকে আরও অস্থিতিশীল করে তুলতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

মঙ্গলবার জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তনিও গুতেরেস প্রেসিডেন্ট কেইতা এবং অন্যান্যদের মুক্তি দিতে মালির সেনাবাহিনীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

এদিকে, দেশটির সেনাবাহিনী রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং বেসামরিক সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তরে শিগগিরই নির্বাচন অনুষ্ঠানের ঘোষণা দিয়েছে। এ কাজে সহায়তা করার জন্য দেশটির বেসামরিক ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের সহায়তা চেয়েছেন অভ্যুত্থানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সেনা কর্মকর্তারা।

সূত্র: রয়টার্স।


এখানে শেয়ার বোতাম