বুধবার ‚ ১৩ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ ‚ ২৭শে মে, ২০২০ ইং ‚ রাত ২:২০

Home মতামত মানবতার দায় ও মানুষের বাড়ানো হাত

মানবতার দায় ও মানুষের বাড়ানো হাত

রাজেকুজ্জামান রতন::

কভিড ১৯ বা করোনা মহামারী গ্রাস করেছে বিশ্বের প্রায় প্রতিটি অঞ্চল ও দেশ। বাংলাদেশ তার ব্যতিক্রম নয়। যে কোন বস্তু বা ঘটনার দুটো দিকই থাকে। একদিকে আশংকা অন্যদিকে আশা এই নিয়েই তো মানুষের জীবন চলছে অবিরাম, সমাজেও তাই। করোনার যেমন আতংক ছড়িয়েছে তেমনি আবার আশা জাগিয়েছে একদল মানুষের মনে। এ আশা লাভের এবং লোভের। অর্থনীতির ভাষায় বললে বলতে হয় মুনাফা বাড়ানোর আশা। এর সঙ্গে যুক্ত তাঁরাই, মানুষের অসহায়ত্ব যাদের সবচেয়ে বড় পুঁজি। চাল সহ নিত্য প্রয়োজনীয় পন্যের দাম বাড়াও, ধান সহ কৃষকের উৎপাদিত পন্যের দাম কমাও, ওষুধ ও চিকিৎসার খরচ বাড়াও, শ্রমিকের মজুরী ও বোনাস কমাও, খরচ কমানোর জন্য শ্রমিক ছাঁটাই কর এবং যাদেরকে ছাঁটাই করা হবে না তাদের উপর কাজের বোঝা বাড়াও। অর্থাৎ মহামারীর সমস্ত দায় চাপুক সাধারণ মানুষের উপর। তাদের একমাত্র অপরাধ তাঁরা সাধারণ মানুষ এবং তাদের সবচেয়ে বড় যোগ্যতা যে তাঁরা সবকিছু মেনে নেয় বা সহ্য করে। জনগণের ট্যাক্সের টাকায় রাষ্ট্রের কোষাগার পূর্ণ হয়, কোষাগার পূর্ণ করতে কিছুটা কম পড়লে তখন রাষ্ট্র ঋণ নেয় এবং সে ঋণ ও সুদ আবার পরিশোধ করা হয় জনগণের ট্যাক্সের টাকাতেই। সেই কোষাগারে জনগণের অধিকার কতটুকু? ব্যবসা বাণিজ্যে ভেরি ইম্পরট্যান্ট পারসন বা ভিআইপিদের জন্য বরাদ্দ করতে করতে জনগণ যে কখন অন্য ধরণের ভিআইপি বা ভেরি ইগনোরড পারসন হয়ে যায় তা বুঝতেও পারে না। বুক ভাঙ্গা হতাশায় সাধারণ মানুষ বলে, বাচার রাস্তা তো দেখি না !

অন্ধকার যত গভীর হয় আলোর প্রত্যাশাও তত তীব্র হয়ে উঠে। ঘন অন্ধকারে অসহায়ের মত বসে থাকলে বা অন্ধকারকে ভয় পেয়ে কুঁকড়ে গেলে অথবা অন্ধকারের ভয়াবহতা নিয়ে ব্যাপক বিষদগার করলে অন্ধকার দূর হয় না। বরং নিজেদের ক্ষমতা ও সম্ভাবনার অপমৃত্যু ঘটে। তখন কাউকে না কাউকে আলো জ্বালতে হয়। সে আলো যত ক্ষুদ্র শিখাই হোক না কেন তা অনেক মানুষকে সাহসী করে, নতুন করে পথ দেখতে বা পথ রচনা করতে শেখায়। প্রকৃতি ও প্রাণীর বিবর্তনের ইতিহাস যতটুকু আমাদের জানা তাতে এই কথাটাই যুক্তিগ্রাহ্য যে মানুষ ক্রমাগত উন্নততর মানুষ হয়ে উঠেছে প্রতিকুলতা মোকাবিলা করেই। অতীতের মানুষের চেয়ে বর্তমানের মানুষ দক্ষতায় যোগ্যতায় এবং ক্ষমতায় যে এতটা এগিয়েছে তার পিছনে প্রধান চালিকা শক্তি ছিল সমস্যার কার্যকারণ বুঝতে চাওয়া আর পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটানোর প্রবল চেষ্টা। এক্ষেত্রে একদল মানুষের সাধনা গোটা মানবজাতিকে শুধু প্রতিকুলতার হাত থেকে রক্ষা করেছে তা নয় মানবজাতির বিকাশকে এক ধাপ এগিয়ে দিয়েছে। সম্পদের দখল নেবার জন্য মানুষ মানুষকে যেমন শত্রু ভেবেছে, পরস্পরের বিরুদ্ধে আক্রমণ চালিয়েছে, লুণ্ঠন, খুন, ধর্ষণের মত জঘন্য ঘটনা ঘটিয়েছে তেমনি কত শত বৈজ্ঞানিক আবিস্কার, সামাজিক দায়বোধের পরিচয় যে দিয়েছে তার ইয়ত্তা নেই। মানুষের পাশে মানুষ দাঁড়িয়েছে এবং মানুষের বাড়ানো হাত ধরেই মানুষ এগিয়েছে সম্ভাবনার পথে। পিছনে ফেলে গেছে দুঃসহ অতীতের স্মৃতি।

ইতিহাস ঘাঁটলে মহামারীর অনেক নজীর দেখানো যায়, এসব মহামারীতে জীবন ও সম্পদের যত ক্ষতি হয়েছে, মানুষের চিন্তার জগতে নাড়া দিয়েছে তার চেয়ে কম নয়। । মহামারীর আক্রমণ ও অসংখ্য মানুষের মৃত্যুর সাথে যুক্ত হয়ে আছে যেমন মানুষের অজ্ঞতা, অসহায়ত্ব, অন্ধ বিশ্বাস তেমনি মুনাফার জন্য সবকিছু করা যায় এই মানসিকতার উৎকট বহিঃপ্রকাশ। প্লেগ, ম্যালেরিয়া, ডেঙ্গু, টাইফয়েড, কলেরা, ডাইরিয়া, স্পানিস ফ্লু, চিকেন পক্স তে কত মানুষ যে অসহায় মৃত্যুবরণ করেছে তা ভাবলে যেমন কষ্ট লাগে তেমনি অবাক হতে হয়। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সারস, মার্স, বার্ড ফ্লু, সোয়াইন ফ্লু, ইবোলা, জিকা ভাইরাস সহ বেশ কিছু প্রাণঘাতী সংক্রমণ মোকাবিলা করেছে বিশ্ববাসী। এর কয়েকটার বিরুদ্ধে বিজয়ী হয়েছে আর কয়েকটার বিরুদ্ধে লড়াই অব্যাহত রেখেছেন বিজ্ঞানীরা। সমস্যা যত জটিল হোক না কেন সমাধান বের করার পর মানুষ ভাবে, আরে ! এত সহজ ব্যাপারটা আগে মাথায় আসে নি কেন? সামান্য সালাইন খেয়ে ডাইরিয়ায় মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচা যায়, মশা মেরে আর কুইনাইন খেয়ে ম্যালেরিয়ার হাত থেকে বাঁচা যায় অথচ গ্রামের পর গ্রাম উজাড় হয়ে গেছে এই সব মহামারীর সংক্রমণে। যে কোন সমস্যার সমাধান বের করার আগে অনেক কষ্টকর পথ অতিক্রম করতে হয়। কিন্তু সমাধান সুত্র আবিষ্কারের পূর্বে মানুষের পাশে সহযোগিতার মানসিকতা নিয়ে দাঁড়াতে হয় বহুদিন। এ সময়ে মানুষকে বাঁচাবার জন্য অনেক পথ ও পদ্ধতি অবলম্বন করতে হতে পারে। অতীতের এই সব বিপর্যয়ের ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়েছে বলেই মানুষ যে কোন জটিল পরিস্থিতিতে সাময়িকভাবে হতচকিত হলেও সে ঘুরে দাঁড়ায় এবং পরিস্থিতির মোকাবিলা করে।

এবার করোনা ভাইরাস কভিড ১৯ এর সংক্রমণেও বিশ্ব হতভম্ব হয়ে গেছে। যতটা হতভম্ব হয়ে পড়েছে ভাইরাসের সংক্রমণের তীব্রতায় তার চেয়ে বেশি হয়েছে জনগণের জন্য স্বাস্থ্য ব্যবস্থার হতদরিদ্র দশা দেখে। ডিসেম্বর ২০১৯ এ প্রথম চীনের উহান থেকে ছড়িয়ে পড়ার সংবাদ প্রচারের পর ৫ মাসে ভাইরাসের সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়েছে প্রায় প্রতিটি দেশে। আমেরিকা আর চীনের দোষ চাপানো আর দোষ অস্বীকারের মধ্যে যে বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে উঠলো আমেরিকা সহ সমস্ত পুঁজিবাদী দেশগুলোর স্বাস্থ্য ব্যবস্থার বেহাল চিত্র আর কিউবার মত দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উজ্জ্বল দিক। মঙ্গল গ্রহে যান পাঠানো, স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের সাফল্যের ঢাক পিটিয়ে তো চিকিৎসা ব্যবস্থার দুর্বলতা আড়াল করা যায় না। বাংলাদেশের ক্ষেত্রেও স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ কম, অনেক বছর ধরেই বাজেটের ৫ শতাংশের নিচেই থাকছে। যদিও যে টুকু বরাদ্দ তার অনেকখানি দুর্নীতির ঘুণপোকা খেয়ে ফেলেছে। যে কারনে ৩৭ লাখ টাকার পর্দা কেনা গেলেও ২ লাখ টাকায় ভেন্টিলেটর কেনা যায় নি। দেশের বিজ্ঞান গবেষণায় সহযোগিতার ক্ষেত্রে অবহেলার ফল দেখা গেল এবার। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে গবেষণার বরাদ্দ কত করা হয় বের করার জন্যও যেন গবেষণা প্রয়োজন। কৃষিতে বরাদ্দ ৩.৫ শতাংশের উপরে না উঠলেও এই করোনাকালে কৃষির উপরই নির্ভর করতে হবে সবচেয়ে বেশি। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে মানুষের বিশেষত যুব সমাজের মানসিকতার। নিজেকে নিয়ে ভাবো, নিজের জন্য বাঁচ, সমাজের কথা ভেবে নিজের ক্যারিয়ার নষ্ট কোর না। কতটা আকর্ষণীয় হতে পারো তুমি গায়ের রঙের উজ্জ্বলতায় আর পোশাকের বর্ণের ছটায় সেটাই হবে তরুণ যুবকদের ধ্যান জ্ঞান। ইন্টারনেট এ যুক্ত কর দুরের মানুষকে কিন্তু উপেক্ষিত থাকুক কাছের স্বজন। একটা স্বচ্ছ কাঁচের দেয়াল ঘেরা কৃত্তিম সভ্যতা গড়ে তোলা হয়েছিল যেখানে সবাইকে দেখা যাবে কিন্তু স্পর্শ করা যাবে না। করোনা এই দেয়াল ভাঙ্গার প্রয়োজনীয়তা দেখিয়ে দিল বিশ্ববাসীকে।

এই দেয়াল ভাঙতে এগিয়ে এলো সেই তরুণ যুবকেরা যারা শুধু বয়সে তরুণ নন চেতনাতেও তারুন্যের প্রতিধ্বনি করেন। এগিয়ে এলো বাসদ, সিপিবি সহ বামপন্থী দলসমুহ যাদের সামর্থ্য কম বলে তাচ্ছিল্য করা হয়, এলো বিদ্যানন্দ’র মত সমাজসেবামুলক সংগঠন, সাধারণ মানুষের সহযোগিতা নিয়ে দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়ালো সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট, ছাত্র ইউনিয়ন সহ অনেক সংগঠন। বরিশালে মনীষা, রুমন’রা মাত্র ৩০ হাজার টাকা, একদল দায়িত্বশীল নেতা কর্মী আর দায়িত্ববোধকে সম্বল করে এগিয়ে এসেছিলো। প্রথমে এক মুঠো চাল সংগ্রহ ও তা কর্মহীন দরিদ্রদের মধ্যে বিতরণ, তারপর রোগী পরিবহনের জন্য সস্তা ও সহজলভ্য এ্যাম্বুলেন্স সরবরাহ, তারপর মানবতার বাজার এরপর কৃষক ও কৃষি সহায়তামুলক কর্মসূচি নিয়ে ৫০ দিন অতিবাহিত করেছে তাঁরা। দেশের এবং প্রবাসের অনেক মানুষ নাম প্রকাশ না করে এই কর্মসূচিগুলোতে অর্থ সহায়তা করেছে। এই দৃষ্টান্ত ছড়িয়ে পড়েছে ভেড়ামারা সহ অনেক জায়গায়। নারায়নগঞ্জে প্রায় শূন্য হাতে কমুনিটি কিচেন এর নামে হতদরিদ্রদের একবেলা খাওয়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে বাসদ এর নিখিল, বিপ্লব, সেলিম। প্রতিদিন প্রায় ৫ শতাধিক মানুষকে রান্না করে খাওয়ানোর দুরুহ দায়িত্ব পালন করছে সুলতানা, মুন্নির মত স্বেচ্ছাসেবী ছাত্র ফ্রন্ট কর্মীরা। সহযোগিতার হাত বাড়িয়েছেন নারায়নগঞ্জবাসী অনেকেই, ফলে ১৫ দিন ধরে চলছে কম্যুনিটি কিচেন এবং এই ধরণের উদ্যোগ ছড়িয়ে পড়ছে অনেক স্থানে। জয়পুরহাটের ওয়াজেদ পারভেজের কলসি দিয়ে চাল সংগ্রহ আর মানুষের পাশে দাঁড়ানোর দৃষ্টান্ত সাহসী করেছে অনেককেই। এমনি ভাবে দিনাজপুর, রংপুর, গাইবান্ধা, কুড়িগ্রাম, বগুড়া, সিরাজগঞ্জ, সিলেট, খুলনা,চট্টগ্রাম, গাজীপুর আর রাজধানী ঢাকাসহ প্রতিটি বিভাগে ও জেলা উপজেলায় তরুণ যুবকরা এগিয়ে এসেছে এবং সাধারণ মানুষের সাড়া পেয়েছে। ঘরে থাকো এবং নিরাপদে থাকো এর বিপরীতে সাধারণ মানুষকে ঘরে রাখো ও দরিদ্র মানুষকে বাঁচিয়ে রাখো এই মনোভাব নিয়ে, করোনার ঝুঁকিকে মাথায় নিয়ে, যথাসম্ভব সতর্কতা অবলম্বন করে যে তরুণরা মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে, তাদের হাত ধরে বাংলাদেশ ভবিষ্যতের পথে এগুবে।

আমরা মুক্তিযুদ্ধের উদাহরণ দিতে ভালবাসি কিন্তু তার শিক্ষাটাকে সযত্নে আড়াল করে রাখি। কারণ মুক্তিযুদ্ধে সবচেয়ে বেশি ভুমিকা পালন করেছিল তরুণ যুবক এবং শ্রমিক কৃষক সহ সাধারণ মানুষ। স্বাধীন দেশে সবচেয়ে বেশি উপেক্ষিত হয়েছে তাঁরাই। মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি শোষকদের প্রতি ঘৃণার অপর পিঠে জনগণের প্রতি অগাধ ভালবাসা ছিল যোদ্ধাদের মনে। আজো করোনা দুর্যোগকে সুযোগ হিসেবে নিয়ে যারা শ্রমিক কৃষক সাধারণ মানুষের উপর দুর্ভোগ চাপিয়ে দিচ্ছে তাদের প্রতি শুধু ঘৃণা নয় তাদেরকে প্রতিরোধ এবং সাধারণ মানুষের প্রতি ভালবাসা নিয়ে তরুণ যুবকদের এগিয়ে আসতে হবে। মানবিক দায় পালন করতে গেলে মানুষ যে হাত বাড়িয়ে দেয় এই করোনাকালেও তা দেখা গেল। এই দেখাটাকে বিদ্যুতের ঝলকের মত নয় বরং সূর্যের আলোর মত দেশবাসী দেখতে চায়। সে আলোর উজ্জ্বলতায় যেন দূর হয়ে যায় দুর্নীতি আর দুঃশাসনের অন্ধকার। করোনা দেখিয়ে দিল ব্যক্তি হিসেবে মানুষ কত বিপন্ন। এত সম্পদ সৃষ্টি হয় মানুষের শ্রমে ও মেধায় তবুও পুঁজিবাদী ব্যবস্থায় মানুষ কত অসহায়! মানুষের গভীর প্রত্যাশা তাই মুনাফাকেন্দ্রিক নয়,মানবিক মূল্যবোধের এক বিশ্ব ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হোক। বিপদে সহায়তা করতে যেমন হাত বাড়িয়ে দিয়েছে অসংখ্য মানুষ তেমনি যারা বিপদকে পুঁজি করে সম্পদ লুণ্ঠন আর শোষণের তীব্রতা বাড়ায় তাদের বিরুদ্ধেও এই হাতগুলো যেন ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তোলে।

লেখক: বাসদের কেন্দ্রীয় নেতা ও সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্টের কেন্দ্রীয় সভাপতি

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

সর্বশেষ

যুক্তরাষ্ট্রে মৃতের সংখ্যা লাখ ছাড়ালো, বিশ্বে ৩ লাখ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:: মহামারি করোনায় যুক্তরাষ্ট্রের মৃতের সংখ্যা এক লাখ ছাড়িয়েছে। শুধুমাত্র নিউইয়র্কেই মারা গেছে ২৯ হাজারের বেশি মানুষ। নিউইয়র্কে আক্রান্তের সংখ্যা তিন...

রংপুরে মদপানে ঈদ উদযাপন, ৬ জনের মৃত্যু

অধিকার ডেস্ক:: রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলায় বিষাক্ত মদপানে ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সঙ্গে মদপানে অসুস্থ হয়ে হাসপাতাল ও বাড়িতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন অন্তত সাতজন।

যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে বাংলাদেশে করোনার সংক্রমণ হার বেশি

অধিকার ডেস্ক:: এপ্রিলের শুরুতে করোনার সংক্রমণ হার ৫ শতাংশের নিচে থাকলেও চলতি সপ্তাহে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৮ শতাংশে। দেশে নমুনা পরীক্ষায় আগের...

যুদ্ধের জন্য সেনাবাহিনীকে প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দিলেন চীনের প্রেসিডেন্ট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :: করোনা পরিস্থিতির মধ্যে যুদ্ধের জন্য সেনাবাহিনীকে প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দিলেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিনপিং। রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম...