মঙ্গলবার, জানুয়ারি ১৯

ভারত-পাকিস্তান দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য স্থগিত, দুই দেশের রাষ্ট্রদূত প্রত্যাহার

এখানে শেয়ার বোতাম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক ::  জম্মু-কাম্মীর ইস্যুকে কেন্দ্র করে ভারতের সঙ্গে সব দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য স্থগিত করেছ পাকিস্তান; একই সঙ্গে ইসলামাবাদে থাকা ভারতের রাষ্ট্রদূতকে বহিষ্কার এবং নয়াদিল্লিতে থাকা তাদের রাষ্ট্রদূতকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের সভাপতিত্বে বুধবার দেশটির জাতীয় নিরাপত্তা কমিটির এক সভায় এ সিদ্ধান্ত হয় বলে ডনের এক প্রতিবেদেন বলা হয়েছে।

পাকিস্তান সরকারের এক টুইট বার্তায় বাণিজ্য সম্পর্ক স্থগিত এবং রাষ্ট্রদূত বহিষ্কারের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, ভারতের সঙ্গে সব ধরনের বাণিজ্য সম্পর্ক স্থগিত করা হয়েছে। রাষ্ট্রদূত বহিষ্কার করা হয়েছে।

নিরাপত্তা কমিটির সভার পর নয়াদিল্লিতে থাকা তাদের রাষ্ট্রদূতকে প্রত্যাহারের ঘোষণা দেন পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেহমুদ কোরেশি। তিনি বলেন, আমাদের রাষ্ট্রদূত দিল্লিতে থাকবে না। তাদের রাষ্ট্রদূতকেও ফেরত পাঠানো হবে।

টাইমস অব ইন্ডিয়া জানায়, জম্মু-কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা প্রত্যাহারের ব্যাপারটি ‘এক তরফা ও অবৈধ’ দাবি করে বাণিজ্য সম্পর্ক স্থগিতের পর পাকিস্তানে থাকা ভারতের রাষ্ট্রদূত অজয় বিশরিয়াকে বহিষ্কার করা হয়।

সোমবার ভারতের রাজ্যসভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ সংবিধানের ৩৭০ ধারা বাতিলের ঘোষণা দেন। এর মধ্য দিয়ে ভারতনিয়ন্ত্রিত জম্মু-কাশ্মীরের ৭০ বছরের বিশেষ মর্যাদা বাতিল করে নরেন্দ্র মোদির সরকার। সংবিধানের এই ৩৭০ ধারা বাতিলের মাধ্যমে জম্মু-কাশ্মীরকে ভেঙে দুই ভাগ করা হয়।

৩৭০ ধারার ফলে অনেক ক্ষেত্রেই স্বায়ত্তশাসিত ছিল জম্মু-কাশ্মীর। নিজস্ব সংবিধান, আলাদা পতাকা ও স্বতন্ত্র আইন বানানোর অধিকার ছিল ওই অঞ্চলের বাসিন্দাদের। তবে ৩৭০ ধারা বাতিলের ফলে এখন থেকে জম্মু-কাশ্মীরের পরিচিতি হবে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল হিসেবে।

ভারত সরকারের এই সিদ্ধান্ত নিয়ে মঙ্গলবার পার্লামেন্টে কঠোর সমালোচনা করেন ইমরান খান। জম্মু-কাশ্মীরে এখন জাতিগত নিধন চালানো হবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।


এখানে শেয়ার বোতাম