মঙ্গলবার, মে ১১
শীর্ষ সংবাদ

ভারতীয় দূতাবাস অভিমুখে ইসলামী আন্দোলনের বিক্ষোভ

এখানে শেয়ার বোতাম

অধিকার ডেস্ক :: ভারতে সংখ্যালঘু মুসলমানদের ওপর নির্যাতনের প্রতিবাদে চরমোনাইয়ের পীরের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন মঙ্গলবার ঢাকায় বিক্ষোভ করেছে। বায়তুল মোকারর জাতীয় মসজিদের উত্তর গেটে বিক্ষোভ সমাবেশের দলটির নেতাকর্মীরা ভারতীয় দূতাবাস অভিমুখে মিছিল করার চেষ্টা করলে পুলিশ তা পল্টন মোড়ে আটকে দেয়। পরে ইসলামী আন্দোনের একটি প্রতিনিধি দল নির্যাতন বন্ধের দাবি জানিয়ে ভারতীয় হাই কমিশনে স্মারকলিপি দেয়।

সাম্প্রতিক সময়ে ভারতে গো-হত্যার গুজব ছড়িয়ে গণপিটুনি দিয়ে মুসলমান হত্যার ঘটনা বেড়েছে। মুসলমানদের পিটুনি দিয়ে ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগান দিতে বাধ্য করার ঘটনা ঘটেছে। ভারতের নাগরিক সমাজও সংখ্যালঘু নিপীড়নের এসব ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।

বিক্ষোভ সমাবেশে ইসলামী আন্দোলনের আমির মুফতি সৈয়দ মুহম্মদ রেজাউল করীম বলেন, ভারত ধর্মনিরপেক্ষতার স্লোগান দিলেও মুসলমানদের ধর্মকর্ম পালন করতে দিচ্ছে না। ভারতের মুসলমানরা স্বাধীনভাবে চলতে পারছে না, তাদের বাড়ি-ঘর জ্বালিয়ে পুড়িয়ে দিচ্ছে। মুসলিম নারীদের ধর্ষণ করা হচ্ছে।

চরমোনাইয়ের পীর বলেন, প্রিয়া সাহা বিদেশে গিয়ে বাংলাদেশে ৩ কোটি ৭০ লাখ হিন্দু নির্যাতিত হয়েছে বলে মিথ্যা নালিশ করে দেশদ্রোহিতা করেছেন। এর পেছনে ভারতীয় ষড়যন্ত্র থাকতে পারে বলে সন্দেহ প্রকাশ করেন তিনি।

ভারত আসাম থেকে ৪০ লাখ বাঙালিকে বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার ষড়যন্ত্র করছে বলেন অভিযোগ করেন তিনি।

ইসলামী আন্দোলনের প্রেসিডিয়াম সদস্য সৈয়দ মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল মাদানী বলেন, মুসলমানদের ওপর নির্যাতন বন্ধে ভারতের বিজেপি সরকার কিছুই করছে না। বিজেপি এ অবস্থান পরিবর্তন না করলে ভারত টুকরো টুকরো হয়ে যাবে।

ইসলামী আন্দোলনের অপর প্রেসিডিয়াম সদস্য মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম বলেন, মুসলমানরা ৭০০ বছর ভারতবর্ষ শাসন করেছে। মুসলমানরা যদি নির্যাতনকারী হতো, তাহলে ভারত আজ হিন্দু সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ থাকত না।


এখানে শেয়ার বোতাম