বুধবার, নভেম্বর ২৫

বেতন বৃদ্ধির দাবিতে শ্রীমঙ্গলে ২৬ চা-বাগানে কর্মবিরতি পালন

এখানে শেয়ার বোতাম
  • 16
    Shares

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি:: মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গলে দুর্গাপূজোর আগে বেতন বৃদ্ধিসহ বোনাস পরিশোধের দাবিতে ২৬টি চা-বাগানে একযোগে দুই ঘণ্টাব্যাপী কর্মবিরতি পালন করেছেন চা-শ্রমিকরা।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সকাল ৯টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত ২৬টি চা-বাগানে শ্রমিকরা এ কর্মবিরতি পালন করেন।

এ সময় চা-শ্রমিকরা বলেন, বর্তমানে ১০২ টাকা মজুরি দিয়ে তাদের সংসার চালানো অসম্ভব হয়ে পড়েছে। ফলে সন্তানদের লেখাপড়ার খরচ বহন করা সম্ভব হচ্ছে না। দুর্গাপূজোর আগে বেতন বৃদ্ধিসহ বোনাস পরিশোধ না করলে পূজো উদযাপন করা অসম্ভব। এ সময় শ্রমিকরা তাদের ৩শত টাকা মজুরির দাবি জানান।

কর্মবিরতি চলাকালে বাংলাদেশ চা-শ্রমিক ইউনিয়েনের সাংগঠনিক সম্পাদক ও বালিশিরা ভ্যালি সভাপতি বিজয় হাজরা বলেন, মালিকপক্ষের সঙ্গে বৈঠকে ৩শত টাকা মজুরি দাবি করা হলে ১৫০ টাকা দিতে রাজি হলেও দীর্ঘ ২৩ মাস অতিক্রান্ত হওয়ার পরও ১০২ টাকা হারে মজুরি দেয়া হচ্ছে। তিনি দুর্গাপূজার আগেই চা-শ্রমিকদের নতুন চুক্তি বাস্তবায়ন সহ ন্যায্য মজুরি শারদীয় দুর্গাপূজোর বোনাস প্রদানের জন্য দেশের সব চা বাগানে আজ থেকে দাবি না মানা পর্যন্ত কর্মবিরতি পালন করার জন্য উদ্যোগ নিয়েছে চা শ্রমিকরা। না হলে কঠোর আন্দোলনে নামবে চা-শ্রমিকেরা। তাই চুক্তি অনুযায়ী নতুন মজুরিসহ বেতন বাস্তবায়নের দাবি জানান তিনি।

এ সম্পর্কে ফিনলে টি কোম্পানির প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা (সিইও) তাহসিন আহমেদ চৌধুরী বলেন, সরকার মজুরি নির্ধারণ করে দেওয়ার জন্য নিম্নতম মজুরি বোর্ড গঠন করে দিয়েছে। গত ডিসেম্বর থেকে এই পর্যন্ত বোর্ডের সঙ্গে ৫টি বৈঠক হয়েছে। গত মার্চ থেকে করোনার কারণে সভা অনুষ্ঠিত হতে পারেনি। তা ছাড়া করোনাকালে অন্যদের মতো চা শিল্পেও অনেক ক্ষতি হয়েছে। গত বছরের উৎপাদিত অনেক চা-পাতা অবিক্রীত রয়ে গেছে। যেহেতু মজুরি বোর্ড কাজ করছে, সেহেতু হঠাৎ করে শ্রমিকদের কর্মবিরতি কর্মসূচি অযৌক্তিক।


এখানে শেয়ার বোতাম
  • 16
    Shares