শনিবার, মার্চ ৬
শীর্ষ সংবাদ

বুয়েটে ছাত্র রাজনীতি বন্ধের প্রতিবাদে প্রগতিশীল ছাত্র জোটের মিছিল

এখানে শেয়ার বোতাম

নিজস্ব প্রতিবেদক :: বুয়েটে ছাত্র রাজনীতি বন্ধের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে এবং তা বাতিল করে নিহত আবরারের হত্যাকারীদের বিচারের দাবিতে প্রগতিশীল ছাত্র জোট বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে।

আজ শুক্রবার সন্ধ্যায় টিএসসিতে তাৎক্ষণিক মিছিল করে রাজু ভাস্কর্যের সামনে সমাবেশ করে।

সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের কেন্দ্রীয় সভাপতি ও প্রগতিশীল ছাত্র জোটের সমন্বয়ক আল কাদেরী জয়, বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন কেন্দ্রীয় সভাপতি মেহেদী হাসান নোবেল, বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রী কেন্দ্রীয় সভাপতি ইকবাল কবির, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের কেন্দ্রীয় সভাপতি মাসুদ রানা, বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন কেন্দ্রীয় সভাপতি এমএম পারভেজ লেনিন, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট সাধারণ সম্পাদক নাসিরুদ্দিন প্রিন্স,বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন কেন্দ্রীয় সভাপতি গোলাম মোস্তফা, বিপ্লবী ছাত্র যুব আন্দোলন কেন্দ্রীয় সভাপতি আনিফ অনিকসহ অন্যান্য বাম-প্রগতিশীল ছাত্র সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

ছাত্র জোটের নেতৃবৃন্দ বলেন, এটি একটি ভয়ংকর অগণতান্ত্রিক সিদ্ধান্ত এবং সকল ধরণের বিরোধী মত এবং তার ভিত্তিতে সংগঠিত শক্তিকে দমনের একটি হাতিয়ার। এটি আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সাথে একটি প্রতারণাও বটে।

তারা বলেন, বুয়েটে গত এক দশকে ছাত্র রাজনীতি ছিলই না। শুধু ছিল রাজনীতির নামে ছাত্রলীগের চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস, নির্যাতন। আবরার ফাহাদ হত্যাকে কেন্দ্র করে অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের মত বুয়েটে দীর্ঘদিন ধরে চলতে থাকা ছাত্রলীগের এই একচ্ছত্র সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, অগণতান্ত্রিক আচরণ,দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে বুয়েটের শিক্ষার্থীদের পুঞ্জীভূত ক্ষোভ প্রকাশ পেয়েছে। ক্যাম্পাসে, হলে হলে টর্চার সেল গুলো একদিনে তৈরি হয় নি। প্রশাসনের পৃষ্টপোষকতায়ই এই টর্চার সেল গুলো গড়ে উঠেছে এবং টিকে থেকেছে এতদিন ধরে। আমরা এর আগেও দেখি বিভিন্ন সময়ে এভাবেই প্রকাশ্যে সাধারণ শিক্ষার্থীদেরকে বিভিন্ন তকমা দিয়ে মারধর করার ঘটনা। এর বিরুদ্ধে প্রশাসন কখনোই কোন ব্যবস্থা নেয় নি। এখানে শিক্ষার্থীদের তাৎক্ষণিক আবেগকে কাজে লাগিয়ে এই ঘটনার মূল উৎস যে অগণতান্ত্রিক চর্চা, সেই অগণতান্ত্রিক চর্চাকেই আড়াল করে আরো শক্তিশালী করবার আয়োজন করেছে বুয়েট প্রশাসন।


এখানে শেয়ার বোতাম