রবিবার, জানুয়ারি ২৪

বিয়ের কথা বলে গার্মেন্টসকর্মীকে বন্ধুদের নিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণ

এখানে শেয়ার বোতাম

অধিকার ডেস্ক:: নাটোরে বিয়ের কথা বলে এক গার্মেন্টসকর্মীকে ডেকে নিয়ে গণধর্ষণের ঘটনায় প্রেমিকসহ ৪ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গত দু’দিন অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। রোববার এক প্রেস ব্রিফিংয়ে নাটোরের পুলিশ সুপার লিটন কুমার সাহা গণধর্ষণের ঘটনা এবং অপরাধীদের গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন, হরিশপুর এলাকার সাদিক শেখের ছেলে সাদ্দাম-২৬, হানিফ-মন্ডলের ছেলে ফারুক মন্ডল -২৭, আব্দুল কাদেরের ছেলে রুবেল পাটোয়ারী এবং পাটুল গ্রামের বাসের ড্রাইভার রাশেদ মিয়া-২৫।

পুলিশ সুপার জানাান, চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার চৌডালি কদমতলি গ্রামের জাব্দুল হকের মেয়ে মাস্তুরা বেগম ঢাকায় একটি গার্মেন্টসে কাজ করতো। আরপি পরিবহনে যাতায়োতের পথে আরপির হেলপার রাশেদুলের সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। গত ১০ আগস্ট রাশেদুল মাস্তুরীকে বিয়ের প্রলাভন দেখিয়ে নাটোরে ডেকে নিয়ে হরিশপুর এলাকার আব্দুল্লাহর বাড়িতে তুলে।

এরপর তাদের এক সঙ্গে ঘুরে বেড়ানো দেখে এলাকাবাসীর সন্দেহ হয়। এ অবস্থায় গত ১৪ আগস্ট সন্ধ্যায় রাশেদুল বেড়ানোর কথা বলে মাস্তুরাকে হরিশপুর বাসস্ট্যান্ড থেকে বের হয়। এরপর সাদ্দাম, রুবেল ও ফারুক দুটি মোটরসাইকেলে মাস্তুরাকে নিয়ে ইউনিয়নের রাজিবপুর গ্রামের একটি পরিত্যক্ত গরুর খামারে নিয়ে যায়। এসময় মাস্তরার ব্যাগে রাখা নগদ ৫ হাজার টাকা ও মোবাইল সেট ছিনিয়ে নিয়ে সেখানে পালাক্রমে তাকে ধর্ষণ করা হয়।

পরে রুবেল মোটরসাইকেলে করে মাস্তুরাকে হরিশপুর বাসস্ট্যান্ডে বাসে উঠিয়ে দেয়ার জন্য এলে মাস্তুরার চিৎকারে এলাকাবাসী এগিয়ে এলে রুবেল মোটরসাইকেল ফেলে পালিয়ে যায়। পরে মাস্তুরা বাদী হয়ে নাটোর থানায় মামলা করলে গত ১৫ আগস্ট সাদ্দাম ফারুক ও রুবেলকে গ্রফতার করা হয়।

অপরদিকে, রোববার সকালে ড্রাইভার রাশেদ মিয়াকে গ্রেফতার করা হয়। পুলিশ সুপার লিটন কুমার সাহা জানান, গ্রেফতারকৃতদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।


এখানে শেয়ার বোতাম