মঙ্গলবার, জানুয়ারি ২৬

বাজেট প্রত্যাখ্যান করে নারায়ণগঞ্জয়ে ছাত্র ফ্রন্টের মানববন্ধন

এখানে শেয়ার বোতাম

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি:: গণবিরোধী, উচ্চাভিলাসী, ধনীতোষণের বাজেট প্রত্যাখ্যান করে শিক্ষা খাতে বাজেটের ২৫ ভাগ এবং স্বাস্থ্য ও গবেষণা খাতে পর্যাপ্ত বরাদ্দ বাড়ানোর দাবিতে সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখার উদ্যোগে আজ বিকাল ৪ টায় নারায়ণগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সামনে করোনা পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রতীকী মানববন্ধন অনুুষ্ঠিত হয়।

সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট নারায়ণগঞ্জ জেলার সভাপতি সুলতানা আক্তারের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল ইসলাম শিমুল, অর্থ সম্পাদক মুন্নি সরদার, বন্দর উপজেলার সদস্য সচিব রাকিবুল হাসান রবিন, ফতুল্লা থানার সংগঠক ফয়সাল আহম্মেদ রাতুল।

মানববন্ধনে সুলতানা আক্তার বলেন, গত ১১ জুন জাতীয় সংসদে বাজেট ঘোষণা হ। বর্তমান করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলায় একটি ভিন্নমাত্রার বাজেট ঘোষণা হবে এটা দেশবাসী প্রত্যাশা করেছিল। কিন্তু সবাইকে হতাশ করে অর্থমন্ত্রী একটি গতানুগতিক লোক দেখানো বাজেট পেশ করেছেন। করোনা পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের চিকিৎসার দৈন্য দশা প্রকাশ্যে বেরিয়ে এসেছে। কভিড মোকাবেলা তথা স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সামগ্রিক উন্নতির জন্য বড় ধরণের বরাদ্দ রাখা প্রয়োজন ছিল। কিন্তু স্বাস্থ্য খাতে বাজেটের মাত্র ৫.১৪ শতাংশ বরাদ্দ হয়েছে, যা টাকার অংকে কিছুটা বাড়লেও সময়ের প্রয়োজনে হতাশাজনক। এই খাতে জিডিপির ১ শতাংশেরও কম বরাদ্দ করা হয়েছে। সামরিক খাতসহ অনুৎপাদনশীল খাতগুলোতে যেভাবে বরাদ্দ হয়েছে সেক্ষেত্রে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, সামাজিক সুরক্ষা খাতে প্রয়োজনের তুলনায় খুবই অপ্রতুল বরাদ্দ হয়েছে।

নেতৃবৃন্দ বলেন, করোনা পরিস্থিতিতে শিক্ষা কার্যক্রমে মারাত্মক ক্ষতি হয়েছে। কখন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চালু হবে সেটা অনিশ্চিত। ফলে করোনা পরবর্তীতে শিক্ষা কার্যক্রমকে গতিশীল করা এবং করোনার মতো দুর্যোগ কার্যকরভাবে মোকাবেলা করতে শিক্ষাব্যবস্থার সর্বব্যাপক উন্নয়ন ছাড়া সম্ভব নয়। সেক্ষেত্রে ইউনেস্কোর সুপারিশ অনুযায়ী জাতীয় বাজেটের কমপক্ষে ২৫ ভাগ শিক্ষা খাতে বরাদ্দ খুবই প্রয়োজন। কিন্তু আমরা প্রস্তাবিত বাজেটে দেখলাম ১৫.০৯ শতাংশ শিক্ষা ও প্রযুক্তি খাতে বরাদ্দ হয়েছে। যেখানে গণবিরোধী রূপপুর পারমানবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের খরচ অর্ন্তভুক্ত। করোনা মহামারিতে যখন দুনিয়ার দেশে দেশে করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলা করে অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের বাজেট হচ্ছে তখন আমাদের সরকার জনগণের সংকটমোচনের পথ পরিহার করে উচ্চাভিলাসী অবাস্তবায়নযোগ্য কাল্পনিক বাজেট উপস্থাপন করে জনমনে বিভ্রান্তি তৈরি করেছে।

নেতৃবৃন্দ প্রস্তাবিত ২০২০-২১ বাজেট সংশোধন করে শিক্ষা খাতে বাজেটের ২৫ ভাগ বরাদ্দ এবং স্বাস্থ্য ও গবেষণা খাতকে অগ্রাধিকার দিয়ে বরাদ্দ বৃদ্ধির জোর দাবি জানান।


এখানে শেয়ার বোতাম