শুক্রবার, জানুয়ারি ২২

বশেমুরবিপ্রবিতে লাইব্রেরী’র কম্পিউটার চুরি, জড়িতদের শাস্তির দাবি ছাত্র ইউনিয়নের

এখানে শেয়ার বোতাম

বশেমুরবিপ্রবি প্রতিনিধি:: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের মহান একুশে ফেব্রুয়ারী লাইব্রেরী থেকে ৪৯ টি কম্পিউটার চুরির সাথে জড়িত ও দায়িত্ব অবহেলার জন্য দায়ী ব্যক্তিদের শাস্তি দাবি করেছে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন বশেমুরবিপ্রবি সংসদ।

সংগঠনের দপ্তর সম্পাদক সুবর্না রায় প্রেরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন বশেমুরবিপ্রবি সংসদের সভাপতি রথীন্দ্র নাথ বাপ্পী ও সাধারণ সম্পাদক নাজমুল মিলন এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মত একটি প্রতিষ্ঠান থেকে এতগুলো কম্পিউটার চুরি হওয়া অনভিপ্রেত। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উদাসীনতা এবং নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকাট ব্যক্তিদের দায়িত্বহীনতা এ ঘটনা জন্য দায়ী। এর দায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন- লাইব্রেরীয়ান ও নিরপাত্তার দায়িত্বে থাকা কর্তাব্যক্তিদের উপরই বর্তায়।

তাছাড়া ইদ-উল আযহার ছুটি চলকালীন দায়িত্বপ্রাপ্ত ৩০ জন গার্ডের ২০ জনই অনুনোমোদিত ছুটিতে ছিলেন। যা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন কর্মচারী হিসেবে চাকরিবিধি আইনে নিয়ম-শৃঙ্খলার পরিপন্থী। বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা রক্ষায় নিয়োজিত ব্যক্তিদের এহেন অদায়িত্বশীল ও উদাসীন ভূমিকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্পদ চুরির মত ঘটনার জন্ম দিয়েছে।

নেতৃবৃন্দ আরও বলেন কম্পিউটার চুরির ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ৭ (সাত) সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। অামরা বিশ্ববিদ্যালয়ের তদন্ত কমিটির উপর আস্থা রাখছি। আশা করি তদন্ত কমিটি দ্রুততম সময়ে উক্ত ঘটনা সুষ্ঠ ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে চুরির ঘটনায় জড়িত ব্যক্তি, বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্পদ রক্ষায় ব্যর্থ ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ যথোপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। এর অন্যথায় বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সাথে নিয়ে, জনগণের ট্যাক্সের টাকায় ক্রয় করা বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্পদ রক্ষায় ব্যর্থ ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে যথোপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে বাধ্য করবে।

উল্লেখ্য বশেমুরবিপ্রবি এর একুশে ফ্রেবুয়ারি লাইব্রেরি ভবন থেকে ৪৯ টি কম্পিউটার চুরি হয়েছে। তবে এর আগে ৯ আগস্ট বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন থেকে ৯১ টি কম্পিউটার চুরির কথা জানানো হলেও গণনায় ভুল ছিলো জানিয়ে পরবর্তীতে নতুন করে ৪৯ টি কম্পিউটার চুরির ঘটনা জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তর। এছাড়া চুরি হওয়া ঘটনা তদন্ত করার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ৭ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করেছে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিষ্ট্রার বাদী হয়ে স্থানীয় থানায় মামলা করেছেন বলে জানা গেছে।


এখানে শেয়ার বোতাম