মঙ্গলবার, জানুয়ারি ১৯

বরিশালে বাসদের ব্যতিক্রমী ঈদ আয়োজন, ১৫০০ পরিবারে পোলাওয়ের চাল, মাংস বিতরণ

এখানে শেয়ার বোতাম

বরিশাল প্রতিনিধি:: বরিশালে ৩০ ওয়ার্ডের দেড় হাজার দুস্থ অসহায় পরিবারের মাঝে ঈদের দিন ১ কেজি মাংস, ১ কেজি পেলাওয়ের চাল বিরতণ করে সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যাপক প্রসংশা কুড়িয়েছেন বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল বাসদ। এই করোনা কালীন সময়ে ধারাবাহিকভাবে মানুষের পাশে দাড়িয়ে মানবতার বাজার, এক মুঠো চাল, ফ্রি অক্সিজেন ব্যাংক, ফ্রি করোনা এম্বুলেন্স সার্ভিস, বিনা মূল্যে চিকিৎসা ও ঔষধ বিতরণ, লকডাউন বাসায় খাবার ও ঔষধ সরবাহসহ একের পর এক কর্মসূচির মাধ্যমে সারাবিশ্বে প্রশংসিত হয়েছে বাসদ বরিশাল জেলার কাজ। গত রমজানের ঈদের ৫ হাজার পরিবারকে রান্না করা খাবার বিতরণ করেছিল বাসদ। এই কোরবানি ঈদে বিপুল পরিমান মানুষকে ঈদের খাদ্য সামগ্রী দেয়ায় খুশি নগরীর সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষজন।

বাসদ নেতৃবৃন্দ বলেন, গত ২ মাস আগে অল্প টাকায় ২টি গরু কিনে এক সমর্থক লালন পালন করে বড় করেছেন। এরসাথে বিভিন্ন সমর্থক-শুভানুধ্যায়িদের সহযোগিতা এবং বেশ কিছু পরিবার নিজেরা কোরবানি না দিয়ে সেই অর্থ আমাদের হাতে তুলে দিয়েছিলেন গরীব মানুষদের ঈদে সহযোগিতা করার জন্য। এছাড়াও শ্রমজীবী মানুষদের অনেকেই এই আয়োজন সফল করতে বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করেছেন। বরিশালে সামর্থবান যারা কোরবানি দিয়েছেন তারাও কোরবানির মাংস দিয়ে এই আয়োজনে সহযোগিতা করেছেন। ফলে সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এত বড় আয়োজন সফল হয়েছে। কোরবানির মাংস, চাল ছাড়াও ৪ শতাধিক অন্য ধর্মাবলম্বী পরিবারের মাঝে রান্না করা মুরগির তেহারী বিতরণ করা হয়।


এক যুক্ত বিবৃতিতে বাসদের আহ্বায়ক প্রকৌশলী ইমরান হাবিব রুমন এবং সদস্য সচিব ডা. মনীষা চক্রবর্ত্তী এই আয়োজন সফল করতে যারা আর্থিকভাবে, স্বেচ্ছাশ্রমের মাধ্যমে বা পরামর্শ দিয়ে সহযোগিতা করেছেন সকলকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন এবং ভবিষ্যতেও মানুষের যে কোন সংকটে মানুষদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান।

এই আয়োজনে বরিশালের সুশিল সমাজের মানুষেরাও খুশি হয়ে বলেছেন, ধনী-গরীব, হিন্দু-মুসলমান-খৃষ্টান সবাইকে যুক্ত করে এমন আয়োজন অবশ্যই প্রশংসার দাবি রাখে। কারণ আমাদের দেশে কোন ধর্মীয় উৎসবই শুধুও সেই ধর্মের মানুষের মাঝে সীমাবদ্ধ থাকে না। ঈদে মুসলিম বন্ধু, প্রতিবেশিদের বাসায় হিন্দু-খৃষ্টানদের দাওয়াতে যাওয়া বা পুজা বড়দিনে মুসলমানদের দাওয়াতে যাওয়া খুবই সাধারণ সামাজিক বিষয়। এই ধরনের আয়োজনে এই ধর্মীয় সম্প্রীতি আরও বৃদ্ধি পাবে বলে তারা বলেন।


এখানে শেয়ার বোতাম