সোমবার ‚ ২২শে আষাঢ়, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ ‚ ৬ই জুলাই, ২০২০ ইং ‚ দুপুর ২:০৯

Home মতামত বছরে যতবার খুশি ততবার বিদ্যুৎ, গ্যাসের দাম বাড়ানোর(!) বিল’

বছরে যতবার খুশি ততবার বিদ্যুৎ, গ্যাসের দাম বাড়ানোর(!) বিল’

রুহিন হোসেন প্রিন্স:

‘করোনা’ নামক বৈশ্বিক মহামারি ও জাতীয় দুর্যোগে এদেশের মানুষ দিশেহারা। এর মধ্যে নতুন নতুন ঘটনা আর সরকারের নতুন নতুন ফরমান মানুষকে আরও দিশেহারা করে তুলছে।

বিনা ভোটে নির্বাচিত(!) জাতীয় সংসদ চলছে বহাল তবিয়তে। তারপরও বাজেট অধিবেশনে অনেকে আশা করেছিল, অন্ততঃ মানবিক উপলব্ধি থেকে ‘মানুষ বাঁচাতে’ অন্তর্বর্তীকালীন বাজেট হবে। এজন্য লক্ষ্য নির্ধারণ করে আয়-ব্যয় নির্ধারণ করা হবে। বরাদ্দকৃত টাকার দক্ষ ও দুর্নীতিমুক্ত ব্যবহারের দৃঢ় প্রত্যয় ঘোষণা করা হবে। কোন কিছুই হলো না। চলছে পুরানা ধারাবাহিকতায়। যার ফলাফল হলো: আরো ধনী, অতি ধনী উৎপাদন আর আয় বৈষম্য বৃদ্ধির ধারা চলমান থাকবে। এজন্য তো হাত দিতে হবে সাধারণ জনগণের পকেটে। আগে বলতাম জনগণের পকেট কাটবে। এবার বলেছিলাম, নানা কারণে আয় বন্ধ হওয়া সত্তেও এই সাধারণ মানুষের পকেট নিংড়াতে এরা মরিয়া হবে।

জানা গেল, বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) আইন সংশোধনে একটি বিল জাতীয় সংসদে উত্থাপন করা হয়েছে। সংশোধনে নতুন কী এলো?

বর্তমান আইনে জনগণের সম্মতি নিয়ে, জ্বালানিবিষয়ক মূল্যহার ও আনুষঙ্গিক কিছু বিষয় নীতি নির্ধারণের দায়িত্ব বিইআরসির। ওই আইনে বিদ্যুৎ-গ্যাসসহ জ্বালানির দাম বছরে সর্বোচ্চ একবার বাড়াতে পারার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। সরকারের মাথাব্যথা সেখানে। বিইআরসি’র কাছে বছরে একাধিকবার দাম বাড়ানোর প্রস্তাব আছে। সরকারও চেয়েছে। বিইআরসি বাড়িয়েছেও। কিন্তু কোর্টে উত্থাপিত হলে আইনে আটকে গেছে এই মূল্যবৃদ্ধি। সরকার তাই এখন নিজের করা আইন পরিবর্তনে মরিয়া।

উত্থাপিত সংশোধনীতে কোনও অর্থবছরে একাধিকবার বিদ্যুৎ-জ্বালানির মূল্য পরিবর্তনের (মূলত বৃদ্ধি) বিধিনিষেধ তুলে দিয়ে বছরে একাধিকবার দাম পরিবর্তনের সুযোগ রাখা হয়েছে। নতুন এই আইন পাস করে কার্যকর করতে পারলে বিইআরসি বছরে যতবার খুশি ততবার বিদ্যুৎ-গ্যাস, ডিজেল, পেট্রোলসহ জ্বালানির দাম বাড়াতে-কমাতে পারবে। অর্থাৎ বছরে একাধিকবার দাম বাড়ানোর বাধা অপসারিত করতেই এই বিল। ‘বছরে যতবার খুশি ততবার বিদ্যুৎ-গ্যাসের দাম বাড়ানোর এই বিল’জাতীয় দুর্যোগের মধ্যে আরেক দুর্যোগ হয়ে সাধারণ জনগণের কাঁধে আসছে।

বিইআরসি’র ভূমিকা আমরা জানি, ভোক্তাদের স্বার্থ সংরক্ষণের জন্য যৌক্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার কথা বিইআরসি’র। দাম বাড়ানোর আগে গণশুনানী একটা হয়। বেশ ক’বছর ধরে আমরা উপস্থিত থেকে যুক্তিতর্কের মাধ্যমে যে কথা বলি, মিডিয়ার কল্যাণে অনেকেই তা জানতে পারেন। রাজপথেও সোচ্চার থাকি। জনমত, যুক্তি আমাদের পক্ষে থাকলেও শেষে দেখা যায় ‘কর্তার ইচ্ছায় কর্ম’।

এসব কারণে বিইআরসি তার গ্রহণযোগ্যতা হারিয়েছে। তবুও নানা বাধ্যবাধকতার কারণে এই প্রতিষ্ঠানকে দিয়েই সরকার আইনি(!)ভাবে কতক গণবিরোধী কাজ করাতে চায়। কখনো কখনো নিজেদের তৈরি আইনই তাদের কাজে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। এ জন্য ওই বাধা দূর করতে মরিয়া হয়ে ওঠে। এই আইন সংশোধনের বিল উত্থাপনের মধ্য দিয়ে সরকার তার গণবিরোধী চেহারা আরেকবার তুলে ধরলো।

বিগত সরকারের আমলে বিদ্যুৎ-জ্বালানি নিয়ে চরম অবহেলা দুর্নীতি ছিল। এই সরকারের আমলে যথেষ্ট বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে, এটা ঠিক। কিন্তু কিসের বিনিময়ে? ফলাফল কী?

বিদেশি প্রতিষ্ঠান ‘জাইকা’র অর্থায়নে সরকার ২০১০ সালে ৩০ বছর মেয়াদি বিদ্যুতের মহাপরিকল্পনা প্রণয়ন করে। এখানেও দেশপ্রেমিক দেশীয় বিশেষজ্ঞদের মতামত নেয়া হয়নি। দ্রুত বিদ্যুৎ উৎপাদনের কথা বলে ‘দায়মুক্তি আইন’ও করা হয়। এই আইনের আওতায় দরদামসহ দেশের স্বার্থ, পরিবেশ এসব যাচাই-বাছাই ছাড়াই বিদ্যুৎকেন্দ্র গড়ে তোলা হয়। এই ধারা এখনো চলছে। রাষ্ট্রীয় খাতকে পঙ্গু করে বেসরকারি খাতকে প্রাধান্য দেওয়ায় এই খাত আজ গুটিকয়েক ব্যবসায়ীদের দখলে। এদের কাছ থেকে বেশি দামে বিদ্যুৎ কেনা হয়। শুধু তাই নয়, বিদ্যুৎ না কিনলেও প্রতি মাসে মাসে টাকা দিতে হয়।

বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) তথ্যমতে, ২০১৩-১৪ অর্থবছর থেকে গত অর্থবছর পর্যন্ত বেসরকারি বিদ্যুৎ ব্যবসায়ীদের ইনডিপেনডেন্ট পাওয়ার প্ল্যান্ট (আইপিপি) ও রেন্টাল কেন্দ্রগুলোকে ৬১ হাজার ৪৬২ কোটি টাকা কেন্দ্র ভাড়া বা ক্যাপাসিটি পেমেন্ট দিয়েছে। এই একইসময় ২ লাখ ৯৩ হাজার ২৯৪ কোটি টাকার বিদ্যুৎ কিনেছে বেসরকারি কেন্দ্রগুলোর কাছ থেকে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি)। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী সংসদে জানিয়েছেন, গত ১০ বছরে বিদ্যুৎ খাতে সরকার ভর্তুকি দিয়েছে ৫২ হাজার ২৬০ কোটি টাকা।

এই ভর্তুকির টাকা গেছে গুটিকয়েক ব্যবসায়ী ও বসে থাকা বিদ্যুৎকেন্দ্রের পেছনে। বসিয়ে রাখা অপ্রয়োজনীয় এসব বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য এ বছরও ভর্তুকি দিতে প্রায় ৯ হাজার কোটি টাকা রাখার খবর প্রচার মাধ্যমে এসেছে।

কেন এসব বিদ্যুৎ কেন্দ্র বসিয়ে রাখা হচ্ছে?

সরকারি হিসেব বলছে- এখন সরকারের বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ২৩ হাজার ৪৩৬ মেগাওয়াট। পিডিবি’র ওয়েবসাইটে দেখা যায় চাহিদা সাধারণত ৮/৯ হাজার মেগাওয়াট। সরকার দাবি করছে এই সময় সর্বোচ্চ ১২ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ চাহিদা ছিল, উৎপাদন হয়েছে। ঐ তথ্য ধরলেও দেখা যায় অর্ধেকের বেশি বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন প্রয়োজন নেই। তারপরও ঐ অলস, অপ্রয়োজনীয় বিদ্যুৎকেন্দ্রের চুক্তির অবসান করা হয়নি। এর সাথে জড়িত নানা ব্যাক্তি গোষ্ঠীকে সুবিধা দিতেই এগুলোকে রক্ষা করা হচ্ছে। এসব কেন্দ্র বেশি দামে প্রতিষ্ঠা করে উৎপাদন খরচ বাড়ানো হয়েছে। বহুল আলোচিত রেন্টাল-কুইক রেন্টাল ও পরিবেশ ধ্বংসকারী কয়লা প্রকল্পের কথা আমরা জানি। এরপরও চাহিদা না থাকলেও বাড়তি খরচে নতুন নতুন বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রতিষ্ঠার চুক্তি করে চলেছে সরকার।

এই বাড়তি উৎপাদন খরচ জনগণের কাছ থেকে নেওয়ার জন্য অযৌক্তিকভাবে সময় সময় দাম বাড়ানো হচ্ছে। বিদ্যুৎ ছাড়া মানুষ এখন এক মুহূর্ত চলতে পারছে না। এই অনিবার্যতাকে পুঁজি করে জাতীয় দুর্যোগ এর মধ্যে আবারও দাম বাড়ানোর পথ পরিষ্কার করতে নতুন আইন করা হচ্ছে।

সরকার নির্বিকারভাবে এই কাজটি করে চলেছে। পরিস্থিতি এমন হয়েছে যে, গত ২৪ জুন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ও জ্বালানি বিশেষজ্ঞ, রাজনীতিক, ভোক্তা প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে এক সভায় শ্রদ্ধাভাজন অধ্যাপক রেহমান সোবহান জানতে চাইলেন- ১) বিদ্যুতের চাহিদার যে প্রাক্কলন করা হয়েছিল, তা কি আমাদের প্রবৃদ্ধির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ? ২) নতুন অনেক বিদ্যুৎকেন্দ্র এখন উৎপাদনে এসেছে। তারপরও কেন ব্যয়বহুল বিদ্যুৎকেন্দ্র রাখছি? এগুলো কেন অবসরে পাঠাচ্ছি না? ওই সভায় এসব নিয়ে মন্ত্রী নানা কথা বললেন। যা মোটেই সন্তোষজনক ছিল না।

পাঠক, আপনাদের হয়তো মনে আছে বিদ্যুৎ সংকটের কথা বলে বেশি দামে বিদ্যুৎ উৎপাদনের সময় বলা হয়েছিল ২০১৪ সাল থেকে দাম কমে আসবে। এখন এই আলোচনাকে জাদুঘরের এক কোনায় রাখা হয়েছে।

আমরা প্রথম থেকেই বলে এসেছি যে,নিরবচ্ছিন্ন ও কম দামে বিদ্যুৎ প্রাপ্তির অধিকার দেশের মানুষের।গ্যাস আমাদের নিজস্ব সম্পদ, এটির দক্ষ ও যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করা দরকার। স্থল ও সমুদ্রভাগের তেল-গ্যাস উত্তোলনে সক্ষমতা বাড়ানো ও উত্তোলন করা দরকার। বাপেক্সকে কার্যকর প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া দরকার। সাশ্রয়ী ও পরিবেশের কম ক্ষতিতে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা দরকার। এসব কাজ করা হলো না। অপচয়, দুর্নীতি বন্ধ করে দক্ষ ভাবে এই খাত পরিচালনা করতে ব্যর্থ হলো সরকার।

দুনিয়া যখন পরিবেশবান্ধব নবায়নযোগ্য জ্বালানি সৌর, বায়ু, পানির মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদনে এগুচ্ছে, আমরা তখন রামপালসহ পরিবেশ ধ্বংসকারী ও গভীর শঙ্কা নিয়ে ব্যয়বহুল রূপপুর পরমাণু প্রজেক্টের দিকে এগোচ্ছি। সৌর বিদ্যুতের কথা উঠলে এর উৎপাদন ব্যয়ের কথা উঠতো, এখনও এই যুক্তিকে সামনে আনা হয়। কিন্ত তথ্য বলছে, গত ১০ বছরে সৌর বিদ্যুতের উৎপাদন ব্যয় ৮২ শতাংশ আর বায়ু বিদ্যুতের ৩৯ শতাংশ কমেছে। প্রতি বছর উৎপাদন ব্যয় কমছে।

এই পরিস্থিতিতে সময় এসেছে জ্বালানি খাতের পুরো পরিকল্পনা ঢেলে সাজানোর। একথা আমরা পরিষ্কারভাবে জানাতে চাই যে সরকারের ভুলনীতি আর দুর্নীতির ফলে আজ বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত আমাদের গলায় কাঁটার মতো বিঁধে আছে। এর দায় সরকারের। জনগণের নয়।

তাই উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধির কথা বলে মূল্যবৃদ্ধির যে কোনো পদক্ষেপ কোনভাবেই গ্রহনযোগ্য হবে না ।অবিলম্বে বছরে একাধিকবার বিদ্যুৎসহ জ্বালানির দাম বাড়াতে আনা বিল প্রত্যাহার করতে হবে। দেশের জ্বালানি খাতের অব্যবস্থাপনা, দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করে বিদ্যুৎ,গ্যাস সহ ও জ্বালানির দাম কমাতে হবে। বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম সর্বনিম্নে। এর ফল জনগণ যাতে সর্বস্তরের সুবিধা পায় তার ব্যবস্থা করতে হবে।

এসব কাজ এমনিতে হবে তা, ভাবার কোনো কারণ নেই। সরকার তার শ্রেণিস্বার্থ রক্ষায় কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে। এদের কাছে প্রধান হলো, লুটেরা ব্যবসায়ী, কমিশন ভোগীদের স্বার্থ।

করোনায় প্রায় ৪ কোটি মানুষকে দারিদ্র সীমার নিচে নামিয়ে দিতে পারার তথ্য গবেষকদের। নিম্নবিত্ত, মধ্যবিত্তের নাকাল অবস্থা। এসব মানুষের সুরক্ষার নূন্যতম মানবিক চিন্তার বহি:প্রকাশ দেখছি না। তাইতো দেখি এই দুর্যোগেও অপ্রয়োজনীয় ‘প্রকল্প’ থামানো হয়নি। লুটেরাদের কাছ থেকে টাকা উদ্ধার করে, উচ্চবিত্তের উপর কর বাড়িয়ে জনকল্যাণের চিন্তা করা হয়নি।

বিইআরসি’র গণশুনানিতে দেশপ্রেমিক বিশেষজ্ঞ ও আমরা তো প্রমাণ করেছি- বিদ্যুতের দাম বাড়ানো নয়, কমানো সম্ভব। অনিশ্চিত জাতীয় দূর্যোগকালীন সময়েও সাধারন মানুষের স্বার্থে ‘দাম কমানোর’ এই পথে না হেঁটে, এই প্রতিষ্ঠান দিয়ে যতবার খুশি ততবার দাম বাড়ানোর জন্য এই সংশোধনী বিল আনা হলো। এর বিরুদ্ধে সব জায়গায় সোচ্চার হতে হবে।

জনগণকে সাথে নিয়ে সরকারের এই গণবিরোধী তৎপরতা আমাদেরও রুখে দাঁড়ানোর বিকল্প নেই।

লেখক: সম্পাদক, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

সর্বশেষ

রাশিয়াকে টপকে করোনা সংক্রমণে শীর্ষ তিনে ভারত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:: ভারতে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা দিন দিন লাফিয়ে বাড়ছে। এবার আক্রান্তের দিক থেকে রাশিয়াকে পেছনে ফেলে তৃতীয় স্থানে উঠে এসেছে ভারত।

সিলেটে করেনায় আক্রান্ত হয়ে নার্সের মৃত্যু

সিলেট প্রতিনিধি:: সিলেট শহীদ শামসুদ্দিন হাসপাতালে করোনা ইউনিটে কর্মরত সিনিয়র স্টাফ নার্স নাসিমা ভারভীন করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। আজ সোমবার সকাল...

চট্টগ্রামে করোনা রোগীর সংখ্যা ১০ হাজার ছাড়াল

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি ::চট্টগ্রাম জেলায় করোনাভাইরাস শনাক্তের সংখ্যা ১০ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন ২৯২ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে...

অনলাইন ক্লাস: ৭দফা দাবিতে ঢাবি উপাচার্যকে স্মারকলিপি

ঢাবি প্রতিনিধি:: অনলাইনে ক্লাস শুরুর আগে সকল শিক্ষার্থীর ক্লাসে অংশগ্রহণের সুযোগ নিশ্চিত করে সুষ্ঠুভাবে ক্লাস পরিচালনার জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) উপাচার্যকে সাত...
Shares