বুধবার, মার্চ ৩
শীর্ষ সংবাদ

বঙ্গবন্ধু বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির অপসারণ ও বিচারের দাবিতে শাহবাগে প্রতিবাদ সমাবেশ

এখানে শেয়ার বোতাম

নিজস্ব প্রতিবেদক :: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি খোন্দকার নাসির উদ্দিনের অপসারণ ও বিচারের দাবিতে শাহবাগে প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে নিপীড়নের বিরুদ্ধে শাহবাগ নামে সংগঠন।

আজ সোমবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বিকাল ৫ টায় বঙ্গবন্ধু বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্দোলন শিক্ষার্থীদের সাথে সংহতি জানিয়ে এই প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, ভিসি নাসির নিজের দুর্নীতি আড়াল করতে অন্যায় ও অযৌক্তিকভাবে প্রতিবাদী ছাত্র-ছাত্রীদের বহিস্কার করেছেন।তাই তাকে তারা দুর্নীতিবাজ-নিপীড়ক ‘পাপাচার্য’ বলে সম্বোধন করেন।

তারা বলেন , ‘পাপাচার্য’ এর বিভিন্ন দুর্নীতি, অর্থ আত্মসাৎ, বিনা কারণে অন্যায়ভাবে বহিস্কারসহ শিক্ষার্থীদের বাকস্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ, শিক্ষকদের মানসিক নির্যাতন, কথায় কথায় শোকজসহ ভিসির নির্যাতনে অতিষ্ঠ হয়ে আন্দোলন শুরু করেছেন শিক্ষার্থীরা।

প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সিপিবি নেতা রুহিন হোসেন প্রিন্স, উদীচির সহ-সভাপতি সঙ্গিতা ইমাম, সাধারন সম্পাদক জামশেদ আনোয়ার তপন, নাগরিক সংগঠক ও অনলাইন এক্টিভিস্ট জীবনানন্দ জয়ন্ত, আকরামুল হক, খান আসাদুজ্জামান মাসুম, হাসনাত কাইয়ুম, রবিন আহসান, মাহফুজা হক, বাকি বিল্লাহ, শরিফুজ্জামান শরিফ প্রমুখ

উল্লেখ্য, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের শিক্ষার্থী ও সাংবাদিক ফোতেমা-তুজ-জিনিয়াকে অন্যায়ভাবে বহিস্কারের পর ফেসবুকে ব্যাপক প্রতিবাদের ঝড় ওঠে। ১৮ সেপ্টেম্বর জিনিয়ার বহিস্কারাদেশ প্রত্যাহারের পর ১৯ সেপ্টেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা ভিসি পতনের আন্দোলনে নেমে প্রশাসনিক ভবনের সামনে আমরন অনশন কর্মসূচি শুরু করে। ২১ সেপ্টেম্বর আন্দোলন বানচাল করার লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা ও হল ত্যাগের নির্দেশ দিয়ে আবাসিক হলের খাবার, পানি, বিদ্যুৎসংযোগ বন্ধ করে দেয় প্রশাসন। একইসঙ্গে বহিরাগত ও ভাড়া করা স্থানীয় সন্ত্রাসী দিয়ে শিক্ষার্থীদের ওপর নৃশংস হামলা চালানোর অভিযোগ ওঠে ভিসির বিরুদ্ধে। তবে ভিসি নাসির উদ্দিন শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার কথা অস্বীকার করেছেন।

এদিকে শিক্ষার্থীদের ওপর বর্বরোচিত হামলার প্রতিবাদে সহকারী প্রক্টর পদ থেকে অব্যাহতি নেন সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক হুমায়ুন কবির। এছাড়াও উচ্চতর শিক্ষা লাভের জন্য জাপান ভ্রমণ বাতিল করে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন গণিত বিভাগের শিক্ষক মিনারুল হক। এছাড়াও শিক্ষার্থীদের এই আন্দোলনে সমর্থন করে সংহতি প্রকাশ করেছেন সচেতন শিক্ষক সমাজসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষিকারা।


এখানে শেয়ার বোতাম