মঙ্গলবার, ডিসেম্বর ১

প্রাথমিক শিক্ষকদের যেসব কার্যক্রমের বিষয়ে তথ্য চেয়েছে সরকার

এখানে শেয়ার বোতাম

অধিকার ডেস্ক:: করোনাকালে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সঙ্গে শিক্ষকদের নিয়মিত ফোনালাপ করার তথ্য চেয়েছে সরকার। সম্প্রতি প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর থেকে সকল বিভাগ, জেলা ও উপজেলাভিত্তিক তথ্য বিভাগীয় উপ-পরিচালককে পাঠাতে নির্দেশ দেওয়া হয়। এছাড়া ভার্চুয়াল মিটিং কতটি করা হয়েছে এবং শিক্ষকরা স্ব-প্রণোদিতভাবে কতটি পরিবারকে সহায়তা করেছেন তাও জানতে চাওয়া হয়েছে নির্দেশনায়। প্রাথমিক অধিদফতর সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

শিক্ষার্থীরা বাসায় কী করছে, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলছে কিনা, লেখাপড়া কতটা করছে, সংসদ টিভিতে প্রচারিত ক্লাসগুলো ভালো করে দেখছে কিনা, মূল্যায়নের জন্য শিক্ষার্থীদের প্রস্তুতি নিতে কতটা সহায়তা পাচ্ছে তা জানতে টেলিফোন আলাপের উদ্যোগ নেয় প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর। শিক্ষার বিষয়ে আলোচনাসহ স্বাস্থ্য সচেতনতা নিয়েও মোবাইল ফোনে আলাপ-আলোচনা করবেন শিক্ষকরা। এতে শেখানোর বিষয় ছাড়াও নতুন করে শিক্ষক-শিক্ষার্থী সম্পর্কের নতুন সেতুবন্ধন তৈরি করা হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

জানতে চাইলে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক মো. ফসিউল্লাহ্ বলেন, ‘আমরা আগেই টেলিফোনে যোগাযোগ রাখার নির্দেশনা দিয়েছি। শিক্ষার্থীরা বাসায় কী করছে, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলছে কিনা, লেখাপড়া কতটা করছে, সংসদ টিভিতে প্রচারিত ক্লাসগুলো ভালো দেখছে কিনা এসব বিষয়ে খোঁজ-খবর নিতে শিক্ষকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। লেখাপড়ার বিষয়ে শিক্ষার্থীদের মনোযোগ ধরে রাখা ও বাসায় লেখাপড়া নিশ্চিত করতে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ’

করোনার এই সময়ে নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে উল্লেখ করে মো. ফসিউল্লাহ্ বলেন, ‘অভিভাবকরা তাদের ছেলেমেয়েদের স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে বেশি সময় দিতে পারছেন। তাদের খোঁজ-খবর রাখছেন। কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া সব পরিবারের সদস্যদের মধ্যে ভালোবাসার বন্ধন এতে অনেকটাই শক্ত হচ্ছে। শিক্ষকরা টেলিফোনে শিক্ষার্থীর সঙ্গে তার ভালোমন্দের খোঁজ-খবর করছেন এতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীর মধ্যে ভালো সম্পর্ক গড়ে উঠবে। অভিভাবকদের সঙ্গে শিক্ষকদের এক ধরনের সখ্যতাও গড়ে উঠবে।

শিক্ষার্থীরা যাতে বাড়িতে বসে ঠিকমত লেখাপড়া করে এবং তারা যাতে পিছিয়ে না যায় সে লক্ষ্যে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর থেকে শিক্ষকদের ফোনে যোগাযোগ করার নির্দেশনাও দেওয়া হয়। গত ২৯ জুলাইয়ের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের সঙ্গে টেলিফোন সংক্রান্ত তথ্য আগামী ৬ আগস্টের মধ্যে পাঠাতে বিভাগীয় পরিচালককে নির্দেশ দেওয় হয়।

নির্দেশনায় কর্মরত শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর হিসাবসহ কত শতাংশ শিক্ষার্থীর সঙ্গে টেলিফোন যোগাযোগ করা হয়েছে, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকের সঙ্গে কত রাউন্ড যোগাযোগ করা হয়েছে এবং শিক্ষার্থীরা কতবার শিক্ষকের সঙ্গে টেলিফোনে যোগাযোগ করেছে তা জানতে চাওয়া হয়েছে বিভাগ ও জেলাভিত্তিক।

এছাড়া জুম বা ভার্চুয়াল মিটিং কতটি করা হয়েছে এবং স্ব-প্রণোদিতভাবে কতটি পরিবারকে সহায়তা করা হয়েছে করোনাকালে তাও জানতে চাওয়া হয়েছে নির্দেশনায়।


এখানে শেয়ার বোতাম