বুধবার, নভেম্বর ২৫

পেঁয়াজ-সিন্ডিকেট আইনের আওতায় আসছে না কেন?”

এখানে শেয়ার বোতাম

সিলেট প্রতিনিধি :: বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সিলেট জেলা কমিটির উদ্যোগে পেঁয়াজসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে এবং মাদক-সন্ত্রাস দুর্নীতি বিরোধী অভিযান অব্যাহত রাখার দাবীতে ২০ নভেম্বর বিকাল ৪টায় নগরীর কোর্ট পয়েন্টে মানববন্ধন ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

এতে সভাপতিত্ব করেন ওয়ার্কার্স পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য ও সিলেট জেলার সভাপতি কমরেড সিকন্দর আলী।

বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি সিলেট জেলা সভাপতি কমরেড সিকন্দর আলী বলেন- “পেঁয়াজসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদির মূল্য জনগণের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে। বিভিন্ন সিন্ডিকেটের কবলে জিম্মি হয়ে পড়েছে সারা দেশ। সরকারের মন্ত্রীরা পর্যন্ত নানারকম হাস্যকর-পরষ্পরবিরোধী বক্তব্য দিচ্ছেন। দায়িত্বশীল অবস্থানে থেকে জনগণের সাথে এই ধরণের রসিকতা বাংলার মানুষ বেশিদিন বরদাস্ত করবে না। বস্তা বস্তা পেঁয়াজ রাতের আঁধারে ফেলে দেওয়া হচ্ছে নদীতে, অথচ সরকার এদের কাউকেই চিহ্নিত করতে পারছে না। বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন- তিনি এসবের কিছুই জানেন না। এরকম ব্যর্থ বাণিজ্যমন্ত্রীর দ্রুত পদত্যাগ করা উচিত। দুর্নীতি ও ক্যাসিনোর বিরুদ্ধে অভিযানের নামে নামমাত্র দুয়েকজনকে গ্রেফতার করে আর দুয়েকজন সৎ নেতার চরিত্রহনন করেই নাটকীয়ভাবে বন্ধ হয়ে গেছে এই অভিযান। অথচ দেশ এখন জিম্মি হাতেগোণা কয়েকটি সিন্ডিকেটের হাতে।”

এতে বক্তারা বলেন- “প্রশাসন পরিবহন শ্রমিক আইন নিয়ে যে ধরণের দুর্নীতি শুরু করেছে, দেখা গেছে প্রতিটি গাড়ির কাছ থেকে টাকার বিনিময়ে আইন অমান্যকারীদের ছেড়ে দিচ্ছে। তাদেরকে সঠিকভাবে আইন সম্পর্কে অবহিত না করে বিভিন্ন চাঁদাবাজী করছে এবং মামলা দিচ্ছে। ইতোমধ্যে পরিবহন শ্রমিকরা ধর্মঘট ডেকেছে।” শ্রমিকদের তিনি এ ধর্মঘট প্রত্যাহার করে তাদের ন্যায্য দাবীর মাধ্যমে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের দাবী জানান।

সিলেট জেলা ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক কমরেড ইন্দ্রানী সেন শম্পার পরিচালনায় উপস্থিত ছিলেন জেলা ওয়ার্কার্স পার্টির সম্পাদকমন্ডলীর সদস্য দীনবন্ধু পাল, সদস্য মুহিতোষ চৌধুরী প্রসাদ, অজিত দেবনাথ, জাতীয় শ্রমিক ফেডারেশন জেলা সহ-সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালাম, যুব মৈত্রী কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক হিমাংশু মিত্র, জেলার যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল্লাহ খোকন, আলমগীর হোসেন, দক্ষিণ সুরমা ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক আলমগীর হোসেন রুমেল, বিপ্রদাস বিশু বিক্রম, বাংলাদেশের নারীমুক্তির জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক রিতা আক্তার, সদস্য আকলিমা বেগম, বাংলাদেশ ছাত্র মৈত্রীর জেলা সাধারণ সম্পাদক মাসুদ রানা চৌধুরী, সহ-সাধারণ সম্পাদক সারথী উরাও, রাজনৈতিক শিক্ষা গবেষণা সম্পাদক সালেহ আহমদ প্রমূখ।


এখানে শেয়ার বোতাম