বুধবার, এপ্রিল ১৪
শীর্ষ সংবাদ

পাঠ্যসূচি, বিসিএসে মুক্তিযুদ্ধবিরোধীদের প্রশ্ন অন্তর্ভুক্ত করতে হবে: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী

এখানে শেয়ার বোতাম
  • 10
    Shares

অধিকার ডেস্ক:: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেছেন, ইতিহাসে মুক্তিযোদ্ধাদের বীরত্বগাথার পাশাপাশি পাকিস্তান সেনাবাহিনী ও তাদের সহযোগীদের নৃশংসতার বিবরণ থাকতে হবে।

স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে সোমবার একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি আয়োজিত এক আন্তর্জাতিক ওয়েবিনারে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, সব পর্যায়ে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস পাঠ বাধ্যতামূলক করার পাশাপাশি পাঠ্যসূচিতে ৫০ নম্বর মুক্তিযুদ্ধের গৌরবগাথা এবং ৫০ নম্বর থাকতে হবে প্রতিপক্ষের ও মুক্তিযুদ্ধবিরোধীদের ভয়াবহতা ও নৃশংসতার কথা। এর ফলে তরুণ প্রজন্ম বুঝতে পারবে তারা কোন পক্ষে থাকবে। বিসিএস এর প্রশ্নপত্রে মুক্তিযুদ্ধের প্রতিপক্ষের ইতিহাসের ওপর প্রশ্ন অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জাতীয় সংগীত ও জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয় না। দশম শ্রেণি পর্যন্ত সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জাতীয় সংগীত বাধ্যতামূলক করতে হবে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সভাপতি শাহরিয়ার কবির।

তিনি বলেন, যদিও আমরা সর্বোচ্চ মূল্য দিয়ে স্বাধীনতা অর্জন করেছি, আমাদের দুর্ভাগ্য হচ্ছে গত ৫০ বছরে অধিকাংশ সময় এ দেশ শাসিত হয়েছে স্বাধীনতাবিরোধী এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিনাশী মৌলবাদী সাম্প্রদায়িক অপশক্তির দ্বারা। এই অপশক্তি ক্ষমতায় থাকাকালে মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস ও চেতনা মুছে ফেলে বাংলাদেশকে পাকিস্তানের মতো মৌলবাদী সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাসী রাষ্ট্রে পরিণত করতে চেয়েছিল। বঙ্গবন্ধুর কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতায় এসে বঙ্গবন্ধু ও চার জাতীয় নেতার হত্যার বিচার করেছেন।

ইন্টারন্যাশনাল থিয়েটার ইনস্টিটিউটের সভাপতি রামেন্দু মজুমদার বলেন, ডিজিটাল আইনের অপব্যবহার হচ্ছে। ওয়াজের মধ্যে নারী, বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে কটাক্ষের বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হয় না। বিজ্ঞান ও বাংলা মিলিয়ে মাদ্রাসার পাঠ্যসূচি তৈরি করা উচিত। শিক্ষাকে একমুখী করা দরকার।

অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য দেন, একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সহসভাপতি শহীদজায়া শ্যামলী নাসরিন চৌধুরী, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক গবেষক মুক্তিযোদ্ধা লে. কর্নেল (অব.) কাজী সাজ্জাদ আলী জহির, নির্মূল কমিটির উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. আমজাদ হোসেন, মুক্তিযুদ্ধে শহীদ ভাষাসংগ্রামী ধীরেন্দ্রনাথ দত্তের পৌত্রী সমাজকর্মী অ্যারমা দত্ত, মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের প্রতিষ্ঠাতা ট্রাস্টি মফিদুল হক, নির্মূল কমিটির সহসভাপতি শিক্ষাবিদ মমতাজ লতিফ, অনলাইন অ্যাকটিভিস্ট ও গণজাগরণ মঞ্চের অন্যতম সংগঠক লেখক মারুফ রসুল ও নির্মূল কমিটির সাধারণ সম্পাদক কাজী মুকুল।

 


এখানে শেয়ার বোতাম
  • 10
    Shares