বুধবার, ডিসেম্বর ২

নিজ দলের কর্মীকে হত্যা, যুবদল কর্মীর মৃত্যুদণ্ড

এখানে শেয়ার বোতাম

অধিকার ডেস্ক:: কুমিল্লায় দলীয় কর্মী এসএম তৌহিদ সোহেল হত্যা মামলায় যুবদল কর্মী আহসান হাবিব মিঠুর মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এছাড়াও তাকে এক লাখ টাকা জরিমানা করার হয়েছে। এ মামলায় অভিযুক্ত অপর দুই আসামিকে খালাস দেয়া হয়েছে।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কুমিল্লার অতিরিক্ত দায়রা জজ ২য় আদালতের বিচারক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন জনাকীর্ণ আদালতে এ রায় দেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আহসান হাবিব মিঠু নগরীর রেসকোর্স এলাকার মৃত কদম আলীর ছেলে। বর্তমানে তিনি পলাতক রয়েছেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১২ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর দুপুরে নগরীর রেসকোর্স এলাকার লাইট অব বেঙ্গল হোটেলে ১৮ দলীয় জোটের অনুষ্ঠান চলাকালে যুবদল কর্মী আহসান হাবিব মিঠুর সঙ্গে তুচ্ছ বিষয় নিয়ে আরেক কর্মী এসএম তৌহিদ সোহেলের হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ওইদিন বিকেলে রেসকোর্স এলাকায় এস এম তৌহিদ সোহেলকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর আহত করা হয়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় ওইদিন রাতে নিহত এসএম তৌহিদ সোহেলের স্ত্রী বদরুন্নাহার লুনা বাদী হয়ে আহসান হাবিব মিঠুকে প্রধান আসামি করে দুইজনের নাম উল্লেখ করে কোতয়ালী মডেল থানায় মামলা করেন। পরে আহসান হাবিব মিঠু আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে ঘটনার সঙ্গে জড়িত শাহেদ হাসান নামে আরও এক আসামির নাম প্রকাশ করে। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই গৌতম তদন্ত শেষে ওই বছরের ১৪ ডিসেম্বর আদালতে তিনজনের নামে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

এদিকে ১৭ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৩ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে বুধবার আদালতের বিচারক মামলার প্রধান আসামি আহসান হাবিব মিঠুর মৃত্যুদণ্ড দেন। অপর দুই আসামি মোস্তফা জামান ও শাহেদ হাসানকে বেকসুর খালাস দেন আদালত।

রাষ্ট্রপক্ষে অ্যাডভোকেট আব্দুল মান্নান মজুমদার এবং বাদীপক্ষে অ্যাডভোকেট মো. জাহাঙ্গীর আলম ভূঁইয়া মামলাটি পরিচালনা করেন।

মামলার বাদী নিহত এসএম তৌহিদ সোহেলের স্ত্রী বদরুন্নাহার লুনা বলেন, আমি এ রায়ে সন্তুষ্ট নই। আমি তিনজনেরই শাস্তি চেয়েছিলাম। বিষয়টি নিয়ে উচ্চ আদালতে আপিল করব।


এখানে শেয়ার বোতাম