বৃহস্পতিবার, মে ১৩
শীর্ষ সংবাদ

দেশে সত্যিকার অর্থে কোনও সরকার নেই: মওদুদ আহমদ

এখানে শেয়ার বোতাম

অধিকার ডেস্ক :: ১০ বছরে ছাত্রলীগ-যুবলীগের তাণ্ডবলীলা চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ। তিনি বলেন, ‘তাদের তাণ্ডবলীলা দেখলে মনে হয়, দেশে সত্যিকার অর্থে কোনও সরকার নেই।’

শুক্রবার (১১ অক্টোবর) দুপুরে বুয়েটছাত্র আবরার হত্যার প্রতিবাদ ও খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদ আয়োজিত এক মানববন্ধনে তিনি একথা বলেন।

মওদুদ বলেন, ‘গত ১০ বছরে ছাত্রলীগ-যুবলীগ শত শত কোটি টাকা লুটপাট করে বিদেশে পাচার করেছে। ৮৬ কোটি টাকা টেন্ডারবাজির অভিযোগে ছাত্রলীগের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদককে অপসারণ করা হয়েছে। এদের কর্মকাণ্ডের পরই আমরা দেখতে পেলাম যুবলীগের তাণ্ডবলীলা।’

প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর নিয়ে বিএনপির এই নীতি নির্ধারক বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী যখন ভারত সফরে গেলেন, আমরা অত্যন্ত আশাবাদী ছিলাম। ভেবেছিলাম অন্তত তিস্তা নদীর পানির ব্যাপারে একটি সমঝোতার খবর নিয়ে আসবেন। ১০ বছর ধরে ক্ষমতায় থাকার পরও তিস্তা নদীর ন্যায্য হিস্যা তিনি অর্জন করতে পারেননি। প্রধানমন্ত্রী ভারতকে ফেনী নদীর পানি দিয়ে এলেন, অথচ কোনও জাতীয় স্বার্থ পূরণ করেননি। এরপরও তিনি কীভাবে বলেন, আমরা জাতীয় স্বার্থ বিকিয়ে দিইনি। দেশের মানুষ এই সরকারকে আর ক্ষমতায় দেখতে চায় না।’

খালেদা জিয়া সঠিক চিকিৎসা পাচ্ছেন না অভিযোগ করে মওদুদ বলেন, ‘খালেদা জিয়া কারাবন্দি হওয়ার এক বছর দুই মাস ধরে দাবি করার পর তাকে পিজি হাসপাতালে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়। অথচ যুবলীগের সম্রাট কারাগারে যাওয়ার দু’দিন পরই তাকে ভিআইপি মর্যাদায় চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। খালেদা জিয়া অত্যন্ত অসুস্থ তারপরও তাকে সঠিক চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে না। এতেই বোঝা যায় দেশে দ্বৈতনীতি চলছে।’

বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য বলেন, ‘আবরার হত্যার বিচার, খালেদা জিয়ার মুক্তি ও দেশের জনগণের অধিকার ফিরিয়ে আনার একমাত্র পথ রাজপথ। রাজপথে আন্দোলনের মাধ্যমেই এই সরকারকে হটিয়ে একটি গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে।’

এসময় তিনি বুয়েটছাত্র আবরার ফাহাদের মৃত্যুর দিনকে শহীদ আবরার দিবস হিসেবে ঘোষণার দাবি জানান।

মানববন্ধনে আয়োজক সংগঠনের সভাপতি সাংবাদিক নেতা রুহুল আমিন গাজী, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, বিএনপি’র চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আব্দুল কুদ্দুস প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।


এখানে শেয়ার বোতাম