শুক্রবার, নভেম্বর ২৭

দৃশ্যমান অগ্রগতি নেই কুবির মূল ফটকের কাজে

এখানে শেয়ার বোতাম
  • 3
    Shares

কুবি প্রতিনিধি:: প্রতিষ্ঠার ১৫ বছরেও কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে নির্মিত হয়নি মূল ফটক। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বারবার আশ্বাস দিলেও হয়নি তার বাস্তব প্রতিফলন। ফলে, ফটক নিয়ে প্রায়ই বর্তমান ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করতে দেখা যায়। তবে, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বলছে দ্রুতই দৃশ্যমান হবে মূল ফটকের কাজ।

২০১৯ সালের জুন মাসে বেশ ঘটা করে মূল ফটকের জন্য একটি দৃষ্টিনন্দন নকশা প্রণয়ন করা হয়। যার সম্ভাব্য ব্যয় ধরা হয় প্রায় ১কোটি টাকা৷ তবে সেই নকশা প্রণয়নের পর থেকে এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ফটক নির্মানের দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি পরিলক্ষিত হয়নি।

এরপর ২০২০ এ সমাবর্তন চলে আসলে সমাবর্তনের আগে গেট করা সম্ভব নয় জানিয়ে কর্তৃপক্ষ সাময়িক সময়ের জন্য প্রস্তাবিত নকশার আদলে সমাবর্তনের আগে কৃত্রিম ফটক নির্মানের কথা দিয়েছিলো। কিন্তু সেই প্রতিশ্রুতিও রাখা হয়নি।

১৫ বছরেও মূল ফটক না থাকা সম্পর্কে প্রাক্তন শিক্ষার্থী হিমেল দেবনাথ হতাশা প্রকাশ করে বলেন, ‘প্রধান ফটক বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচিতির একটা বড় অংশ জুড়ে রয়েছে। ক্যাম্পাস লাইফে অসংখ্য আশার বাণীর পরেও এই প্রধান ফটক না পাওয়ার বেদনাটুকু আমাদের এখনো রয়েছে। শুধু প্রাক্তন ছাত্র হিসেবেই না, সবারই একটা আশা ছিলো ১ম সমাবর্তনে হয়তো এই কষ্টটার অবসান ঘটবে। কিন্তু সেই দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান সেবারও ঘটেনি।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিকল্পনা ও উন্নয়ন দপ্তর সূত্রে জানা জায় প্রধান ফটকের টেন্ডার হয়েছিলো ২০১৯ সালে। টেন্ডার হওয়ার পরও কাজ শুরু না হওয়ার ব্যাপারে জানতে চাইলে, কুবি রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মোঃ আবু তাহের বলেন, ‘টেন্ডার করা হয়েছিল। তবে সেখানে এ ধরণের দৃষ্টিনন্দন গেইট করার উপযুক্ত বা পর্যাপ্ত অভিজ্ঞতা সম্পন্ন কেউ অংশগ্রহণ না করায় ওয়ার্ক অর্ডার দেয়া সম্ভব হয়নি। পরবর্তীতে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন কাজে (মেগা প্রকল্প) সেনাবাহিনী সম্পৃক্ত হওয়ায় এই কাজটাও প্রকল্পের আওতায় যথাশীঘ্রই শুরু হবে।’

কুবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. এমরান কবির চৌধুরী বলেন, ‘দ্রুতই কাজ শুরু হবে। আমাদের দিক থেকে গেইট সম্পর্কিত কাগজ-পত্র প্রেরণসহ সব কিছু সম্পন্ন হয়েছে৷ মন্ত্রণালয় থেকে ছাড়পত্র পাওয়ার পর মেগা প্রকল্পের আওতায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রথমেই এটা করবে৷’


এখানে শেয়ার বোতাম
  • 3
    Shares