রবিবার, মার্চ ৭
শীর্ষ সংবাদ

দুঃশাসনের বিরুদ্ধে লড়াই-সংগ্রাম জোরদার করতে জ্ঞান চক্রবর্তী এখনও প্রাসঙ্গিক: মুজাহিদুল সেলিম

এখানে শেয়ার বোতাম

অধিকার ডেস্ক :: অগ্নিযুগের বিপ্লবী, প্রখ্যাত কমিউনিস্ট নেতা সিপিবি’র সাবেক কেন্দ্রীয় নেতা, ঢাকা জেলা কমিটির সাবেক সম্পাদক কমরেড জ্ঞান চক্রবর্তীর ৪২তম মৃত্যুবার্ষিকীতে আলোচনা সভায় বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)’র সভাপতি কমরেড মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম বলেছেন, এই অন্ধকার যুগে, দুঃশাসনের বিরুদ্ধে লড়াই-সংগ্রাম জোরদার করতে জ্ঞান চক্রবর্তী এখনও প্রাসঙ্গিক। তিনি এখনও মশাল হাতে আমাদের মাঝে আবির্ভূত হন।

আলোচনা সভায় তিনি বলেন, সকলের কাছে প্রিয় ছিলেন কমরেড জ্ঞান চক্রবর্তী। তিনি ঢাকা জেলার সম্পাদকের পাশাপাশি কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তিনি পরিকল্পনাও করতেন এবং পাঠে সে পরিকল্পনা বাস্তবায়নেও কাজ করতেন। দলীয় কর্মীদের গড়ে তুলতে বিশিষ্ট ভূমিকা পালন করতেন। ৬৬ সালে এসএসসি পাশ করে ঢাকা কলেজের ছাত্র অবস্থায় ওনার সাথে আমার পরিচয়। বিপ্লব করতে হলে বিপ্লবী সৈনিক দরকার। তাদের বাস্তব কর্মকান্ডের সাথে সেই সৈনিকদের পরিচিত করতে হয়। তিনি আমাদের সেইভাবে প্রস্তুত করতেন।

মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম বলেন, অপপ্রচার, শ্রেণিসংগ্রাম একটা সামগ্রিক ব্যাপার। মিডিয়া লুটেরা ধনিকদের কব্জায় চলে গেছে। দুঃশাসন সাম্রাজ্যবাদ, সাম্প্রদায়িতকতা, ভোটের অধিকারের যে লড়াই আমরা করছি তা বিভ্রান্ত করতে নানা ফাঁদ পাতা হয়। সেই ফাঁদে আমাদের পা দিলে চলবে না। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, নিশানা বুর্জোয়ারা ধুলায় মিশিয়ে দিয়েছে। মুক্তিযুদ্ধ জনগণের অর্জন। সেই জনগণের অর্জনকে এগিয়ে নেওয়া সামথ্য বর্তমান আওয়ামী লীগের নেই। আমরা কমিউনিস্টরা জনগণের সেই অর্জনকে সামনে এগিয়ে নিব।

তিনি আরও বলেন, ‘বাকশাল গঠন সম্পর্কে তৎকালীন সিপিবি’র নেতৃবৃন্দ বঙ্গবন্ধুকে বলেছিলেন, ‘সমাজতন্ত্র কায়েম করার জন্য এক পার্টি সিস্টেম গুরুত্বপূর্ণ নয়। স্বাধীন দলগুলোকে ঐক্যমত্যে নিয়ে আসেন।’ কিন্তু বঙ্গবন্ধু তা শুনেন নাই। তিনি ‘বাকশাল’ গঠন করেন। এখনও পার্টি সম্পর্কে নানা বিতর্ক তৈরি করে জনগণকে বিভ্রান্ত করার অপচেষ্টা চলছে।’

বাংলাদেশ কৃষক সমিতির কেন্দ্রীয় নেতা মানবেন্দ্র দেব-এর পরিচালনায় আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন- সিপিবি’র কন্ট্রোল কমিশনের সদস্য মোর্শেদ আলী, কেন্দ্রীয় কমিটির সম্পাদক আহসান হাবিব লাবলু, ঢাকা কমিটির সাধারণ সম্পাদক ডা. সাজেদুল হক রুবেল, ক্ষেতমজুর সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. আনোয়ার হোসেন রেজা, কৃষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক জাহিদ হোসেন খান, যুব ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক খান আসাদুজ্জামান মাসুম।


এখানে শেয়ার বোতাম