রবিবার, ফেব্রুয়ারি ২৮
শীর্ষ সংবাদ

দল-জোট ভাল না লাগলে ছেড়ে দেয়ার পরামর্শ

এখানে শেয়ার বোতাম
  • 16
    Shares

অধিকার ডেস্ক:: জোট ও দলের ভেতর যারা উপদল ও নতুন জোট করার চেষ্টা করছেন তাদের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে দলের শীর্ষ নেতার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার মোহাম্মদ শাহজাহান ওমর বীর উত্তম। দল ও জোট ভাল না লাগলে পদত্যাগ বা দল ছেড়ে দেয়ার পরামর্শ তার।

অন্যদিকে, ২০ দলীয় জোট নেতা অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিমের মতে, জন্ম ঘোষণা দিয়ে হলেও জোটের ভাঙনে ঘোষণা নিষ্প্রয়োজন।

১৬ই জানুয়ারি সাবেক সেনাকর্মকর্তাদের নিয়ে রাজধানীতে একটি ব্যতিক্রমী দোয়ার আয়োজন করেছিল ২০ দলীয় জোটের শরিক বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম। যদিও এখানে তিনি রাজনতৈক পরিচয় দেননি। এর আগে, জাতীয় মুক্তি মঞ্চ নামে একটি সংগঠনের ঘোষণা দিয়েছিলেন জোটের আরেক শীর্ষ নেতা অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল অলি আহমেদ।

এ ধরনের আয়োজনকে জোটের নীতিমালা বিরোধী বলছে বিএনপি

বিএনপি’র ভাইস-চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার মোহাম্মদ শাহজাহান ওমর বীরউত্তম বলেন, “বৃহত্তম দল হিসেবে বিএনপি চেয়ারপারসন বিরোধি দলীয় নেত্রী ছিলেন। এখন উনার অবর্তমানে আমাদের নেতা অ্যাকটিং চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান। মূলত বিরোধী দলীয় ঐক্য জোটের প্রধান, তিনিই হেড।”

তিনি আরো বলেন, “২০ দলীয় জোট এক সুরে কথা বলা উচিৎ। কেউ যদি বিরধী দলীয় জোটের নেতার সম্মতি ব্যাতিরেকে সভা করে তা ২০ দলীয় জোটের নিয়মানুসারে অবৈধ।”

নিজের পুরোনো পেশার সহকর্মীদের নিয়ে আরেকটি আয়োজন জেনারেল ইবরাহিম করেছিলেন গেল ডিসেম্বরে। জোটের বাস্তবতায় এ ধরনের আয়োজনের পক্ষে যুক্তি দেন সাবেক সেনা কর্মকর্তা বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব) সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম। তিনি বলেন, “একটি রাজনৈতিক জোট একান্নবর্তী পরিবারের মত। অর্থাৎ ইরানের আয়াতুল্লা খমেনি এখন থেকে ৪০ বছর আগে প্যারিসে বসে ইরানের জনবিপ্লব সংগঠিত করেছিলেন। এরকম কোনো কিছু ২০২০ সালে কি সম্ভব? নাও হতে পারে। রাজনীতিতে অনেক রকম ভাব বিনিময় হয়। অনেক পদক্ষেপ হয় যা আগে থেকে বলা সম্ভব না। জন্ম ঘোষণা দিয়ে হয়, বিলুপ্তি ঘোষণা দিয়ে হয় না।”

জোট নেতার দুটি আয়োজনেই উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অবসরপ্রাপ্ত মেজর হাফজউদ্দিন আহমেদসহ দায়িত্বশীল বেশ কজন নেতা। তবে, দলের শীর্ষ নেতার সম্মতি ছাড়া এ ধরনের আয়োজনে যাবার যৌক্তিকতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন ব্যারিস্টার মোহাম্মদ শাহজাহান ওমর বীরউত্তম।

তিনি বলেন, “কল্যান পার্টি ও আরো দু’তিনটা পার্টি যারা এসেছিল তারা তো ওয়ান ম্যান ওয়ান পার্টি। তারা গেলে বা না গেলে কি এসে-যায়। তবে তারাও শিক্ষিত মানুষ। বিএনপির এমন কি দৈন্য হয়েছে যে মিলাদ করে দোয়া করতে হবে। আমাদের রক্ষা করতে হবে মাঠে। পলিটিক্যাল প্রোগ্রামে।”


এখানে শেয়ার বোতাম
  • 16
    Shares