শুক্রবার, ডিসেম্বর ৪

ঢাবি ছাত্রী ধর্ষণ: আলোক প্রজ্বলন ও পদযাত্রা ডাকসুর

এখানে শেয়ার বোতাম

ঢাবি প্রতিনিধি :: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ছাত্রীকে ধর্ষণের ঘটনায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বরাবর স্মারকলিপি দেবে ডাকসু। একইসঙ্গে দু’দিনব্যাপী কর্মসূচিও ঘোষণাও করা হয়েছে। কর্মসূচীর অংশ হিসেবে ডাকসু ভবন থেকে শহীদ মিনার পর্যন্ত নিপীড়নবিরোধী পদযাত্রা ও আলোক প্রজ্বলন করা হয়।

সোমবার (০৬ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় ডাকসু নেতৃবৃন্দ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীদের সমন্বয়ে এ আলোক প্রজ্বলন ও পদযাত্রা কর্মসূচী পালন করা হয়। এরপর রাত ৯ দিকে স্বরাষ্টমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ ও স্মারকলিপি প্রদান করার কথা রয়েছে ডাকসুর।

এছাড়া আগামীকাল বিকেল ৩টা রাজু ভাস্কর্যে নিপীড়ন বিরোধী ছাত্র-শিক্ষক-নাগরিক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। আর সন্ধ্যা ৬টায় নিপীড়ন বিরোধী ডাকসু মঞ্চ থেকে ধারাবাহিক সাংস্কৃতিক প্রতিবাদ হবে।

এদিকে ঢাবি শিক্ষার্থী ধর্ষণের প্রতিবাদ ও ধর্ষকদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভে উত্তাল রয়েছে ঢাবি ক্যাম্পাস। এ ঘটনায় বিচার নিশ্চিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন উপাচার্য অধ্যাপক আখতারুজ্জামান।

ধর্ষণের ঘটনার আলামত সংগ্রহ করেছে র‍্যাব ও ডিবি। ঝেঁপের মধ্যে পড়ে ছিল ছাত্রীটির বই-ঘড়ি-ইনহেলার। সকালে কুর্মিটোলা গলফ ক্লাবে যাওয়ার পথে একটি ঝোপের মধ্য থেকে এসব উদ্ধার করা হয়।

ওই ছাত্রীকে ধর্ষণের ঘটনাস্থল চিহ্নিত হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক গোলাম রব্বানী। সোমবার ওই ছাত্রীকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের ওয়ানস্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে দেখতে গিয়ে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন। এসময় তার সঙ্গে ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান।

ঢাবি প্রক্টর বলেন, স্পট চিহ্নিত হয়েছে। এমন ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার চুপ থাকবে, তা তো আশা করা যায় না। আন্দোলন হচ্ছে, হবেইতো। আলামতও সংগ্রহ করেছেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।

প্রসঙ্গত, রোববার রাজধানীর কুর্মিটোলা এলাকায় ধর্ষণের শিকার হয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় বর্ষের এক ছাত্রী। জানা গেছে, বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে শেওড়া যাওয়ার উদ্দেশে ঢাবির বাসে ওঠেন ওই শিক্ষার্থী। সন্ধ্যা ৭টার দিকে শেওড়ার বিপরীত পাশে কুর্মিটোলায় বাস থেকে নামেন তিনি। সেখানে অজ্ঞাত ব্যক্তি মুখ চেপে তাকে পাশের একটি স্থানে নিয়ে অজ্ঞান করে ধর্ষণ করে।

রাত ১০টার দিকে জ্ঞান ফিরলে তিনি নিজেকে নির্জন স্থানে আবিষ্কার করেন। সেখান থেকে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় গন্তব্যে পৌঁছান ওই ছাত্রী। পরে রাত ১২টার দিকে তাকে ঢামেক হাসপাতালের ওয়ান-স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) ভর্তি করান তার সহপাঠীরা।


এখানে শেয়ার বোতাম